Skip to main content

লজ্জা মুসলিম জাতি, লজ্জা

 


আমেরিকার উপর চীন ১২৫% শুল্ক আরোপ করেছে। তার কারণ কী? কারণ আমেরিকা চেয়েছিল চীনের হাঁটু ভাঁজ করাতে।

সেজন্য আমেরিকা প্রথমে চীনকে ৫৪% ট্যারিফ দেয়, এর বিপরীতে চীন দেয় ৩৪% ট্যারিফ। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে সবাই যখন তার পাছায় চুমু খেতে খেতে স্যার বলছিল তখন চীনের এই আত্মসম্মানবোধ তার পছন্দ হয় নাই তাই তাকে মচকাতে ১০৪% ট্যারিফ ঘোষণা করে। আর বলে বাকি সব দেশের উপর ১০% (এবং আরো বাড়াতে পারে যদি না আমেরিকা থেকে প্রচুর আমদানি করতে রাজি হয়) স্বভাবতই প্রায় সকল দেশ আমেরিকার গোলামি করতে লেগে পড়ে। কিন্তু চীন বলে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে। সেজন্য সে ৮৪% ট্যারিফ ঘোষণা করে। এবার আমেরিকা ১৪৫% ঘোষণা করে এই আশায় যে এবার চীন মচকাবে। কিন্তু সে ১২৫% শুল্ক দিলো এবার। তার পাশাপশি বাকি দেশগুলোকে বলল আমরা শক্ত থাকতে ট্রাম্প তোমাদের সাথে চুক্তি করতে রাজি হচ্ছে। একটাবার চিন্তা করেন চীনের যেই বিc আছে কোন মুসলিম দেশের সেই বি@ নাই। তারা কি পারতো না সাদাদের গোলামি ছাড়তে? চীনের কি ক্ষতি হচ্ছে না? আমেরিকার নিজেরও কি ক্ষতি হচ্ছে না? কিন্তু তারা তাদের আত্মসম্মান টাকার কাছে বিক্রি করে নাই। রাশিয়া যখন হামলা করে EU রাশিয়ার পণ্যে নিজে নিষেধাজ্ঞা জারি করে আবার বলে কোন বিমান তাদের আকাশের উপর যেতে পারবে না। Microsoft সহ ভিসা , ম্যাকডোনাল্ড সহ বহু প্রতিষ্ঠান রাশিয়া বয়কট করে। তাদের কি লস হয় নাই? অনেক হয়েছে। কিন্তু তাদের পৌরুষত্ব আছে। সেই তুলনায় মুসলিমরা হিজলা। তাদের এত শিশু মারলো তারা কি পারতো না মেরিকার উপর ১০০% ট্যারিফ দিতে? নিজে তো দিলই না বরং উল্টা মেরিকা দিলো। এখন সাথে সাথে পা সহ অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ চাটাচাটি শুরু করে দিয়েছে। এই গোলামীর জীবন আর ভালো লাগে না। ঈমান এখানে কোথায়? উত্তর কোরিয়ার বা কিউবার মানুষের ঈমান বা সম্পদ কি আমাদের থেকে বেশি? ইউরোপের ভাতৃত্ব কি আমাদের চেয়েও বেশি? চীনের মেরুদন্ড কি আমাদের থেকে শক্ত? নাকি আমাদের উপর নির্যাতনের মাত্রা কম হয়েছে? লজ্জা মুসলিম জাতি, লজ্জা। তোমরা আজ মার খাওয়া গোলামের জাতিতে পরিণত হয়েছ। নাস্তিকরা তোমাদের জন্য আত্মসম্মানের উদাহরণ যদিও আল্লাহ ছাড়া আর কারো গোলাম তোমাদের হওয়ার কথা ছিল না।
============================================================
আপনি কি জানেন, মালয়শিয়ার মাথা পিছু আয় চীনের চেয়ে বেশী? কুয়ালালামপুর সুউচ্চ ভবনের সংখ্যার দিক থেকে প্রায় সাংহাই এর সমান! বর্তমানে এই শহরটি বিশ্বের প্রথম সাতটি উঁচু ভবনের শহরের মধ্যে একটি। আপনি কি জানেন, বুর্জ খলিফার পরে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবনের নাম মেরডেকা যা কুয়ালালামপুরে অবস্থিত। রাষ্ট্র হিসেবে মালয়শিয়া এত উন্নত যে আপনি না গেলে কল্পনা করতে পারবেন না। মালয়শিয়ার পাসপোর্ট বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী পাসপোর্ট, ১৮১ দেশে আপনি এই পাসপোর্ট দেখিয়ে বিনা ভিসায় ঘুরতে পারবেন! এই দেশটি এত নিরাপদ, এত কম অপরাধ যে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশের থেকে জীবন মানে এগিয়ে। বিশ্বের সবচেয়ে শান্তির দেশ হিসেবে মালয়শিয়ার অবস্থান ছিলো ১০। কিন্তু আমি নিজে নরওয়েতে থেকেছি। আমার মনে হয়েছে মালয়শিয়া নরওয়ের থেকেও নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও বসবাসের উপযোগী।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...