ফিতনার সাথে লড়াই করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছেন? চারপাশে সব অন্ধকার দেখছেন? ভাবছেন আমৃত্যু কি এভাবেই থেকে যাবে সব? থাকুক না! দুনিয়া তো ধ্বং[স] হবারই ছিলো। ঈমানটা নিয়ে জীবনটা কাটিয়ে দিন। বিনিময়ে যদি আল্লাহ্ জান্নাতে বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন তাহলে কি মন্দ হবে? জান্নাতের একটা মুহূর্তই তো দুনিয়ার সব ক্লান্তি মুছে দিতে যথেষ্ট। চলুন, আল্লাহর কাছে বরং জান্নাতে গিয়ে বিশ্রাম করার তৌফিক চাইতে থাকি।🤲
আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তা'য়ালা সবকিছুরই ফায়সালা অনেক আগেই করে রেখেছেন ।
এর কিছু অংশ আমরা দুনিয়ায় ভোগ করবো এবং কিছু অংশ পরকালে।
যারা দুঃখকষ্টে সবর করে, তাদের জন্য আল্লাহ তা'য়ালা একটি সুন্দর জায়গা নির্ধারণ করে রেখেছেন। তা হচ্ছে জান্নাত। যেখানে কোনো প্রকার কষ্ট নেই, মন খারাপ নেই।
আপনার হাসির পেছনের কারণ যেমন আল্লাহ তা'য়ালা জানেন, বুঝেন। তেমনই, আপনার কান্নার উদ্দেশ্যও জানেন, বুঝেন।
আইউব আঃ যখন তীব্র কষ্ট নিয়ে আল্লাহর কাছে দুয়া করলেন,
হে আমার রব,
আমি দুঃখ-কষ্টে পতিত হয়েছি। আর আপনি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। (সূরা আম্বিয়া:৮৩)
আল্লাহ তা'য়ালা দুয়া কবুল করলেন এবং সমস্ত কষ্ট দূর করে দিলেন। (সূরা আম্বিয়া:৮৪)
ইউনুস আঃ মাছের পেটে যখন তীব্র অনুশোচনা নিয়ে মহান আল্লাহর কাছে দুয়া করলেন,
হে আল্লাহ,
আপনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। আপনি পবিত্র মহান। নিশ্চয় আমি সীমালংঘনকারী। (সূরা আম্বিয়া:৮৭)
আল্লাহ তা'য়ালা সেই দুয়াও কবুল করলেন এবং দুশ্চিন্তা থেকে ইউনুস আঃ কে উদ্ধার করলেন। আর এভাবেই মহান আল্লাহ মুমিন বান্দাদের সাহায্য করেন, উদ্ধার করেন। (সূরা আম্বিয়া:৮৮)
সবকিছুই হোক আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে। মুনাফেকি নয়, কপটতা নয়, সরল পথে অটল থাকুন।
এই দুনিয়ায় কিছু না পেলেও, জান্নাতের ওয়াদা তো রয়েছেই...✨🌹

Comments
Post a Comment