Skip to main content

ইন্টারভিউ বোর্ডে একটা ছেলে

 


একটা ছেলেকে ইন্টারভিউ বোর্ডে জিজ্ঞেস করা হলো , আচ্ছা বলো দেখি তোমার একটা পজিটিভ দিকের কথা যেটা দিয়ে তুমি আমাদের ইম্প্রেস করতে পারো । ছেলেটা একটু ভেবে নিয়ে উত্তর দিলো , স্যার আমার সিভির দিকে তাকালে দেখবেন আমার রেজাল্ট খুব একটা ভালো না । এরপরেও ৯৫ জন কে টপকে রিটেন এক্সামে ১ম হয়ে আপনাদের সামনে বসে ভাইভা দিচ্ছি স্যার । এইটাই আমার সব থেকে পজিটিভ দিক । বোর্ড থেকে উত্তর এলো ,এটা কি করে পজিটিভ দিক হয় ? ব্যাখ্যা করো তো !! ছেলেটার উত্তর , স্যার আমার সাথে বুয়েটের একটা ছেলে এক্সাম দিতে এসেছে । কথা বলে জেনেছি সে বুয়েটের থার্ড বয় । আমার সাথে ঢাবির একটা ছেলেও এক্সাম দিতে এসেছে । আমি স্যার ঢাবিতে পড়ে পারি নাই । বুয়েটে যাওয়ার তো কপালই হয় নাই । মানুষের অনেক কথাই শুনেছি আমি । এতোকিছু শোনার পরেও নিজেকে তৈরি করে আজকে এই জায়গায় আসছি স্যার । রিটেনে টিকে যাওয়ায় আপনারা আমাকে ডেকেছেন । নইলে ডাকতেন না । স্যার ,আমি মনে করি এইটাই আমার সব থেকে পজিটিভ দিক । আমি ফাইট করতে জানি । হারতে জানি না । আমি জানি এইখানে আমার চাকুরী না হলেও আরেকটা জায়গায় আমি ঠিক চাকুরী জুটিয়ে নিতে পারবো । বোর্ড তার এটিচিউডে ইম্প্রেস হয়েছিল । জবটা পেলো সেই ছেলেটাই । দিস ইজ কলড এটিচিঊড । কোন মোটিভেশনাল ভিডিও দেখে এই মনোভাব আসে না । সারাদিন বসে ইউটিউবিং করে এই মনোভাব গড়ে তোলা যায় না!এই মনোভাব আর সাহস আসে অদম্য পরিশ্রম থেকে । সকাল বেলা অফিসে যাওয়ার সময় আমি দুই ধরনের ছেলে দেখি । একদল আছে বসে বসে বইয়ের পাতা উল্টায় । আরেকদল আছে সারারাত স্পেশাল ওয়ানের সাথে কথা বলে দিনের বেলা দুপুর ১ টা অব্দি ঘুমাতে থাকে । দুইজনের রেজাল্ট কখনোই একরকম হবে না । সিউর থাকেন । সবাই চ্যালেঞ্জ নিতে পারে না । যতো গভীর গর্তে পড়বেন চ্যালেঞ্জ ঠিক ততোটাই কঠিন হবে । বেকারত্বের টেস্ট কি জিনিস সেটা এক্সাম দিয়ে ফেইল না করা পর্যন্ত টের পাবেন না । যেদিন টের পাবেন সেদিন বুঝে ফেলবেন পায়ের নিচে আর মাটিটা নাই । ওইদিন ক্লাস ফাইভের বৃত্তিও কাজে আসবে না । কোন মোটিভেশনাল গল্পও কান দিয়ে ঢুকবে না । একটা বয়সের পর বাপের কাছে ফ্লেক্সিলোডের জন্য ৫০ টাকা চাওয়াটাও যে কতোখানি শরমের সেইটা সিচুয়েশনে না পড়লে বুঝবেন না । জীবন থেকে যদি পালাতেই থাকেন , তাহলে জীবনও আপনাকে তাড়িয়েই বেড়াবে । আর যদি ফেস করতে শিখেন , চোখ বুজে চ্যালেঞ্জ নিতে শিখেন তাহলে দেখবেন একটা না একটা প্ল্যাটফর্ম পেয়ে গেছেন ।

#সংগৃহিত

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...