Skip to main content

গাড়ির ব্রেক কাজ করছেনা। কি করবেন?

 গাড়ির ব্রেক কাজ করছেনা। কি করবেন?


১। প্রথমেই মানসিকভাবে শক্ত থাকুন। নিজে এবং সকল যাত্রীকে সিটবেল্ট এনশিউর করুন। ২। হ্যাজার্ড লাইট (যেটাকে আমরা ভুলবশতঃ ইমার্জেন্সি লাইট বলি) জ্বালাবেন। উইন্ডো নামিয়ে দিন, কার ডোর সেন্ট্রাল লক খুলে দিন। ৩। গাড়ীর এক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিন। গিয়ার নিউট্রাল করুন। ৪। ঘনঘন ব্রেক প্যাডাল পাম্প করতে থাকবেন। ৫। রাস্তা যদি লম্বা এবং ফাকা হয় তবে গাড়ী সোজা স্টিয়ারিং রাখবেন। রাস্তা যদি ফাকা কিন্তু লম্বা না হয়ে চওড়া হয় সেক্ষেত্রে পেছনে গাড়ী দেখে আকাবাকা (S এর মত) চালাবেন। ৬। পার্কিং ব্রেক (যেটাকে সহজাতভাবে আমরা হ্যান্ড ব্রেক বলি) আস্তে আস্তে টানবেন। ৭। আশে পাশে ফাকা জায়গা, বড় গাছ, দেয়াল, রক্ষিত আইল্যান্ড এর খেয়াল রাখবেন। গতি কমে আসলে এসবে হিট করে গাড়ী থামান। এতে গাড়ীর ক্ষতি হলেও নিজের এবং যাত্রীর প্রাণ বাচবে। ৮। পুরো ব্যাপারটা খুব দ্রুত এবং সুচারু রূপে করতে হবে। এজন্য প্যানিকড হওয়া যাবেনা। ব্যাখ্যাঃ ১। সিটবেল্ট পরা থাকলেই কেবল এয়ারব্যাগ ডিপ্লয় হয়। এছাড়া কলিশনের ইম্প্যাক্ট শক থেকে স্পাইনাল কর্ড বেঁচে যায়। হেড এবং চেস্ট ইঞ্জুরির মাত্রা কম হবে। ২। হ্যাজার্ড লাইট আশেপাশের ড্রাইভারদের সতর্ক করবে। ৩। উইন্ডো নামালে দুইটা সুবিধা এক বাতাস এর কারনে স্পীড কমবে। উচ্চগতিতে জানালা খুলে গাড়ী চললে রিয়ারশীল্ডে বাতাস লেগে গাড়ীকে হালকা পিছনে টেনে ধরবে। এছাড়া গাড়ি খাদে বা পানিতে পরে গেলে দরজা আটকে গেলেও বের হতে সুবিধা হবে। সেন্ট্রাল লক একই কারনে খুলে রাখতে হয়। কেননা কলিশনের পর লক জ্যাম হয়ে যেতে পারে। ৪। এক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিলে গাড়ি ধীরে ধীরে গতি হারাতে থাকবে। ৫। সামনের রাস্তা অল্প হলে আকাবাকা চালালে অল্প জায়গায় অধিক পথ অতিক্রম করা যায় এতে কিছুটা হলেও বেশি সময় পাওয়া যায়। তবে এক্ষেত্রে আশে পাশের গাড়ীকে খেয়াল করতে হবে। ৬। পার্কিং ব্রেক একবারে হ্যাচকা টানবেন না এতে গাড়ী উল্টে বা ঘুরে যেতে পারে। পার্কিং ব্রেক দেখবেন তুলার সময় কটকট আওয়াজ হয়। এভাবে ঘাট ধরে ধরে আস্তে আস্তে তুলবেন। পুনশ্চঃ গাড়ীর ব্রেক ফেইল করা একটা অভিশপ্ত এক্সপেরিয়েন্স। কারো যাতে এরকম না হয় সেজন্য প্রতি ৬মাস অন্তর ব্রেক সার্ভিসিং করাবেন। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা কারো যেন এরকম খারাপ দিন না আসে। সবাই সেইফ ড্রাইভ করুন।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...