Skip to main content

রগ কা /টা প্রজেক্ট ফেইল

 


তাসনীম খলিলের রগ কা /টা প্রজেক্ট ফেইল করবে। তিনটা কারণে। প্রথম মরাল কারণে। তার শিবির ঘৃণা থেকে এই রিপোর্ট তৈরি করার পণ করছে। তাই মরালি এইটা Wrong. বাংলাদেশের সব ছাত্র সংগঠন মা /ইর পিট করে। এমনকি আমাদের টাইমে ছাত্র ইউনিয়নের মতো নিরীহ হারমোনিয়াম পার্টিও মাই /র পিট করতো। এই মাই র পিটে ক্যাজুয়ালিটি আছে। তাসনীম খলিল বলতে চাইতেছে না শিবির বেশী করে। আর শিবিরের সিগনেচার "রগ কাটা" এইটা তাই বেশী নৃশংস। তাসনীম যেইটা ভুলায়ে দিতে চায় সেইটা হইতেছে শিবির সবচেয়ে বেশী হামলা মাইরের শিকার হইছে। এইটা আজকে না ৭১ এর আগেও ঘটছে। শিবিরের যতো ছেলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মারা গেছে আহত হইছে তার ৫০% অন্য কোন ছাত্র সংগঠনের কর্মী হয় নাই। এইটা তাসনীমের ডেমোনাইজেশন প্রজেক্ট। তাই এইটা প্রতিরোধ আর প্রতিবাদযোগ্য। সে কনফার্ম চাইপ্যা যাবে শিবিরের কতো সদস্য মারা গেছে বা আহত হইছে আর সেইটা অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের তুলনায় কতো বেশী।

দ্বিতীয় সাইন্টিফিক। "রগ কা /টা" বিষয়টা মিসনোমার। রগ মানে টেন্ডন। টেন্ডন বা রগ একটা অতি শক্তিশালী পিচ্ছিল অঙ্গ। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই কো /প খাইলে পিছালায়ে যায়। আর পায়ের যেই রগ কা / টার কথা আসে সেইটা হইতেছে একিলিস হীল। শরীরের সব চাইতে টাফ টেন্ডন। এইটা কা / টতে একজন প্রশিক্ষিত সার্জনের ঘাম ছুটে যায়। আপনি যা খুশী তাই দিয়া টেন্ডন বা রগ কা / টতে পারবেন না। একটা টেন্ডনে রিচ করার জন্য তিন ধরনের সার্জিকাল ব্লেড লাগে ১০,১১ আর ১৫। টেন্ডন এক্সপৌজ করার জন্য টেন্ডন স্ট্রিপার লাগে আর কাটার জন্য টেনোটমি কাচি লাগে। টেন্ডন বা রগ কা / টার আগে আশেপাশের টিস্যু সেই আঘাত নিয়ে ফেলে রগকে বাচায়ে দিবে। তবে সামুরাই সোর্ডের মতো কোন অস্ত্র যদি হয় একই সাথে ধারালো ও ভারী তাইলে কাটা সম্ভব। সামুরাই সোর্ড যদি হয় তাইলে শুধু রগ না। অঙ্গ পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন হইয়া যাবে। তাই "রগ কা /টা" প্রপঞ্চ টেকনিক্যালি দাড় করানো মুশকিল। তৃতীয়ত, টেকনিক্যাল। রগ কা /টা গেছে কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে সার্জারি রিপোর্টে বা পোষ্ট মর্টেমে। এইটা খুজ্যা বাইর করার মতো এনার্জি তাসনীম বা তার টিম দিবে না। আর যেহেতু সে ডাক্তার না, তাই তার মেডিক্যাল এক্সপার্টকে দেখাইতে হবে প্রত্যেকটা রিপোর্ট যে এইটা আসলে রগ কা /টার কেইস কিনা। আমি তার রিপোর্ট দেখার জন্য বইস্যা আছি। দেখা যাক তাসনীম খলিলের দম কতো।
=======================================
১। পুতুলের ব্যাপারটা নিয়ে WHO'র সাথে কতদূর কী হইল, আদৌ আগাইল কিনা, কিছুই বুঝলাম না। পুতুলের ডিপ্লোমেটিক পাসপোর্টরে জয় বাংলা করা হইসে কিনা, না হইলে কেনো, সেটাও জানা দরকার। পুতুলরে দৌড়ের উপ্রে রাইখা ইন্ডিয়া এবং Tulip siblings রে মেসেজ দিতে হবে। ২। পাবলিকে শুধু জানে, খুনী হাসিনা পূর্বাচলে ৬০ কাঠা প্লট হাতাইসে। কিন্তু পাবলিকের হুঁশ নাই যেই বিষয়ে, সেইটা হইল, ২০১৭ সাল থেইকা ২০১৯ সাল পর্যন্ত যারা যারাই Prime Minister's Office (PMO)-তে পোস্টিংয়ে ছিল (উপসচিব/পরিচালক, যুগ্মসচিব/মহাপরিচালক, অতি: সচিব, সচিব, সিনিয়র সচিব এবং মুখ্যসচিব)----প্রতিটা পর্যায়ের প্রত্যেকে পূর্বাচলে কেউ কেউ ৫ কাঠা করে, আবার কেউ কেউ ১০ কাঠা করে জমি পাইসে পুরা মাগনা, এবং সবাই রেজিস্ট্রিও করে নিসে। ২০১৮ এর ইলেকশনের প্রাইজ হিসেবে। সোহরাওয়ার্দীর বডিগার্ডের জয় বাংলা হইয়া যাওনের মামলার রায় দিসিল যেই গোলাম রসূল, তার তিন মেয়ে এবং মেয়ের জামাই (সবাই এডমিন ক্যাঠার)----প্রত্যেকে ১০ কাঠা কইরা পূর্বাচলে প্লট পাইসে মাগনা। সবার সব কয়টা এলটমেন্টরে জয় বাংলা করতে হবে এক্ষুণি। এবং বেআইনীভাবে প্লট আআত্মসাৎ করার দায়ে সবকয়টারে Public Demand Recovery Act এর আওতায় বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। by pinaki b.

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...