মূসা (আ) যখন ভুলক্রমে একজনকে হত্যা করে ফেলেন, তিনি সাথে সাথে আল্লাহর কাছে দুআ করেন- رَبِّ اِنِّیۡ ظَلَمۡتُ نَفۡسِیۡ فَاغۡفِرۡ لِیۡ - ‘হে আমার রব, নিশ্চয় আমি আমার নফসের প্রতি যুলম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন’। (২৮:১৬) মিশর থেকে পালিয়ে গিয়ে তিনি যখন পথ খুঁজে ফিরছিলেন, তিনি জানতেন না কোথায় যাবেন, তাই তিনি আল্লাহর কাছে দুআ করেন- ও আল্লাহ! আমাকে সর্বোত্তম পথ দেখিয়ে দিন এবং এ যাত্রায় আমাকে সাহায্য করুন। মাদইয়ানে পৌঁছার পর তিনি জানতেন না কোথায় গিয়ে উঠবেন, তাই তিনি আল্লাহর কাছে দুআ করেন- رَبِّ اِنِّیۡ لِمَاۤ اَنۡزَلۡتَ اِلَیَّ مِنۡ خَیۡرٍ فَقِیۡرٌ - ‘হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাযিল করবেন, আমি তো তারই ভিখারী।’। (২৮:২৪) তো, আমরা মূসা (আ) এর ঘটনায় প্রতিনিয়ত আল্লাহর কাছে দুআ করার ব্যাপারটি দেখতে পাই। এখান থেকে আমরা শিখি যে, আমাদেরও সবসময় আল্লাহর কাছে দুআ করা উচিত। আমাদের কেউ কেউ শুধু নামাজ শেষে দুআ করে। না। আমরা যখন গাড়িতে থাকি তখনো দুআ করি, যখন কোনো লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করি, তখনো আমরা দুআ করি। যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কিছুতে যুক্ত হওয়ার সময় আমরা আল্লাহর কাছে দুআ করি। দুআ এমন এক ইবাদাত যার জন্য কোনো নির্দিষ্ট জায়গা, স্থান বা দিকের প্রয়োজন নেই। যখনই যে অবস্থাতেই থাকেন না কেন আপনি আল্লাহর কাছে দুআ করতে পারবেন। হ্যাঁ, এটা উত্তম যদি ওযু করে দুআ করেন। মসজিদে এসে দুআ করেন। কিন্তু দুআ করা যাবে এবং করা উচিত সবসময়। এ ব্যাপারটা আমরা মুসা (আ) এর ঘটনায় দেখতে পাই। - ইয়াসির কাদি
মূসা (আ) যখন ভুলক্রমে একজনকে হত্যা করে ফেলেন, তিনি সাথে সাথে আল্লাহর কাছে দুআ করেন- رَبِّ اِنِّیۡ ظَلَمۡتُ نَفۡسِیۡ فَاغۡفِرۡ لِیۡ - ‘হে আমার রব, নিশ্চয় আমি আমার নফসের প্রতি যুলম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন’। (২৮:১৬) মিশর থেকে পালিয়ে গিয়ে তিনি যখন পথ খুঁজে ফিরছিলেন, তিনি জানতেন না কোথায় যাবেন, তাই তিনি আল্লাহর কাছে দুআ করেন- ও আল্লাহ! আমাকে সর্বোত্তম পথ দেখিয়ে দিন এবং এ যাত্রায় আমাকে সাহায্য করুন। মাদইয়ানে পৌঁছার পর তিনি জানতেন না কোথায় গিয়ে উঠবেন, তাই তিনি আল্লাহর কাছে দুআ করেন- رَبِّ اِنِّیۡ لِمَاۤ اَنۡزَلۡتَ اِلَیَّ مِنۡ خَیۡرٍ فَقِیۡرٌ - ‘হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাযিল করবেন, আমি তো তারই ভিখারী।’। (২৮:২৪) তো, আমরা মূসা (আ) এর ঘটনায় প্রতিনিয়ত আল্লাহর কাছে দুআ করার ব্যাপারটি দেখতে পাই। এখান থেকে আমরা শিখি যে, আমাদেরও সবসময় আল্লাহর কাছে দুআ করা উচিত। আমাদের কেউ কেউ শুধু নামাজ শেষে দুআ করে। না। আমরা যখন গাড়িতে থাকি তখনো দুআ করি, যখন কোনো লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করি, তখনো আমরা দুআ করি। যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কিছুতে যুক্ত হওয়ার সময় আমরা আল্লাহর কাছে দুআ করি। দুআ এমন এক ইবাদাত যার জন্য কোনো নির্দিষ্ট জায়গা, স্থান বা দিকের প্রয়োজন নেই। যখনই যে অবস্থাতেই থাকেন না কেন আপনি আল্লাহর কাছে দুআ করতে পারবেন। হ্যাঁ, এটা উত্তম যদি ওযু করে দুআ করেন। মসজিদে এসে দুআ করেন। কিন্তু দুআ করা যাবে এবং করা উচিত সবসময়। এ ব্যাপারটা আমরা মুসা (আ) এর ঘটনায় দেখতে পাই। - ইয়াসির কাদি

Comments
Post a Comment