Skip to main content

হিজাব নিকাব দেখে ডিলিউশনাল

 


আমাদের দেশে অনেক ভালো ভালো ছেলেরা বিয়ে করার জন্য ধার্মিক মেয়ে খুঁজেন।

এ ব্যাপারে আমি কিছু পরামর্শ দিতে চাই। একটা মেয়ে ধার্মিক কিনা সেটা শুধু হিজাব-নিকাব দেখে নির্ধারণ করতে হয় না। এই যুগে মেয়েদের ধার্মিকতা বুঝার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সে পারিবারিক জীবনকে কতটা গুরুত্ব দেয় ? সে কি পরিবারের চেয়ে ক্যারিয়ারকে বেশি প্রাধান্য দেয় কিনা ? ছেলে মেয়ের সমতায় বিশ্বাস করতে করতে তার কি কমনসেন্স চলে গেছে কিনা‌ ? এগুলো খুব ভালো করে জেনে নিবেন। এখন সমাজে প্রচুর তথাকথিত ধার্মিক মেয়ে আপনি পাবেন যারা পারিবারিক জীবনকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন‌না। তারা সন্তানের জন্য পড়াশোনায় বা ক্যারিয়ারে দু-তিন বছর গ্যাপ দেওয়াকে বিশাল ক্ষতির কারণ মনে করে। অনেক ধার্মিক মেয়ে পাবেন যারা সন্তান নেওয়ার চাইতে বিড়াল পালাকে বেটার অপশন মনে করে। ঘরে তাদের পাঁচটা বিড়াল কিন্তু কোন সন্তান নেই। ...................... হিজাব নিকাব দেখে ডিলিউশনাল হয়ে যাবেন না। যেহেতু আপনি ধার্মিক তাই পর্দানশীল মেয়ে বিয়ে করাটাই উচিত। কিন্তু অনেক পর্দা না করা মেয়ে, পর্দা করা মেয়েদের চাইতে পারিবারিক জীবনকে বেশি গুরুত্ব দেয়। সেক্ষেত্রে আপনাকে ভেবে ডিসিশন নিতে হবে। আপনি আপনার পার্টনারের মাঝে সকল গুনাবলী পাবেন না। অনেক কিছু হয়তো আপনি বিয়ের পর নম্র ভদ্রভাবে শিখিয়ে নিতে পারবেন। কিন্তু গোয়ার ধার্মিক মেয়ে বিয়ে করলে আপনি কিছু শেখাতেও পারবেন না। সে আপনার উপর খবরদারি করবে। কে কতটুকু ধার্মিক বা‌ আল্লাহ কাকে কবুল করবেন তা তিনিই ভাল জানেন। কিন্তু ধার্মিক মানুষ যদি আপাতদৃষ্টিতে বুঝতে চান, সে ক্ষেত্রে তার আচার ব্যবহার খেয়াল করবেন এবং পারিবারিক জীবনকে তিনি কতটুক গুরুত্ব দেন সেটা খেয়াল করবেন। যে মেয়ের আচার ব্যবহার ভালো না এবং যে পারিবারিক জীবনকে গুরুত্ব দেয় না, সে যদি হাত মোজা,পায়ে মোজা এবং নিকাবও পড়ে - সে ধার্মিক না। এতটুকু বুঝার মত ধর্মের বুঝ আপনার থাকতে হবে।dr kushal

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...