Skip to main content

লাইলাতুল ক্বদর রাত

 


২০ তম রোজার রাত থেকে লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করুন। যদি লাইলাতুল কদর পেয়ে যান তবে সে রাত্রের আমল হবে টানা ৮৩ বছর ৪ মাসের সমান। কারন এই রাত হাজার মাস ইবাদত করার চেয়েও উত্তম।

ছোট ছোট কিছু আমল প্রতি রাতে করতে পারেন। . ১) সূরা ইখলাস বেশি বেশি পড়বেন। তিনবার পড়লে একবার কুরআন পড়ার সওয়াব পাবেন। (সহীহ বুখারি ৫০১৫) . ২) মসজিদে/ অন্য কোথাও নিজের সাধ্যের আলোকে প্রতিরাতে ২ টাকা হলেও দান করুন। যদি রাতটি লাইলাতুল ক্বদর হয় তবে আপনি লিটেরালি ৮৩ বছর টানা ২ টাকা দানের সওয়াব পাবেন। বোনেরা আপনার ভাই/হাজবেন্ডের মাধ্যমে টাকা পৌঁছাতে পারেন। . ৩) কয়েক পৃষ্টা কোরআন তেলোয়াত করুন। রাতের বেলায় যে ১০০ আয়াত কোরআন পাঠ করবে তাঁকে সারারাত তাহায্যুদ পড়ার সাওয়াব দিবেন। (সহিহুল জামে ৬৪৬৮) সূরা কদর থেকে সর্বশেষ সূরা নাস পর্যন্ত পড়তে পারেন। কম সময়ে অতি সহজে ১০০ আয়াত পূর্ন করতে পারবেন। . ৪) সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি . ৫) বেশি বেশি দুরুদ, ইস্তেগফার ও অন্যান্য যিকির করবেন। . ৬) মসজিদে ফরয নামায পড়তে গেলে বাসা থেকে ওযু করে যাবেন। . ৭) আর বিশেষ করে লাইলাতুল কদরের ছোট্ট এই দোয়াটি পড়বেন। "আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি" অর্থঃ হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে আপনি পছন্দ করেন। সুতরাং আমাকে ক্ষমা করুন। (আহমাদ ৬/১৮২) . ৮) কিছু সময় পিতামাতার খেদমত করতে পারেন। . ৯) কয়েক রাকাত নফল সালাত আদায় করবেন। সাহরির পূর্বে অন্তত দুই রাকাত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়বেন। . ১০) সুন্দর করে দু রাকাত সালাত পড়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন। তওবা করবেন। . রমাদানের এই শেষ দশ রাতের একটা মুহূর্তকেও অপচয় করবেন না। কারন রাতটি যদি শবে ক্বদর হয়ে যায় তবে আপনি অনেক সওয়াব থেকে বঞ্চিত হবেন। আল্লাহ আমাদেরকে আমল করার তাওফিক দান করুক, আমীন ইয়া রব্বী।
❖ কোন প্রকৃতির মানুষের জন্য আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামকে হারাম করে দেন? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি হবেঃ যে সহজ-সরল ও কোমল হবে। এ বিষয়ে হাদিসে এসেছে, রাসুল (সাঃ) বলেছেন, যে সহজ-সরল ও কোমল হবে, আল্লাহ জাহান্নামকে তার জন্য হারাম করে দেবেন। (আল-জামিঃ ৬৪৮৪)

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...