Skip to main content

পিঁপড়া

 সুবহানাল্লাহ , ওয়ালহামদুলিল্লাহ.......




এটা পিঁপড়া ছবি, মাইক্রোস্কোপে জুম করে হাই রেজুলেশন ক্যামেরায় তোলা হয়েছে সম্ভবত। বিজ্ঞানীরা গবেষণার মাধ্যমে এ তথ্য আবিষ্কার করেছেন যে, পিঁপড়া খাওয়ার প্রয়োজনে মাটির নীচে যে শস্যদানা জমা করে সেগুলোকে জমা করার পর দু টুকরো করে ফেলে, যাতে দানাগুলো থেকে চারা উদ্গত না হয়ে যায়। কিন্তু ধনিয়ার দানাকে পিঁপড়া অভ্যাসের বিপরীত দুটুকরোর পরিবর্তে চার টুকুরো করে। এর করণ খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীগণ জানতে পারলেন, ধনিয়ার দানা দুটুকরো করে ফেললেও তা থেকে চারা উদ্গত হয়। চার টুকরো করলে আর উদ্গত হতে পারে না। তাই পিঁপড়া তাকে চার টুকরো করে। সুবহানআল্লাহ! কে পিঁপড়াকে এই তথ্য দিলো? কে পিঁপড়ার মাথায় এই বুদ্ধি দিলো? আল্লাহ,, একমাত্র আল্লাহ! رَبُّنَا الَّذِي أَعْطَىٰ كُلَّ شَيْءٍ خَلْقَهُ ثُمَّ هَدَىٰ আমার প্রতিপালক তিনি যিনি প্রতিটি জিনিসকে তার উপযু্ক্ত আকৃতি দান করেছেন অতপর তাকে প্রয়োজনীয় পথনির্দেশ দিয়ে দিয়েছেন।- (সূরাঃ আল-আ'লা-৩) আল্লাহ সর্বজ্ঞানী-💖

***************************************
কুকুর প্রতি বছর 6/7 বাচ্চা জন্মায় কিন্তু মারা যায়। তারপরেও কিন্তু এই পৃথিবীতে কুকুর এত বেশি দেখা যায় না। গরু কিন্তু বছরে একটা বাচ্চা জন্মদেয় গরু কিন্তু আমরা প্রতিদিন জবাই করে খাই তার পরেও গরু শেষ হয় না কারণ কি জানেন ,,? গরুর মধ্যে আল্লাহর বরকত আছে। যার মধ্যে আল্লাহর বরকত আছে সেটা শেষ হবেনা ঠিক তেমনি হালাল উপার্জন অল্পতেই আল্লাহর বরকত আছে অল্পতেই শান্তি আছে হারাম উপার্জন যতই বেশি করেন না কেন। আল্লাহর বরকত নাই হারাম উপার্জনের শান্তি ও নাই। ইয়া আল্লাহ, আমাদের সকলকে,,,, হেদায়াত কর এবং হালাল উপার্জন করার তৌফিক দান করুন ,, আমিন🤲
*****************************************************

গলি, সড়ক বা মহাসড়কে রাতের বেলা চলার পথে যদি রাস্তার পার্শ্বে দেখেন মোবাইল পড়ে আছে এবং লাইট জ্বলছে ভুলেও লোভে পড়ে দাঁড়াবেন না। এটা একটা ফাঁ'দ ! মোবাইলের কেসিনের নীচে ম্যাচ (গ্যাস) লাইটারের ছোট্ট লাইট টি জ্বালিয়ে রেখে আপনাকে ফাঁ'দে ফেলার কৌশল এটি । ছিন'তাই কারী আশেপাশে অবস্হান করে। আপনি মোবাইল উঠানোর জন্য দাড়ালে সবর্স্ব ছিনি'য়ে নিবে চোখের পলকে। সাবধান থাকুন সচেতন হয়ে পথ চলুন।

collected

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...