Skip to main content

সানডে মানডে ক্লোজ কইর‍্যা দেয়া

 


আমাদের এই মুহুর্তে করণীয়।

১/ প্রফেসর ইউনুসের সরকারকে সর্বাত্মকভাবে সহায়তা করা। ২/ প্রফেসর ইউনুসকে উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠনের জন্য চাপ দেয়া। দক্ষ, তরুণদেরকে উপদেষ্টা পরিষদে অন্তর্ভুক্ত করা। ৩/ দেশের মধ্যে আওয়ামী লীগারদের দাবড়ানির উপ্রে রাখার জন্য সব রকমের কৌশল নেয়া। আওয়ামী লীগের পক্ষে কেউ কথা কইলেই দাবড়ানি দেয়া। তারপরে ওর ইনকাম ট্যাক্স ফাইল নিয়া টান দেয়া। ৪/ দেশের বাইরে যারা আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করতেছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের ফরেইন মিশনগুলোকে সক্রিয় করা। এদের সবার সানডে মানডে ক্লোজ কইর‍্যা দেয়া সম্ভব। ৫/ পুলিশে যারা অসহযোগিতা করতেছে তাদের নির্দয়ভাবে অব্যাহতি দেয়া। তারপরে ধইর‍্যা ধইর‍্যা ইনকাম ট্যাক্স ফাইল নিয়া টান দেয়া। সবার সম্পদের খোজ নেয়া। ৬/ ভারতীয় সকল ইন্টারেস্টকে সকল পণ্যকে বর্জন করা। ইন্ডিয়ার সাথে লটরপটর যারা করতে যাবে তাদের সামাজিক লজ্জা দেয়া। ৭/ মিডিল ক্লাস আপার মিডিল ক্লাসের মধ্যে যারা আওয়ামী লীগের পক্ষে আওয়াজ তুলতেছে কাজ করতেছে তাদের দৌড়ানির উপরে রাখা। তাদের সোশ্যাল মিডিয়া ফলো করা। এদের সবার হয় ইনকাম ট্যাক্স ফাইলে গেঞ্জাম বা অপ্রদর্শিত আয় আছে। ফাইল ওপেন করেন প্যাটের জিলাপি ঘুটা হয়া যাবে। ৮/ সকল হত্যাকারী, গুমকারী পুলিশ, র‍্যাব, ডিজিএফআইয়ের কর্মকর্তাদের প্যাকেট করে ফেলা। বাধা দিতে থাকলে কৌশল নেয়া যেন বাধা দিতে না পারে। আমার কাছে জা /উড়ামো স্ট্রাটেজি আছে, শিওর শট। ৯/ ইন্ডিয়ায় একটা মুসলমান নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে হাউকাউ লাগায়ে দেয়া। ১০/ পোথমালু, দিল্লি স্টারকে দশবার জাউ ড়ার জাউ ড়া বলে গালি দেয়া। সোহরাওয়ার্দীর বডিগার্ড কইছে ভদ্রলোকের সাথে ভদ্রতা আর জা /উড়াদের সাথে ডাবল জাউড়ামি। নাহলে আপনি কলে মর্ছেন। ‪@PinakiBhattacharya‬

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...