Skip to main content

জীবনের পরীক্ষাগুলোতে পাশ করবেন কিভাবে?

 জীবনের পরীক্ষাগুলোতে পাশ করবেন কিভাবে?


🛑 জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই আমরা বিভিন্ন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের সবারই 𝐄𝐦𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧𝐚𝐥 𝐁𝐚𝐠𝐠𝐚𝐠𝐞 রয়েছে যেগুলো না চাইতেও আমরা প্রতিনিয়ত বয়ে বেড়াচ্ছি । দুটো আঙ্গিকে আমরা আমাদের জীবনের সমস্যাগুলোকে দেখতে পারি- ◼ প্রথম আঙ্গিক নিয়ে বলতে গেলে আমাদেরই একজন পার্টিসিপেন্টের কথা মনে পরে, উনি মারাত্নক একটি সড়ক দূর্ঘটনায় নিজের পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যকে একসাথে হারিয়ে ফেলেছেন। আরও একজন পার্টিসিপেন্টের হাজবেন্ড অন্য নারীতে আসক্ত। এই ঘটনাগুলোতে যে দুটো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমরা দেখতে পাই তা হলো প্রথমত এমন কিছু ঘটনা আমাদের জীবনে ঘটে যেখানে আমাদের কারোরই কোন হাত নেই এবং একইসাথে এই বিষয়গুলো আমাদেরকে কষ্ট দেয় যেগুলো আমরা পরিবর্তন করতে পারব না। দ্বিতীয়ত, যেখানে মানুষের সাথে আমাদের সম্পর্ক নিয়ে আমরা ক্ষতবিক্ষত হই সেখানে আমরা স্বাভাবিকভাবেই নিজেদেরকে 𝐕𝐢𝐜𝐭𝐢𝐦 হিসেবে দেখি এবং এই অনুভূতিটি একদমই স্বাভাবিক যেটাকে আমরা বলছি 𝐆𝐫𝐢𝐞𝐟 𝐑𝐞𝐬𝐩𝐨𝐧𝐬𝐞 হিসেবে। ◼ কাউন্সেলিং সেশনে যেটা আমরা দেখতে পাই যে প্রচুর পেশেন্ট এ ধরণের অবস্থা থেকে পরিত্রানের জন্য যে 𝐏𝐬𝐲𝐜𝐡𝐨𝐥𝐨𝐠𝐢𝐜𝐚𝐥 𝐑𝐞𝐬𝐢𝐥𝐢𝐚𝐧𝐜𝐞 এবং 𝐏𝐨𝐬𝐢𝐭𝐢𝐯𝐞 মনোভাবের দরকার হয় সেটার প্রচন্ড অভাবে ভোগে। আরও দেখতে পাই পেশেন্ট সেই ঘটনার উল্লেখ বা স্মৃতি মনে করলেই তার মধ্যে প্রচন্ড বিষণ্ণ,আতঙ্ক ও ভীতির সৃষ্টি হয় এবং একেই আমরা বলছি 𝐕𝐢𝐜𝐭𝐢𝐦𝐢𝐳𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐏𝐫𝐨𝐜𝐞𝐬𝐬 যেটাকে ভেদ করে বের হওয়ার কথা পেশেন্ট চিন্তা করতে পারে না। যদি এমন অবস্থা থেকে পরিত্রাণ আমরা পেতে চাই তাহলে প্রথমে যা করতে হবে তা হলো- বিশ্বাস করতে হবে যে স্রষ্টা আমার সাথে রয়েছে যিনি আমাকে আগলে রাখবে যেকোন কষ্টের মুহূর্তে। এই মনোভাবে মনে লালন করলে সময় বেশি লাগলেও আমরা এই কষ্টের অধ্যায় কাটিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারব। ◼ 𝐕𝐢𝐜𝐭𝐢𝐦𝐢𝐳𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 এর যে জায়গাটা রয়েছে সেখান থেকে যেন আমি আমার জীবনকে একটি বড় 𝐋𝐞𝐧𝐬𝐞-এ ভাবতে পারি, আমরা যেন আমাদের সমস্যাকে প্রথমে 𝐀𝐜𝐤𝐧𝐨𝐰𝐥𝐞𝐝𝐠𝐞 করতে পারি সমাধান করার জন্য। যদি আমরা এক ধরণের 𝐃𝐞𝐧𝐢𝐚𝐥 𝐌𝐨𝐝𝐞 এ থাকি তাহলে সমস্যার সমাধান তো হবেই না বরং সামান্য কোন বিপদেই পেছনের ফেলে আসা সমস্যা আমাদের আবারও কষ্ট দেবে যা থেকে আমরা বের হওয়ার পথ খুঁজে পাব না। অতীতের যত কষ্ট আছে সেসব যদি আমরা আঁকড়ে ধরে বসে থাকি তাহলে জীবনের সবক্ষেত্রে পিছিয়ে পরা একজন মানুষ হয়েই থেকে যেতে হবে। হ্যা, দুঃখকে বাদ দিয়ে নয়, সময় নিয়ে দুঃখকে অনুভব করে সেটাকে কাটিয়ে উঠে পেছনে ফেলে কীভাবে সামনে এগিয়ে গেলে ভবিষ্যতে মানসিক প্রশান্তির সাথে বেঁচে থাকা যায় সেই চেষ্টাই করা উচিত।😇 lifespring

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...