ওজন কমানোর জন্য ব্যায়াম করতেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ব্যায়াম চর্বি কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে মাত্র। ব্যায়াম না করে শুধুমাত্র ডায়েট করেই চর্বি কমানো সম্ভব। তবে এতে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে। যার মধ্যে অন্যতম হলো : পেশি ক্ষয়, চামড়া ঝুলে যাওয়া, শরীরে শক্তি কমে যাওয়া, স্ট্রেস হরমোন বৃদ্ধি পাওয়া ও মেটাবলিজম বা পুষ্টি শোষনের ক্ষমতা কমে যাওয়া। এই মেটাবলিজম দূর্বল হবার কারনে আপনি যদি মাত্র কয়েকদিন ডায়েট না করেন তাহলে খুব দ্রুত শরীরে পুনরায় চর্বি জমে আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। ডায়েট ও ব্যায়াম একসাথে করলে এই সমস্যা গুলো হবে না। সাথে কিছু সুবিধা পাবেন যেমন- দম বৃদ্ধি পাবে, পেশি ও হাড়ের জয়েন্ট মজবুত হবে, চামড়া টানটান থাকবে, শরীরে শক্তি বৃদ্ধি পাবে ও স্ট্রেস হরমোন কমবে যার কারনে মন ভালো থাকবে। মেটাবলিজম উন্নত হবে যার ফলে পুনরায় শরীরে চর্বি বাড়ার সম্ভাবনা কমবে। ব্যায়ামের ধরন অনুযায়ী আলাদা আলাদা উপকার পাবেন। একধরনের ব্যায়ামে সকল প্রকার উপকার একসাথে পাওয়া সম্ভব নয়। মূলত তিন ধরনের ব্যায়াম বহুল পরিচিত। ১. কার্ডিও / এরোবিকস : হাঁটা, দৌড়ানো, সাতার, দড়ি লাফ, নাচ, সাইক্লিং ইত্যাদি। এক কথায় সেসমস্ত ব্যায়াম যা আমাদের হৃদস্পন্দন খুব দ্রুত বাড়ায়। শুধুমাত্র কার্ডিও করলে- ✅হার্ট ও ফুসফুস ভালো থাকবে, ✅ স্ট্রেস হরমোন কমবে, 🚫পেশি মজবুত হবে না। 🚫শরীরের ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়বে না। 🚫জয়েন্টের ব্যাথা দূর হবে না। 🚫মেটাবলিজম উন্নত হবে না। ২. স্ট্রেচিং / ইয়োগা : শরীরের নমনীয়তা বাড়াতে সহায়তা করে। শুধুমাত্র স্ট্রেচিং বা ইয়োগা করলে- ✅শরীরের ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়বে। ✅স্ট্রেস হরমোন কমবে, ✅জয়েন্টের ব্যাথা দূর হবে। ✅মেটাবলিজম উন্নত হবে। 🚫হার্ট ও ফুসফুস মজবুত হবে না। 🚫পেশি মজবুত হবে না। ৩. রেসিসট্যান্স ট্রেইনিং: বডিওয়েট বা ফ্রী হ্যান্ড এক্সারসাইজ, ওয়েটলিফ্টিং, ক্যালিসথেনিকস। মূলত যে ব্যায়ামে শরীরের মাংশপেশী ও হাড়ের জয়েন্টে প্রেশার পরে। শুধুমাত্র রেসিসট্যান্স ট্রেইনিং করলে- ✅পেশি মজবুত হবে। ✅জয়েন্টের ব্যাথা দূর হবে। ✅স্ট্রেস হরমোন কমবে। ✅মেটাবলিজম উন্নত হবে। 🚫শরীরের ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়বে না। 🚫হার্ট ও ফুসফুস মজবুত হবে না। সুতরাং ব্যায়ামের মাধ্যমে পরিপূর্ণ ফিটনেস পেতে চাইলে তিন ধরনের ব্যায়ামই রুটিনে রাখতে হবে।
