সারাদেশে চলছে লকডাউন। আর এই লকডাউনে ঘরে থাকতে থাকতে আমাদের অনেকেরই ওজন বেড়ে যাচ্ছে।
সময়মত ও সঠিক মাত্রায় খাবার না খাওয়া,এক্সারসাইজ করতে না পারা এমনকি মানসিক চাপও এই ওজন বাড়ার কারন হতে পারে। #এই লকডাউনে ওজন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন লাইফ স্টাইল মডিফিকেশন। নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পরিমানে খাবার গ্রহন করতে হবে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য। #সকালে লেবু পানি, জিরা পানি, আদা পানি, এ্যালোভেরা অথবা তোকমা দানা,চিয়া সিডস কিংবা শুধু কুসুম গরম পানি এসবের যেকোন একটি খেয়ে দিন শুরু করতে পারেন।এতে আপনার ওজন যেমন নিয়ন্ত্রণে থাকবে অন্যদিকে শরীরের বিষাক্ত উপাদান বের করে শরীরকে ডিটোক্সিফাই করে দিবে। #স্ন্যাকস হিসেবে বিষ্কিট,চিপস,চানাচুর বা কেক না খেয়ে প্রচুর পরিমানে ফল খান। এতে একদিকে যেমন ক্ষুধা মিটবে অন্যদিকে করোনাকালীন সময়ে এন্টিঅক্সিডেন্টের চাহিদাও পূরণ হবে। #খাবার তালিকায় প্রচুর পরিমানে সবুজ শাক সবজি রাখুন। সবুজ শাক সবজিতে ফাইবার,মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট এবং ভিটামিন মিনারেলস থাকে যা আপনার রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকবে। মাটির নিচের সবজি যেমন আলু,ওলকপি,গাজর,মূলা এসব এড়িয়ে যাবেন।এসব সবজি আপনার ওজন বাড়িয়ে দিবে। #পর্যাপ্ত পরিমানে প্রোটিন জাতীয় খাবার গ্রহন করুন। পর্যাপ্ত প্রোটিন আমাদের ক্ষিদাকে নিয়ন্ত্রণে রেখে ওজন কমাতে সাহায্য করে। মাছের তেলের ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড ও মাছের প্রোটিন,ভিটামিন মিনারেলস শরীরে ফ্যাট জমতে বাঁধা দিয়ে থাকে। মুরগির ভিটামিন বি ৬ আমাদের বিপাক ক্রিয়াকে ঠিক রেখে হজমে সহায়তা করে থাকে। #মিষ্টি জাতীয় খাবার,বাইরের প্রক্রিয়াজাতকৃত খাবার এড়িয়ে চলুন। #কাঁচা লবন এবং লবন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।এসব খাবার ফ্যাটের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে ওজন বাড়িয়ে দেয়। #খাওয়ার ১০-১৫ মিনিট আগে পানি পান করুন। #বাসার সামনে/ছাদে/ বারান্দায় / ঘরের ভেতরই হাঁটার চেষ্টা করুন। ঘরে থেকেই ইয়োগা কিংবা মেডিটেশন করতে পারেন। #সারাদিনে ঘরের কাজ যেমন কাপড় ধোয়া,থালা বাসন ধোয়া,ঘর মোছা কিংবা গাছের পরিচর্যা করে নিজেকে একটিভ রাখতে পারেন। #মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার জন্য খাবার তালিকায় গ্রিন টি,টকদই,ওটসমিল এসব রাখুন। গ্রিন টি এমিনো এসিড এল-থিয়েনিন,ওটসমিলের ট্রিপ্টোফ্যান, টকদই এর প্রোবায়োটিক আমাদের মনকে শিথিল রাখতে এবং ঘুম চক্রকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে থাকে। #প্রতিদিন রাতে ৮ ঘন্টা ঘুম নিশ্চিত করুন।দিনের ঘুমকে এড়িয়ে চলুন।যদি একান্তই দিনে ঘুমাতে হয় তবে দুপুরের খাবার খাওয়ার ১ ঘন্টা পর ২০-৩০ মিনিটের একটি ন্যাপ স্লিপ দিতে পারেন।collected from lifespring limited
----------------------------------------------------
"শরীয়তের নির্দেশ হল, স্ত্রীরা স্বামীর সাথে নম্রতার সাথে কথা বলবে, আর পরপুরুষের সাথে কড়াসুরে কথা বলবে। কিন্তু বর্তমান ফ্যাশনেবল নারীদের চিত্র উল্টা। স্বামীর সাথে যখন কথা বলে, তখন যেন দুনিয়ার সব তিক্ততা তার মুখে এসে জড়ো হয়। আর পরপুরুষের সাথে যখন কথা বলে তখন যেন দুনিয়ার সমস্ত মিষ্টতা তার মুখে এসে ভিড় করে।
.
মনে রাখবেন, তরবারি যে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারে না, যবান তা ছিন্ন করতে পারে। নারীদের যবান তরবারির চেয়েও অধিক ধারালো। তাদের যবানের তরবারিতে কখনোই মরিচা পড়ে না। অনেক নারীর ঘর ভাঙ্গেই বদযবানির কারণে, বদগুমানি বা কুধারণার কারণে।
.
এজন্য শরীয়তের নির্দেশ হল, মাহরামদের সাথে নম্রস্বরে ভদ্রভাষায় কথা বলবে। আর পরপুরুষদের সাথে কড়াস্বরে কথা বলবে।"
.
~ শায়খ যুলফিকার আহমদ নকশবন্দী (হাফি.)
.
[খুতুবাতে যুলফিকার : ১/৪৪; অনু : আবু জারীর আবদুল ওয়াদুদ, মাকতাবাতুল আযহার]

Comments
Post a Comment