Skip to main content

সৌদি আসতে চাইলে, টিকার সার্টিফিকেট

 


ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে কেউ সৌদি আসতে চাইলে, তাঁর এই টিকার সার্টিফিকেট আবশ্যক। যারা ওমরাহ করার পরিকল্পনা করছেন, উনারা সার্টিফিকেটসহ এয়ারপোর্টে আসিয়েন। অন্যথায়, পরবর্তীতে শুধু শুধু বাড়তি ঝামেলায় পড়ার সম্ভবনার পাশাপাশি টিকেটও বাতিল হতে পারে।

বাংলাদেশে কোয়াড্রিভ্যালেন্ট নিসেরিয়া মেনিনজাইটিস ভ্যাকসিন (যা পলিস্যাকারাইড বা কনজুগেট ধরনের হতে পারে) পাওয়ার প্রক্রিয়া নিম্নরূপ: কোথায় ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে? ১. সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র: জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বিভাগীয় শহরের সিভিল সার্জন অফিসে যোগাযোগ করুন। কিছু বড় সরকারি হাসপাতালেও এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। ২. বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক: কিছু বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকেও এই টিকা সরবরাহ করা হয়। এদের সাথে যোগাযোগ করার আগে টিকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করুন। ৩. আইইডিসিআর (IEDCR): সংক্রামক রোগের চিকিৎসা ও টিকার জন্য আইইডিসিআরে যোগাযোগ করতে পারেন। ৪. হজ সম্পর্কিত সেবাকেন্দ্র: যারা হজ করতে যাবেন, তাদের জন্য ঢাকায় সৌদি দূতাবাস এবং সরকারি হজ অফিস থেকে টিকার সেবা দেওয়া হয়। --- কিভাবে ভ্যাকসিন নিতে হবে? ১. নিবন্ধন বা তথ্য সংগ্রহ: সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন এবং টিকার প্রাপ্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হন। কিছু ক্ষেত্রে অনলাইনে নিবন্ধন প্রয়োজন হতে পারে। EPI Bangladesh ওয়েবসাইটে তথ্য পাওয়া যায়। (ওয়েবসাইট লিংক কমেন্টবক্সে) ২. প্রয়োজনীয় নথি: পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র (বিশেষ করে হজ যাত্রীদের জন্য)। পূর্বে নেওয়া টিকার রেকর্ড (যদি থাকে)। ৩. ফি ও খরচ: সরকারি কেন্দ্রগুলোতে টিকা বিনামূল্যে পাওয়া যেতে পারে। তবে, বেসরকারি ক্লিনিক বা হাসপাতালগুলোতে ফি প্রযোজ্য হতে পারে। ৪. ডোজ সময়সূচি ও শর্ত: ভ্রমণের অন্তত ১০ দিন আগে এই টিকা নিতে হবে। পলিস্যাকারাইড ভ্যাকসিন ৩ বছরের জন্য এবং কনজুগেট ভ্যাকসিন ৫ বছরের জন্য বৈধ। --- যাত্রার উদ্দেশ্য: এই টিকা মূলত হজ, ওমরাহ বা নির্দিষ্ট অঞ্চলে ভ্রমণকারীদের জন্য প্রয়োজনীয়। আপনার নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করে বিস্তারিত নিশ্চিত করে নিন।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...