ওজন কমানোর জন্য ব্যায়াম করতেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ব্যায়াম চর্বি কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে মাত্র। ব্যায়াম না করে শুধুমাত্র ডায়েট করেই চর্বি কমানো সম্ভব। তবে এতে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে। যার মধ্যে অন্যতম হলো : পেশি ক্ষয়, চামড়া ঝুলে যাওয়া, শরীরে শক্তি কমে যাওয়া, স্ট্রেস হরমোন বৃদ্ধি পাওয়া ও মেটাবলিজম বা পুষ্টি শোষনের ক্ষমতা কমে যাওয়া। এই মেটাবলিজম দূর্বল হবার কারনে আপনি যদি মাত্র কয়েকদিন ডায়েট না করেন তাহলে খুব দ্রুত শরীরে পুনরায় চর্বি জমে আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। ডায়েট ও ব্যায়াম একসাথে করলে এই সমস্যা গুলো হবে না। সাথে কিছু সুবিধা পাবেন যেমন- দম বৃদ্ধি পাবে, পেশি ও হাড়ের জয়েন্ট মজবুত হবে, চামড়া টানটান থাকবে, শরীরে শক্তি বৃদ্ধি পাবে ও স্ট্রেস হরমোন কমবে যার কারনে মন ভালো থাকবে। মেটাবলিজম উন্নত হবে যার ফলে পুনরায় শরীরে চর্বি বাড়ার সম্ভাবনা কমবে। ব্যায়ামের ধরন অনুযায়ী আলাদা আলাদা উপকার পাবেন। একধরনের ব্যায়ামে সকল প্রকার উপকার একসাথে পাওয়া সম্ভব নয়। মূলত তিন ধরনের ব্যায়াম বহুল পরিচিত। ১. কার্ডিও / এরোবিকস : হাঁটা, দৌড়ানো, সাতার, দড়ি লাফ, নাচ, সাইক্লিং ইত্যাদি। এক কথায় সেসমস্ত ব্যায়াম যা আমাদের হৃদস্পন্দন খুব দ্রুত বাড়ায়। শুধুমাত্র কার্ডিও করলে- ✅হার্ট ও ফুসফুস ভালো থাকবে, ✅ স্ট্রেস হরমোন কমবে, 🚫পেশি মজবুত হবে না। 🚫শরীরের ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়বে না। 🚫জয়েন্টের ব্যাথা দূর হবে না। 🚫মেটাবলিজম উন্নত হবে না। ২. স্ট্রেচিং / ইয়োগা : শরীরের নমনীয়তা বাড়াতে সহায়তা করে। শুধুমাত্র স্ট্রেচিং বা ইয়োগা করলে- ✅শরীরের ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়বে। ✅স্ট্রেস হরমোন কমবে, ✅জয়েন্টের ব্যাথা দূর হবে। ✅মেটাবলিজম উন্নত হবে। 🚫হার্ট ও ফুসফুস মজবুত হবে না। 🚫পেশি মজবুত হবে না। ৩. রেসিসট্যান্স ট্রেইনিং: বডিওয়েট বা ফ্রী হ্যান্ড এক্সারসাইজ, ওয়েটলিফ্টিং, ক্যালিসথেনিকস। মূলত যে ব্যায়ামে শরীরের মাংশপেশী ও হাড়ের জয়েন্টে প্রেশার পরে। শুধুমাত্র রেসিসট্যান্স ট্রেইনিং করলে- ✅পেশি মজবুত হবে। ✅জয়েন্টের ব্যাথা দূর হবে। ✅স্ট্রেস হরমোন কমবে। ✅মেটাবলিজম উন্নত হবে। 🚫শরীরের ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়বে না। 🚫হার্ট ও ফুসফুস মজবুত হবে না। সুতরাং ব্যায়ামের মাধ্যমে পরিপূর্ণ ফিটনেস পেতে চাইলে তিন ধরনের ব্যায়ামই রুটিনে রাখতে হবে।

Comments
Post a Comment