Skip to main content

নতুন বন্দোবস্ত


 নতুন বন্দোবস্ত জিনিসটা কী - যাদের বোঝা দরকার - তারাই বুঝতে পারছে না। জায়গাটা ক্লিয়ার করা দরকার।

আপনারা যারা আওয়ামীপান্তি করতেন বা এখনো যাদের মধ্যে এখনো আওয়ামীপনা আছে - তারা এই কাজটা আর করতে পারবেন না। সহজ কথায় আপনারা এই সরকার, বিএনপি, জামাত, এনসিপিকে সমালোচনা করতে পারবেন ও অবশ্যই করবেন। বাংলাবাজিও করবেন। কিন্তু আপনারা আওয়ামী লীগকে ডিফেন্ড করতে পারবেন না। একটা খুনী ফ্যাশিস্ট শক্তিকে আপনারা কোনো ধরনের সাপোর্ট দেখাতে পারবেন না। কোনো জায়গায় না। এই যে আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে ডেমোক্রেসি - এটাই নতুন বন্দোবস্ত। আমরা আমাদের ন্যাশনাল সাইকি থেকে আওয়ামীপনা বাদ দিতে চাইছি। আপনারা এতে শরীক হন। এই নতুন বন্দোবস্ত কিছুটা নির্ভর করছে - আপনাদের ভালো হয়ে যাওয়ার ওপর। ১০ থেকে ২০ বছর লাগবে। খেয়াল করুন যারা প্রথম বৌ বা স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে - তারা কিন্তু ভালো হয়ে যায়। ফেইসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে মোট ৮৬৯৬টা ফটো ও পোস্ট ডিলেট করে। মেটিকুলাসলি করে। প্রতিটি দ্বিতীয় বিয়ে হোলো বাধ্যানুগতার বিয়ে যেখানে একে অন্যকে পরিমিত অবিশ্বাস করে ও নিরুপায় আশা করে (উভয়ের দ্বিতীয় বিয়ে)। প্রথম বিয়ের আগে যে রাখী সাওয়ান্ত থাকে - দ্বিতীয় বিয়ের পরে সে অপু বিশ্বাস হয়ে যায়। আমি দেখেছি এই বিষয়টা। এদের থেকে আপনারা শিক্ষা নিন। শুধু মনে রাখবেন যে আপনার দ্বিতীয় য়ে - দাম্পত্যে আপনার সাথে না, পিছনে আছে। জেলখানার মতো। -ফাহাম

============================================================
স্বাস্থ্য সচেতনতা মানে শুধু ব্যায়াম করা এবং সঠিক খাবার খাওয়া না! এছাড়াও আরও কিছু বিষয় রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভালো মানুষের পাশে থাকা, ভালো অভ্যাস গড়ে তোলা, আসক্তি ত্যাগ করা, কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা, নিজের ক্যারিয়ারের গ্রোথ বজায় রাখা এবং সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ অতিরিক্ত বন্ধুবান্ধব জীবন থেকে ছেঁটে আলাদা করে ফেলা। আপনার ভালো বন্ধু আপনাকে খারাপ কাজে বাধা দিবে ও ভালো কাজে উৎসাহ প্রদান করবে। ভালো বন্ধু আপনাকে জাংক ফুড খেতে বাধা দিবে, এবং খেলাধুলা বা ব্যায়াম করতে বলবে। আনসাপোর্টিভ বন্ধু বলবে ‘লেটস এনজয়’ সে আপনাকে সাময়িক এনজয়মেন্টের দিকেই ধাবিত করবে কারন তার উদ্দেশ্য আপনার সাথে জীবনভর বন্ধুত্ব রক্ষা করা নয়। তাই আনসাপোর্টিভ বন্ধুবান্ধবকে অনুসরণ করা বন্ধ করুন - কেবল সোশ্যাল মিডিয়াতেই নয়, বাস্তব জীবনেও। আপনার জীবনে এমন লোকদের রাখতে হবে না যারা আপনার উন্নতিকে উপেক্ষা করে, আপনার সংগ্রামকে ছোট করে দেখে, অথবা যখন তারা ফায়দা খোঁজে কেবল তখনই আপনার খোজখবর নেয়। মনের শান্তি নিজেকেই রক্ষা করতে হয়। একটা বাউন্ডারি নির্ধারণ করুন এবং নিজেকে এমন লোকদের আশেপাশে রাখুন যারা সত্যিকার অর্থে আপনাকে উন্নীত করে এবং সমর্থন করে। মনে রাখবেন টক্সিক সম্পর্ক ছেড়ে দেওয়া নিষ্ঠুরতা নয় - এটি আপনার সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয়।

সন্ধ্যার পর ফাকাঁ সময়ে মোবাইল স্ক্রল না করে পরিবারের যেকোনো একজন সদস্যের সাথে হাঁটতে বের হন! আপনি আপনার সঙ্গীর সাথে আরও বেশি কানেক্টেড অনুভব করবেন। আপনি এক্সট্রা কিছু ক্যালোরি পোড়াবেন। আপনার স্ট্রেস হরমোন কমবে। ভালো কথোপকথনের মাধ্যমে নতুন নতুন আইডিয়া পাবেন। শরীরের মুভমেন্ট বাড়ান। এটা শুধু ব্যায়াম নয় এর চেয়েও বেশি কিছু। a s taj

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...