Skip to main content

রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন কিভাবে?


 রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন কিভাবে?🤔

🔵 আমরা মানুষ আমাদের রাগ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কারো কম কারো আবার বেশি। আমাদের মধ্যে কেউ হয়তো বলতে পারে যে না আমার রাগ নাই। কিন্তু এটা ভুল, আমাদের সকলেরই রাগ আছে যার প্রকাশের ধরণ একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম। 👉 এখানে প্রশ্ন হতে পারে যে “রাগ কি 𝐄𝐦𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧 নাকি একট 𝐁𝐞𝐡𝐚𝐯𝐢𝐨𝐫?” স্বাভাবিকভাবে রাগ একটি 𝐁𝐞𝐡𝐚𝐯𝐢𝐨𝐫 মনে হলেও আসলে এটি একটি 𝐄𝐦𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧। আমাদের মনের ভাবনার বিরুদ্ধে কোনো কিছু ঘটলে তখন আমরা আবেগি হয়ে যাই এবং সেটার বহিঃপ্রকাশ হয় রাগের মাধ্যমে। কিন্তু আমাদের রাগ আসলে প্রকাশ পায় আমাদের আচরণের মাধ্যমে। যে যত বেশি 𝐑𝐞𝐚𝐜𝐭 করে কোনো কিছুতে তাকে তত বেশি রাগি বলে মনে হয়। এজন্য আমাদের নিজেদের রাগ কিভাবে 𝐂𝐨𝐧𝐭𝐫𝐨𝐥 করতে হয় তা জানা থাকাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রাগ 𝐂𝐨𝐧𝐭𝐫𝐨𝐥 করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমাদের চিন্তা বা 𝐓𝐡𝐨𝐮𝐠𝐡𝐭। আমরা কি ভাবছি, কোনো কিছুকে কীভাবে গ্রহণ করছি সেটির উপর আসলে নির্ভর করবে আমাদের রাগের পরিমাণ বা নিয়ন্ত্রণ। ◼ স্বাভাবিক ভাবে কোনো বিষয়ে যদি আমাদের রাগ উঠে নিশ্চয় তার পিছে একটি চিন্তা আছে যার জন্য রাগ টা আসছে। আমাদের উচিৎ তখন সেই বিষয় নিয়ে আরেকটি চিন্তা মাথায় আনার। অর্থাৎ, পজিটিভ কিছু ভাবা যে আসলে আমি যা ভাবছি তা নাও হতে পারে বিষয় টা অন্যরকম ও হতে পারে। এতে করে কোনো বিষয়ে তাৎক্ষণাত যে রাগ সেটি উচিত কিনা সে বিষয়ে চিন্তা আসবে ফলে রাগ কিছুটা কমবে। ◼ এরপর নিজেকে কিছুক্ষন আমাদের একা রাখতে হবে এবং নিজের সাথে নিজে কথা বলে বুঝাতে হবে যে না “ 𝐄𝐯𝐞𝐫𝐲𝐭𝐡𝐢𝐧𝐠 𝐢𝐬 𝐀𝐥𝐥 𝐫𝐢𝐠𝐡𝐭.” 𝐍𝐞𝐠𝐚𝐭𝐢𝐯𝐢𝐭𝐲 𝐁𝐢𝐚𝐬𝐧𝐞𝐬𝐬 আমাদের দূর করতে হবে। 𝐏𝐨𝐬𝐢𝐭𝐢𝐯𝐞 ভাবনা আনতে হবে মাথায়। মাথা থেকে আমরা এই চিন্তা বাদ দিবো যে সব সময় সব খারাপ আমার সাথেই হয় তাহলে আমাদের রাগ অনেকটা কমে যাবে। ◼ কিসে কিসে আমরা ট্রিগার হয়ে যাই সে বিষয় গুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর ব্যপারে নিজেদের 𝐓𝐡𝐨𝐮𝐠𝐡𝐭 পরিবর্তন করতে হবে। ◼ আরেকটি বিষয় হচ্ছে 𝐀𝐯𝐨𝐢𝐝 করা। অনেক এমন বিষয় থাকে যেগুলো চাইলেই বাদ দেওয়া যায়। আমার নিজেদের 𝐃𝐞𝐜𝐢𝐬𝐢𝐨𝐧 𝐌𝐚𝐤𝐢𝐧𝐠 এর মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমরা কি গ্রহণ করবো কি 𝐀𝐯𝐨𝐢𝐝 করবো। এগুলো বিষয় যদি আমরা মাথায় রাখতে পারি তাহলে আমরা আমাদের পজিটিভিটি দিয়ে আমাদের নিজেদের চিন্তা ভাবনা 𝐂𝐨𝐧𝐭𝐫𝐨𝐥 এর মাধ্যমে আমাদের রাগের নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো।😇lifespring

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...