Skip to main content

দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ...

 


𝐋𝐨𝐯𝐞 𝐚𝐧𝐝 𝐑𝐞𝐬𝐩𝐞𝐜𝐭❤

দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিজেদের কে বুঝা। আমরা কেউ ই ১০০% 𝐩𝐞𝐫𝐟𝐞𝐜𝐭 হতে পারবোনা। কিন্তু একটা সুন্দর সংসার গড়ে তুলতে নিজেদের মধ্যে সঠিক বোঝাপড়া টা কিন্তু অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বা আপনার স্বামী বা স্ত্রী আপনার কাছে কি চাচ্ছে সেটি বুঝা অনেক বেশি গুরুত্বপুর্ণ।🚨 ⛔ আমাদের সমাজে একটা কথার প্রচলন আছে যে ছেলেদের মন বোঝা তো সহজ কিন্তু মেয়েদের মন সহজে বোঝা যায় না, আমরা বুঝিনা কেনো মেয়েটি রেগে গেলো ইত্যাদি। কিন্তু এটি কিন্তু আমাদের ভুল ধারণা। বিষয়টি কিন্তু এরকম নয়। 👉 একজন স্বামী যে কিনা তার অফিস শেষ করে সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে নরমাল টিভি দেখছে বা ফোন ঘাটছে। তখন আপনার স্ত্রী যদি আপনার কাছে এসে কয়েকবার ঘুরে যায় এবং আপনি যদি ঐ একই কাজ করতে থাকেন দেখবেন আপনার স্ত্রী কিন্তু পরক্ষণে রেগে যাবে। আপনার হয়তো মনে হতে পারে যে আপনার স্ত্রী কেনো রেগে গেলো। কিন্তু এখানে একটা বুঝার বিষয় আছে আপনার। সারাদিন পর আপনি বাসায় এসেছেন আপানার স্ত্রী চাইবে আপনার সাথে সময় কাটাতে, গল্প করতে। সেটি না করে যদি আপনি অন্য কাজ করতে থাকেন যেটি অতটা গুরুত্বপূর্ণ না, সেক্ষেত্রে আপনার স্ত্রীর রাগ করা স্বাভাবিক। আবার, মেয়েদের ক্ষেত্রে যদি বলি, আপনার স্বামীকে যদি আপনি রাগান্বিত হয়ে কটু কথা বলেন বা 𝐕𝐞𝐫𝐛𝐚𝐥 𝐀𝐛𝐮𝐬𝐞 করেন সেটিও কিন্তু ঠিক না। সারাদিন ব্যস্ত সময় কাটানোর পর আপনার স্বামী যদি আপনার সাথে সময় কাটাতে চায় বা গল্প করতে চায় আপনাকে সেটিও বুঝতে হবে। তা না করে আপনি যদি তার সাথে খারাপ ব্যবহার করে ফেলেন তখন আপনার স্বামীর মনের মধ্যে খারাপ প্রভাব পড়বে। এভাবে ধীরে ধীরে আপনাদের দুরত্ব তৈরি হতে থাকবে যা একটা সম্পর্কে কখনোই ভালো নয়।💔 🔵 এজন্য স্বামী স্ত্রীর মধ্যে 𝐔𝐧𝐝𝐞𝐫𝐬𝐭𝐚𝐧𝐝𝐢𝐧𝐠 বিষয়টা অনেক বেশি প্রয়োজন। সব কথা সবসময় মুখে বলে প্রকাশ করা যায় না। কিছু কিছু বিষয় নিজে থেকেই বুঝতে হয় আপনার পার্টনার কি চায়। দাম্পত্য জীবনে এটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটি না হলে সম্পর্ক ধীরে ধীরে খারাপ হতে থাকে এবং যার ফল পরবর্তীতে ভালো হয়না। এজন্য দাম্পত্য জীবনে 𝐔𝐧𝐝𝐞𝐫𝐬𝐭𝐚𝐧𝐝𝐢𝐧𝐠 অনেক প্রয়োজন।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...