Skip to main content

ফুফু!খুব অবহেলিত একটি শব্দ

 



ফুফু!খুব অবহেলিত একটি শব্দ।ক'জন ভাইপো আছেন ফুফুর খবর রাখেন?খালার খবর যতোটা রাখা হয় ফুফুর খবর ততোটা রাখা হয়না। বাবা-মা'র ইন্তেকালের পর নারীরা বাপের বাড়ীর কথা অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভুলে যেতে থাকেন।শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত উঠোন,গাছের লিচু,পাকা আম আর পুকুর পাড়ের নারিকেল গাছ সব গুলো কেমন যেনো পর হতে শুরু করে।ভাইদের ইন্তেকালের পর সবকিছুই একেবারে স্মৃতি হয়ে যায়। ফুফুরা আমাদের রক্ত সম্পর্কের স্বজন।তাদের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা কোন মু'মিনের জন্য মোটেও কাম্যনয়।শরীয়তে যেসকল স্বজনের সাথে সম্পর্ক রাখতে বলা হয়েছে তাদের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন কারিদের কথা কুরআন মাজীদে উঠে এসেছে এভাবে- أُوْلَٰٓئِكَ لَهُمُ ٱللَّعۡنَةُ وَلَهُمۡ سُوٓءُ ٱلدَّارِ [الرعد: ٢٥] তাদের জন্য রয়েছে লা’নত ও অভিসম্পাত এবং তাদের জন্যই রয়েছে মন্দ আবাস”। [সূরা আর-রা‘দ, আয়াত: ২৫] জুবায়ের ইবন মুত্বইম থেকে বর্ণিত তিনি বলেন,নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- «لا يَدْخُلُ الْـجَنَّةَ قَاطِعٌ» “আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না"।[বুখারী-মুসলিম] ফুফুদের ভুলে যাওয়া কোন মু'মিনের জন্য মোটেও উচিৎ নয়। ছোট ছোট বাচ্ছাদের নিয়ে ফুফুর বাড়ী বেড়াতে যাবেন।হাতে করে গাছের ফল,পুকুরের মাছ,গাভীর দুধ নিয়ে যাবেন।এই শিশুরা আপনার কাছ থেকে শিখবে।তারাও তাদের ফুফুকে যত্ন নিবে।ফুফুরা ভাইপোদের জন্য চকলেট কিনে রাখুন বোনের সন্তানের মতো এদেরকেও কাছে টানুন। রক্তের বন্ধন অটুট রাখার চেষ্টা দু'পক্ষই সমান তালে করে যেতে হয়।আল্লাহ আমাদের সামাজিক বন্ধনকে মজবুত করুন(আমীন)।🤲🤲🤲
*******************************************************************

আপনার নম্রতা হয়তো কারো কাছে দুর্বলতা, তবুও আপনি নম্র হোন, বিনয়ী থাকুন। আপনার উপকারের হয়তো কারো কাছে স্বীকৃতি মিলবেনা, তবুও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন ..

আপনি সৎ, তারপরও লোকজন আপনাকে প্রতারিত করবে; ধোঁকা দিবে। তারপরও সৎ হোন .. আজ আপনার ভালো কাজ আগামীকালই লোকজন ভুলে যাবে, তবুও আপনি ভালো কাজই করে যান .. কারণ আপনার ফায়সালা শুধুমাত্র আপনার ও আল্লাহর মধ্যেই হবে। তাই কে কিভাবে আপনাকে ট্রিট করলো সেটা ভুলে গিয়ে; মাথা থেকে সব ঝেড়ে ফেলে দিয়ে আপনার সকল প্রচেষ্টা শুধুমাত্র যেনো হয় আল্লাহকে খুশি করার নিমিত্তে। এবার দুনিয়ার সবাই আপনাকে ভুল বুঝুক, আপনার থেকে দূরে চলে যাক, তাতে আপনার কিচ্ছু যায় আসেনা। আপনি আপনার রবের সাথে সৎ থাকুন। এটাই আপনার জন্য যথেষ্ট হবে ইনশাআল্লাহ। collected
*******************************************

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...