Skip to main content

যেই শক্তি আজ পাকিস্তানকে পঙ্গু করে ফেলেছে

 পাকিস্তানে পেট্রোলের দাম ৪৩% বেড়ে ৪৫৮ রুপি এবং ডিজেলের দাম ৫৫% বেড়ে ৫২০ রুপিতে দাঁড়িয়েছে—যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

এর জন্য দায়ী কে? সরকার? ইরান? সেনাবাহিনী? অথচ যেই শক্তি আজ পাকিস্তানকে পঙ্গু করে ফেলেছে তাদের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুলবে না। ভারত আজ সামরিক প্রযুক্তি ও জ্বালানি খাতে আরো সয়ংসম্পূর্ন তার কারণ রাশিয়া। এদিকে সাদা প্রভুর মন রক্ষা করতে পাকিস্তান রাশিয়ার সাথে কোন জ্বালানি চুক্তি করে নাই। ইরানের সাথে গ্যাস পাইপলাইন চুক্তি শেষ পর্যায়ে বাতিল করেছিল ২০১৪ তে। সেই জায়গায় অত্যন্ত ব্যয়বহুল বিকল্প ( জাহাজে গ্যাস পরিবহন) বেছে নিয়েছে। তাও কেবল আমেরিকার মিত্র দেশ গুলোর থেকে। এভাবে ডলার খুইয়ে আবার সাদা প্রভু থেকে ঋণ নিয়ে বিপদে আছে। ঠিক সেই মুহূর্তে ( খুব সম্ভবত উপরের নির্দেশে) আফগানিস্তান আক্রমণ করছে। ঠিক এমন সময় মরার উপর খাড়ার ঘা। আমেরিকা হুদাই যুদ্ধ বাঁধিয়ে দিল। আর পাকিস্তান পঙ্গু হয়ে গেল। প্রায় প্রতি রাতে আমি জ্বালানি সংকটের আপডেট নেই। সারা বিশ্ব জুড়ে যত দেশ আছে তার মধ্যে সর্বোচ্চ খারাপ অবস্থানে পাকিস্তান। কিন্তু তার পাশেই জ্বালানির ডিপো। এর জন্য দায়ী কে সেইটা সবাই জানে। তবে মাথা মোটা যাদের তারা সরকারের বিরুদ্ধে একবার আন্দোলন আরেকবার রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি করে দিন পার করতে পারে। বাংলাদেশে যারা আছেন তারা পাকিস্তান পন্থী আচরণ করতে পারেন। সব মিলিয়ে ফলাফল একটাই। মনিব পিটাবে ।পাশবিক ভাবে পিটবে। তারপরে টাকা চুরি করে নিবে (ডলারের খেলা)। এদিকে দাসেরা একে অপরের বিরুদ্ধে গালাগালি করতে থাকবে ও মনিবের খেলা চলতে থাকবে। কি অদ্ভুত। এই জায়গাটি ইরানে ভিন্ন। তাদের নিজেদের ভিন্নতা নাই হয়ে যায় বিদেশী শত্রুর আগমনে। আর তারা অস্ত্র বানায়। এটাই আজাদী। আর নিজের জাতির বিভক্তি, সরকার ও জনগণের দূরত্ব, ডলার সিস্টেমে বন্দীত্ব এবং পাকিস্তানের মতো রাজনীতি দেশকে ধ্বংস এবং জনগণকে শোষণ ছাড়া আর কিছুই দিতে পারবে বলে আমি মনে করি না।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...