অনেকে হয়তো শুনেছেন টুথপেষ্ট এর কাহিনী যে কিভাবে এর সেল বেড়ে ছিল। আমি মনে করিয়ে দিচ্ছি। ১৯৫০-৬০ এর দিকে টুথপেষ্ট কোম্পানি তাদের সেল কোনভাবেই রাতারাতি বাড়াতে পারছিল না তখন এক লোক তাদের অফার করলো তার কাছে একটি Idea আছে তাতে ৪০% সেল বাড়বে এবং এই Idea এর জন্য তাকে ১০০,০০০. ডলার দিতে হবে। সেই সময়ে এইটা অনেক বড় অংক তাই কোম্পানি এমন একজন বহিরাগত হতে এতো বড় অংক দিয়ে idea নিবে কিনা না তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে ছিল এবং তাকে জানায় এক সপ্তাহের মধ্যে তাকে জানাবে। সপ্তাহ কেটে যায় কিন্তু কোম্পানির কেউ কোন উপায় না পেয়ে ওইলোক কে ডেকে পাঠায় এবং তার সাথে চুক্তিতে আসে যদি তার idea কাজ করে তাহলে তাকে ১০০,০০০ ডলার দেওয়া হবে। লোকটি তার পকেট হতে একটি খাকি খাম বের করে এগিয়ে দেয়, যার ভিতর হতে ছোট্ট একটি টুকরো কাগজ বের হয় তাতে লিখা ছিল "Make the hole bigger" আগে টুথপেষ্ট টিউবের এর মুখ ছিল 5mm তাতে করে কম মাত্রায় পেষ্ট বের হতো কিন্তু Idea মোতাবেক টিউবের মুখের পরিধি 6mm করে দেওয়া হয় যার করনে টিঊবে চাপ দিলে বেশী মাত্রায় পেষ্ট বের হয় এরফলে শেষ হয়েও যায় তাড়াতাড়ি। এরপর সব কোম্পনি তাদের টুথপেষ্ট , শ্যাম্পু , লোশানের মুখ আগে তুলনায় বড় করে যাতে ভোক্তা ব্যবহারের সময় তার পরিমানের চেয়ে বেশি ব্যবহার করে আর তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে যায়। এখন আসেন আসল কথায় আসি। সোয়াবিল তেলের দাম বেড়েছে আর এই বাংলায় একবার যার দাম বাড়ে তার দাম হাজার চিল্লালেও কমবে না তাই নিজেরা সংযত হই। আমারা বাংগালী রান্নার সময় বোতল কাত করে তেল ঢালি আমারদের এই ঢালার অভ্যাস হয়তো আমরা ত্যাগ করতে পারবো না কিন্তু কাত করে ঢেলে দিলেও যাতে বেশি না পরে তার জন্য আমাদের বোতলের মুখ সরু করতে হবে। অথবা স্প্রে বোতল বা ব্রাশ ব্যবহার করতে হবে যা অনেকেই ব্যবহার শুরু করেছে। তাহলেই দেখবেন তেলের ব্যবহার অনেক কমে গেছে।দ্রব্যমূল্যের দাম আপনার হাতে, আপনি চাইলেই কমানো সম্ভব! আপনি কি চান সবকিছুর দাম আপনার নাগালের মধ্যে আসুক? তাহলে আসুন, দেখি এক হওয়া যায় কি না! ১. কাঁচামাল- ২০ টাকার বেগুনের দাম এক লাফে ৮০ টাকা হল, আর শুনেই আমরা হুমড়ি খেয়ে পড়লাম বেগুনের উপর, ১৫ টাকার তরমুজ ৪০ টাকা কেজি দাম ধরা হল আমরাও নাছোড় বান্দা যখন যেটার দাম বাড়নো হবে ঠিক তখুনি ওটাই আমাদের চাই ই চাই। আরে ভাই মাত্র সাতটা দিনের জন্য ওগুলো বর্জন করুন, দেখবেন ভ্যানে করে আপনার বাড়ির সামনে নিয়ে মাইকিং করে ২০ টাকার বেগুন ১০ টাকা আর ১৫ টাকার তরমুজ ৫ টাকায় দিচ্ছে। ২. মাংস- এই সেদিন ও গরুর মাংস ৬০০/৬৫০ টাকা কেজি ছিলো, চোখের পলকে তা ৬৫০/৬৮০ টাকা হল, আর ঈদের আগের রাতে এক লাফে তা ৭০০ টাকায় পৌঁছে গেলো, কেনরে ভাই? কেন দিলেন কেজিতে ২০ টাকা বেশি? সবাই মিলে একটা বার না বললে ওরা মাংস নিয়ে যেতো কোথায়? আপনার চারপাশের বহু লোক তো বছরে বড়জোর একদিন গরুর মাংস খেতে পায় আপনি নাহয় একটা মাস খেলেন না, আপনার একটা না ই পারতো ওই পণ্যকে সহনশীল দামে নিয়ে আসতে। ৩. মিষ্টির দোকান এবং হোটেলে প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়ানো হয়েছে, সাথে আকৃতি ছোট করা হয়েছে, একবারও প্রতিবাদ করেছেন কখনো এর? মাত্র একটা মাসের জন্য ওসব বর্জন করে দেখুন দাম না হোক অন্তত সবকিছুর আকার আকৃতি আগের জায়গায় ফিরতে বাধ্য। এমন হাজারো উদাহরণ আছে, যার প্রত্যেকটারই লাগাম আমাদের হাতে, প্রতিটা কাঁচামালের ক্ষেত্রে হিসাব ওই একই, দাম বাড়লেই হুমড়ি খেয়ে ৫/১০ কেজি একসাথে কেনা বর্জন করুন। বেশি না কেবল একটা সপ্তাহের জন্য সরে আসলেই কেউ ওটার অভাবে মারা পরবেন না, কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ী ওখান থেকে সরে আসতে বাধ্য হবেন, এখন প্রয়োজন কেবল সম্মিলিত প্রচেষ্টা। আর কিছু নয়। ©️সংগৃহিত
************************************************************************************
একজন মহিলার একটি পোষা বেজী ছিল।
বেজীটি খুব বিশ্বস্ত ছিল।একদিন মহিলাটি তার শিশুকে বেজীর তত্বাবধানে রেখে বাইরে গেল।মহিলাটি বাড়ি থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পর একটি কিং কোবরা সাপ বাসায় প্রবেশ করলো।
শিশুটি ভয় পেয়ে কাঁদতে লাগলো ।বেজীটি সাপের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল ।
অনেক্ষণ লড়াই করার পর সাপটি মারা গেল ।বেজীটি রক্তাক্ত মূখ নিয়ে বাড়ির গেটের সামনে মহিলাটি জন্য উপেক্ষা করতে লাগলো ।যখন মহিলাটি বাসায় আসলো তখন বেজীটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেল।
মহিলাটি ভাবলো -বেজীটি হয়তো তার শিশুকে কামড়েছে ।তিনি একটি পানির পাত্র দিয়ে বেজীটিকে আঘাত করে বেজীটিকে মেরে ফেললো ।কিন্তু ,তিনি যখন ভিতরে প্রবেশ করলেন ,তখন দেখতে পেলেন শিশুটির পাশে একটি মৃত কিং কোবরা সাপ পড়ে আছে ।
.
উপদেশ :যে কোনো কিছু করার আগে একবার ভেবে নিন ।আপনি যা করছেন ,তা কী সঠিক ?
নচেৎ পরর্বতীতে অনুশোচনা ছাড়া আপনার আর কিছুই করার থাকবে না ।

Comments
Post a Comment