অষ্টাদশ শতকে অসংখ্য আফ্রিকানকে অপহরণ করে আমেরিকায় দাস বাজারে বিক্রি করা হয়। এসব হতভাগার মধ্যে কমপক্ষে শতকরা দশ ভাগ ছিলো মুসলিম। এমনই এক মুসলিম ছিলেন আইয়ুব বিন সোলাইমান (১৭০১-১৭৭৩) আমেরিকার ইতিহাসে তিনি উচ্চারিত Job Ben Solomon নামে। ১৭৩১ সালে তাকে অপহরণ করা হয় গাম্বিয়া থেকে। তিনি ছিলেন উচ্চশিক্ষিত, ধীমান ও দৃঢ়চেতা। মুসলিমদের মধ্যে দাওয়াত ও শিক্ষা প্রচারে সক্রিয় হন। দাসত্ব ও নিগ্রহ তাকে এই দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখতে পারেনি। যে-কোনো পরিস্থিতিতে তিনি দাওয়াতের অনুকূলে কাজে লাগাতে পারতেন। যখন তিনি শত্রু বেষ্টিত, তখনও ঘাবড়ে না যাওয়া ছিলো তার বিশেষ গুণ।
প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...
Comments
Post a Comment