🛑অবিশ্বাসী মদনদের জন্য এই পোস্ট - আপনি শুধু নিজেরে নিয়া চিন্তা করেন তাইলেই সৃষ্টি কর্তা কি বুজবেন, জানবেন, মানবেন। এহন কই কেমনে খুব সংক্ষিপ্ত করে। এই যে আপনার দাড়ি, গোফ, চুল বাড়ে যে হারে সে হারে ভ্রু বাড়ে? না। এহন আসি অন্য প্রসঙ্গে। আপনার মল মুত্র নিয়া। হাইসেন না, পড়েন বুজেন। যেহেতু মল মুত্র বা বর্জ্য পদার্থ ক্ষতিকর তাই দেহ এদেরকে অপসারিত করে জীবদেহের স্বাভাবিক সুস্থতা বজায় রাখে। কেমনে? প্রতিটি কোষের প্রোটোপ্লাজমে অবিরাম বিপাকীয় ক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে । অপচিতি বিপাকের ফলে যেসব দূষিত পদার্থের বা বর্জ্যের সৃষ্টি হয় সেগুলি কোষ থেকে দূরীভূত না হলে প্রোটোপ্লাজমের বিপাকীয় ক্রিয়া বন্ধ হয়ে কোষের মৃত্যু ঘটত, সুতরাং রেচন ক্রিয়ার মাধ্যমে বা হাগু মুতুর মাধ্যমে প্রোটোপ্লাজম থেকে দুষিত পদার্থের অপসারণ ঘটে -এর ফলে প্রোটোপ্লাজমীয় বিভিন্ন বস্তুর পরিমাণের সমতা বজায় থাকে এবং বিপাকীয় ক্রিয়া গুলি স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হয়ে থাকে। আপনি, আমি সুস্থ থাকি। দুই চারদিন হাগু মুতু না কইরা দেহেন কি হয় ? এইটা ও একটা নেয়ামত। উদ্ভিদের ও আছে তারা সেগুলা আঠা বা গঁদ হিসেবে বের করে। যাক সেসব কথা। আপনি জানেন ই না আপনার ভিতরে এত্ত এত্ত কোষ আছে যারা দিন রাইত খাটছে শুধু আপনি ভালো থাকবেন তাই। এই যে এত কিছু হচ্ছে আপনার ভিতরে। নিয়ন্ত্রণ করছে কে? সৃষ্টিকর্তা।যিনি আপনার, আমার সমস্ত প্রাণিকুল, উদ্ভিকুল সব কিছুর উপর নিয়ন্ত্রণ রাখেন। আপনি মানেন আর না মানেন তা আপনার ব্যাপার। সৃষ্টিকর্তারে যদি না মানেন তাইলে এই সিস্টেম পালটে চলেন ক্ষমতা থাকলে ! শেষ করছি সুরা আর রাহমানের আয়াত দিয়ে, " ফাবি আইয়ে আলা ই রাব্বি কু মা তুকাজ্জিবান " বাংলা অর্থ ঃ " এবং তোমরা তোমার রবের কোন কোন নেয়ামত কে অস্বীকার করবে "।
*******************
এই আণুবীক্ষণিক প্রাণীটিকে বলা হয় মাইট। এটা আমাদের চোখের পাতার ভিতরে বাস করে। আমরা যখন আমাদের মুখের কাছে ঘুমিয়ে থাকি তখন এটি রাতে বেরিয়ে আসে। এর নর-নারী সঙ্গম করে এবং আমাদের মুখে পরাগায়ন করে। এর স্ত্রীরা আমাদের চোখের পাপড়ির প্রতিটি লোমকূপের ভিতরে 20 থেকে 24টি ডিম পাড়ে। এই মাইটের কাজ হল আমাদের মুখের মরা চামড়া খাওয়া প্রতিদিন পুনর্নবীকরণ করা, যেটি আমরা ঘুমিয়ে থাকাকালীন একটি প্রাকৃতিক প্রসাধনী প্রক্রিয়া সম্পাদন করে।
"অতএব তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন নেয়ামতকে অস্বীকার করবে?"
আল_কুরআন
সূরা (আর_রহমান 55:13)


Comments
Post a Comment