Skip to main content

কেবল আগাছা পরিস্কার করে দিন


 একটা মজার তথ্য দেই। Oppo এবং Vivo একই কোম্পানির পণ্য। আরো মজার ব্যাপার কি জানেন one plus ও সেই কোম্পানির । এবারে আরো অবাক করি? Realme এবং Iqoo তাদেরই ব্র্যান্ড।

কিন্তু কীভাবে? এই সব কোম্পানির মাতৃ কোম্পানি হচ্ছে BBK ইলেকট্রনিক্স। আর সেই কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ডুয়ান ইয়ং পিং। কেউ তার নাম জানেন না। কিন্তু আজ যদি তিনি কোন আমেরিকান ব্যাক্তিত্ব হতেন হয়তো সারা বিশ্ব তাকে সেরা উদ্যোক্তা হিসেবে সম্মান করতো। তবে ওনাকে সবাই সম্মান করে একজন সফল ব্যাক্তি হিসেবে না বরং এজন্য যে বিলিয়নিয়ার হওয়া সত্বেও খুব সাধারন জীবন যাপন করেন, মিডিয়ার সামনে আসেন না। Oppo র মালিক তারই কোম্পানির কর্মকর্তা ছিল। তিনি ব্যবসা শিখিয়ে oppo কে তার হাতে দায়িত্ব দেয়। তারপরে সেখান আরেকজন কর্মকর্তাকে ব্যবসা শিখিয়ে vivo তৈরি করে। তারপরে তৈরি হয় realme ও oneplus সব মিলিয়ে এখন এক একটা কোম্পানি যেন এক একটা রাজ্য। এত বড়। সম্প্রতি তারা আলদা আলাদা কোম্পানি হয়ে গেছে। তিনি এগুলোর একজন অংশীদার মাত্র। এক একটি কোম্পানি স্বাধীন ভাবে যাদেরকে একদা কাজ শিখিয়েছেন তারাই চালাচ্ছে। বলা যায় চীনের মোবাইল প্রযুক্তির বাজারে সকল সফল ব্র্যান্ডের পিছে মানুষ তৈরির কারিগর তিনি। একটাবার কল্পনা করুন তো উনি না থাকলে আজ চীনের ফোন কত জন চালাতো? এজন্য একটা কথা আমি প্রায় বলি। ব্যাক্তি উদ্যোগই সব। সরকার কোন দেশকে বড় করে না। সরকারের কাজ আমরা যেন নিশ্চিন্ত মনে ব্যবসা করতে পারি সেই নিরাপত্তা দেওয়া। সেইটা না করে নিজেই যখন কর, শুল্ক, ঘুষ, নজরদারী এবং হয়রানি বাড়াতে থাকে তখন উদ্যমী উদ্যোক্তাদের যাত্রা অঙ্কুরের বিনষ্ট হয়ে উঠে। একজন ব্যাক্তিই একটি দেশকে অনেক বদলে দিতে পারে। ১৭ কোটি বীজের মাঝে এমন সম্ভাবনাময় ফলবান বৃক্ষ বহু আছে। কেবল আগাছা পরিস্কার করে দিন তাহলেই আমরা এগিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ।m.patwary

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...