Skip to main content

নামাজের সময় ছাড়া মসজিদে এসি বন্ধ রাখার অনুরোধ

 


“নামাজের সময় ছাড়া মসজিদে এসি বন্ধ রাখার অনুরোধ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর” যদিও বর্তামানে এই কথা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

...আমার জানা মতে কোন মসজিদ, নামাজের ওয়াক্ত ছাড়া এসি চালিয়ে রাখে না যেখানে ইসলামই শিক্ষা দেয় ‘অপচয়কারী শয়তানের ভাই’, সেখানে মসজিদকে এই পরামর্শ দেয়াটা নিতান্তই বোকামি পরামর্শ দিতে চাইলে অনেক যায়গা আছে সেখানে দেন; অফিসগুলোকে বলেন, তাদের প্রয়োজন ছাড়া এসি ছেড়ে না রাখতে... আমি নিজেও ভেবেছি কাল থেকে ২ ঘণ্টা এসি ছেড়ে রাখলে পরবর্তী ২ ঘণ্টা এসি বন্ধ রাখব এটা একটি ন্যাশনাল ক্রাইসিস... এখানে সবার সহযোগিতা লাগবেই সরকারি মন্ত্রী থেকে শুরু করে তার পিএস, এপিএস, পিআরও হয়ে একদম চাপরাশি পর্যন্ত রুমে রুমে এসি পরামর্শ দেন, ১০ জনকে আলাদা রুমে না বসে আপাতত কয়েকদিন কনফারেন্স টেবিলে একসাথে বসে অফিস করতে... তাহলেই তো ধাম করে প্রতি ফ্লোরে ৯ টা এসি অন্তত কমে গেলো পরামর্শ দেন, অফিস ছুটির পরে দোকানপাট/ শপিংমলগুলো খুলতে... তখন অফিসের এসিগুলো বন্ধ থাকায় শপিংমলে চাপ কম পরবে পরামর্শ দেন, দিনের বেলায় যেন স্ট্রিট ল্যাম্পগুলো না জ্বলে ... শুধু এটা করতে পারলেই তো আপনি বিদ্যুৎ ঘাটতির ৩০% তুলে নিয়ে আসতে পারবেন পুরোদেশে প্রায় লক্ষাধিক এটিএম বুথ আছে... এখানে এসি চালানোর দরকারটা কি এই ন্যাশনাল ক্রাইসিসের সময়? সাময়িক ভাবে নোটিশ দিয়ে এগুলো বন্ধো করেন গুলশানেই অন্তত শখানেক পানির ফোয়ারা আছে... এরা প্রচুর বিদ্যুৎ টানে... এদের বন্ধ করেন সাময়িক ভাবে... বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ডগুলো এভ্রি অল্টারনেট ডে তে জ্বলবে ... রাস্তার বড়বড় টিভিগুলো বন্ধ রাখেন এখন বিজ্ঞাপনদাতা হিসেবে আমি নিজেও বুঝবো আমার বিজ্ঞাপন চালিয়ে লাভ নেই কারণ বিদ্যুৎ না থাকলে আমার ফ্যাক্টরিই চলবে না... বিষয়টা না বোঝার কিছু তো নেই বিয়ে-শাদীর অনুষ্ঠানের আলোকসজ্জা, বিয়ে-শাদীতে উপস্থিত গেস্টের গাড়ির ব্যাটারি থেকে নেয়া হোক (3 idiots এর ভাইরাস ইনভার্টারের মতো) Kidding… যা বলতে চাচ্ছি তা হলো, ক্রিয়েটিভ ভাবে অনেক কিছুই করার আছে... একজন বল্লো, মসজিদে তো অনেক এসি থাকে... ওদেরকেও নোটিশে ঢুকান আর ঢুকিয়ে ফেললেন একবারও ভাবলেন না যে ৫ ওয়াক্ত মিলিয়ে ২৪ ঘন্টার মধ্যে পুরো এক ঘন্টাও হয় না জামাত এই এক্সাম্পল্টা নিয়ে ত্যানা পেচাচ্ছি কারণ, মসজিদ ইস্যু না... ইস্যু এই ন্যাশনাল ক্রাইসিস রোধে, আপনাদের মাথাটা একটু খাটানো বা, সিরিয়াসনেসের অভাবটা দেখে...... . লিখা: Arif R Hossain

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...