Depression কাটিয়ে উঠবেন কিভাবে?😞 🚨 বিষণ্ণতার মধ্যে থাকলে সেটি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য কিছু পদক্ষেপ অবশ্যই নিতে হবে। সেগুলো হলো- ✅ লাইফস্টাইল ঠিক করাঃ বিষণ্ণতার সাথে লাইফস্টাইল অতঃপ্রতভাবে জড়িত। ৩ বেলা খাবার আমরা সঠিক ভাবে খাবো। বাইরের খাবার আমরা কম খাবো। বিশেষ করে Added Sugar যেগুলোতে থাকে। রেস্টুরেন্ট এর খাবার কম খাবো। আমাদের দেহের ৯০% সেরেটোনিন তৈরি হয় গাডে। গাডকে এজন্য আমাদের দেহের সেকেন্ড ব্রেইন বলা হয়। সেরেটোনিন কিন্তু একটি Mood Stabilizer. আমাদের যত সেরেটোনিন তৈরি হবে, আমাদের মন কিন্তু ভালো থাকবে। কিন্তু আমরা যখন এসব বাইরের খাবার খায় যেগুলোতে অনেক Spice, Added sugar থাকে, তখন আমাদের দেহে এই সেরেটোনিন এর উৎপাদন ব্যহত হয়। তখন আমাদের বিষণ্ণতা বাড়ে। প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট আমাদের Exercise করতে হবে। আমাদের শরীরটাকে একটিভ রাখতে হবে। Neuroscientist দের মতে অন্তত ৫ মিনিট Exercise করলেও Anxiety কমে। সেরেটোনিন, ডোপামিন সহ ইত্যাদি Release হয় যা আমাদের Brain Develop করে। ব্যায়ামের মাধ্যমে Brain function উন্নত করে। ঘুমের অনিয়ম কিন্তু আমাদেরকে শারীরিক এবং মানসিক ভাবে অসুস্থ করে তুলে। আমরা অনেকে দেরি করে ঘুমাতে যায় দেরি করে উঠি। এতে আমাদের দিনের অনেক সময় চলে যায়। কিন্তু আমরা যদি টাইম মতো ঘুমায় এবং সকালে সঠিক সময়ে উঠি তাহলে আমরা আমাদের দিনের অনেক কাজ সকালে সঠিক ভাবে ফ্রেশ মাইন্ডে করে ফেলতে পারবো। সোস্যাল মিডিয়া যেনো আমরা দিনে ১ ঘন্টার বেশি ব্যবহার না করি। আমরা যখন ব্যবহার করবো তখন আমরা অহেতুক টাইম নষ্ট করবোনা। অহেতুক অন্যের সাথে Compare করবোনা, কারও Timeline এ অহেতুক সময় নষ্ট করবোনা, নির্দিষ্ট কিছু টাইম থেকে বেরিয়ে যাবো। বিশেষ করে রাত ৮-সকাল৬ টা এই টাইম Absolute Break-এ চলে যান Social Media থেকে। ✅ নিজেদের External Stress Factor গুলো চিহ্নিত করাঃ অনেকে হয়তো খুব বাজে relationship দিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু ঠিক করছেন না। ছোট বেলার কোনো ট্রমা যা আপনি এখনো মনের মধ্যে ঘা এর মত বয়ে বেরাচ্ছেন এবং সেটা নিয়ে ভাবলে এখনো আপনি ট্রমাতে চলে যান। অথচ আপনি সেটাকে সাড়ানোর চেষ্টা করছেন না। এরকম সমস্যা গুলোকে কিন্তু আমরা রেখে দেয় কিছু করিনা। জীবনের অনেক সমস্যা আমরা রেখে দেয় এবং ভাবি “Time will heal everything.” কিন্তু সময় সব ঠিক করে না। সময় খালি আমাদের সুযোগটা দেয় ভুল বা খারাপ গুলোকে ঠিক করার। আপনি কি সমস্যাতে আছেন সেটি আগে জানুন এবং তার সমাধান বের করতে হবে। আমরা সমাধান না করে যদি ফেলে রাখি সেই ক্ষেত্রে আমাদের ক্ষত এবং সমস্যার প্রকটতা বাড়তে থাকেব। এতে বিষণ্ণতা বেড়ে যাবে। ✅ নিজেকে বোঝাঃ নিজেকে জানা এবং বোঝা হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একমাত্র আমরা নিজেরাই নিজেদের ব্যাপারে সবচেয়ে ভালো জানি। নিজেদের ভালো খারাপ উভয় দিক আমাদের বিবেচনা করে বের করতে হবে। নিজেদের নেগেটিভ দিক গুলাও নিজেকে বের করতে হবে। যখন আমরা নিজে থেকে আমাদের এসব দিকের কথা বের করতে পারবো তখন বাইরের কেউ কিছু আমাদের এসব নিয়ে বললে আমাদের খারাপ কম লাগবে, বিষণ্ণতা কম আসবে।
আমরা এসব ধাপগুলো নিজে থেকে করার চেষ্টা করবো এতে আমাদেরে নিজে থেকে বিষণ্ণতা কমতে থাকবে। কিন্তু এসবে যদি আমরা আমাদের সমস্যা দূর করতে না পারি তখন আমরা একজন Psychiatrist এর পরামর্শ নিবো এবং প্রয়োজনীয় ওষুধের সাহায্য নিবো এই বিষণ্ণতা কাটিয়ে একটি সুস্থ জীবনে ফিরে আসার জন্য।
কিশোর কিশোরীদের আবেগজনিত সমস্যা
কিশোর কিশোরীদের Common অভিযোগ যে, তাদেরকে কেউ বুঝতে চায় না। বয়ঃসন্ধিকালের সময়ে তারা অনেক বেশি আবেগের বশবর্তী হয়ে পরে। পরিবার ও কাছের মানুষদেরকে শত্রু ভাবা শুরু করে এবং নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে থাকে। পরিবার এ ক্ষেত্রে বেশ সুন্দর ভূমিকা রাখতে পারে। বন্ধুর মতো আচরণ করে তাদের সাথে সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখতে পারে। এর মাধ্যমে কিশোর কিশোরীরা তাদের মনের আনন্দ,দুঃখ ও হতাশার বিষয়গুলো অনায়াসে Share করে অনেক ভয়াবহ মানসিক সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়।
Comments
Post a Comment