Skip to main content

ছবি বা স্ক্রিনশট দিয়ে ব্ল্যাকমেইল


 ★ প্রশ্ন:

স্যার, একজন নারী কী করবেন যদি তার প্রাক্তন তাকে আগের ছবি বা স্ক্রিনশট দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে, যখন তিনি ইতোমধ্যে বিবাহিত? ব্ল্যাকমেইলার একজন ডাক্তার, যিনি একটি স্বনামধন্য মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেছেন। তিনি এখন আমার বন্ধুর কাছ থেকে প্রতি মাসে টাকার দাবি করছেন। আমার বন্ধু ইতোমধ্যে প্রায় ২৫,০০০ টাকা দিয়ে ফেলেছে এবং এখন আত্মহত্যা করতে চাচ্ছে। ★ উত্তর: 1. আর কোনো টাকা পাঠাবেন না। যত বেশি টাকা পাঠাবেন, তত বেশি সে আপনাকে manipulate করবে এবং আরও টাকা চাইবে। 2. দ্রুত নিকটস্থ থানায় একটি GD করুন এবং একজন বিশ্বস্ত বন্ধু বা পরিবারের সদস্যকে আপনার সঙ্গে নিয়ে যান। তাকে পুরো প্রক্রিয়ায় আপনাকে সহায়তা করতে বলুন। সম্ভব হলে একজন পুরুষ বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে পুলিশি কাজ পরিচালনার জন্য সঙ্গে নিয়ে যান। 3. সেই GD-এর কপিটি ব্ল্যাকমেইলকারী ডাক্তারের কাছে পাঠান এবং তাকে সর্বত্র থেকে ব্লক করে দিন। 4. যদি পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে ঘটনাটি আপনার স্বামীকে বলুন। আমি জানি এটি বিব্রতকর, কিন্তু এটি আপনার বর্তমান উদ্বেগের (Anxiety) চেয়ে অনেক ভালো।একজন মানুষ, যিনি আপনাকে ভালোবাসেন এবং সম্মান করেন, তিনি এটি বুঝতে পারবেন। 5. যদি আপনার স্বামী না বোঝেন, তাও আপনার দোষ নয়। আপনাকে আপনার অতীতের মুখোমুখি হতে হবে, এবং এমন কোনো দোষ নেই যদি আমরা আমাদের কোনো অতীত নিয়ে এখন লজ্জিত হই। আমাদের সবারই অতীত থাকতে পারে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ হলো তা থেকে শিক্ষা নেওয়া। 6. আপনার জীবন আপনার বিয়ের ধারাবাহিকতার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান। আপনার ক্যারিয়ার এবং যারা সত্যিই আপনাকে ভালোবাসেন এবং Care করেন, তাদের দিকে মনোযোগ দিন। ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ আপনার জন্য একটি পথ খুলে দেবেন। 7. যদি আপনি একা এই মানসিক চাপ (Stress) নিতে না পারেন, তবে কাছের কোনো কাউন্সেলরের কাছে যান এবং তাকে সবকিছু খুলে বলুন। আমরা যখন মানসিক চাপে থাকি, তখন আমাদের চিন্তার ক্ষমতা কমে যায়। স্বল্প মাত্রার ওষুধ গ্রহণ বা পুরো ঘটনার বিষয়ে কথা বললে আপনার মানসিক চাপ বা Stress কমে যাবে।collected

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...