১. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত রক্তচাপ মাপতে হবে৷ উচ্চ রক্তচাপ থাকলে, যতো আগে সেটি নির্ণয় করা যাবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া যাবে ততোই মঙ্গলজনক। যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তাদের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে এবং ওষুধ খেয়ে রক্তচাপ ১৩০/৮০ মিমি মার্কারির নিচে রাখতে হবে। ২. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: কারও যদি ডায়াবেটিস ৩ বছরের বেশি সময় ধরে থাকে তাহলে তা স্ট্রোকের ঝুঁকি ৭৪% বাড়িয়ে দেয়। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে৷ রক্তের HbA1c ৭%-এর নিচে রাখাই লক্ষ্য। ৩. রক্তের চর্বির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ: উচ্চ কোলেস্টেরল এবং এলডিএল স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। খাবার নিয়ন্ত্রণ এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এর চিকিৎসার প্রথম ধাপ। এছাড়া ওষুধেরও প্রয়োজন হতে পারে। ৪. ধূমপান পরিহার করা: ধূমপান স্ট্রোকের ঝুঁকি ২-৪ গুণ বাড়িয়ে দেয়। ধূমপান বন্ধ করলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়। ৫. নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করা: দিনে ৩০ মিনিট এক্সারসাইজ করা, সপ্তাহে অন্তত ৩-৪ দিন। ৬. মদ্যপান পরিহার করা। ৭. ফলমূল ও শাকসবজি বেশি খাওয়া।
৮. খাবারে লবণ কম খাওয়া।
*****************************************************
যখন বাসায় ফ্রিজ ছিলোনা। মানুষের বাসায় ফ্রিজ দেখে ভাবতাম, 'ইশ! যদি আমাদের বাসায় এমন একটা ফ্রিজ থাকতো তাহলে কতই না আইসক্রিম আর ঠান্ডা পানি খেতাম।'
যখন কাছে ফোন ছিলোনা। তখন অন্যের ফোন দেখে ভাবতাম, 'ওরা কি মজা করে গেম খেলতেছে। আমার এরকম একটা ফোন থাকলে আমি সারাদিন গেম খেলতাম'। ছোটবেলায় সাইকেল ছিলোনা। অন্যের সাইকেল চালানো দেখতাম আর ভাবতাম, 'কবে যে এমন একটা সাইকেল কিনে পাবো। পাইলে সারাদিনই শুধু সাইকেল চালাবো। বাসায় সোফা ছিলোনা। মানুষের বাসায় সোফায় চড়ে লাফাতাম। আর ভাবতাম, যদি আমাদের বাসায় সোফা থাকতো তাহলে কি মজা হতো। বিছানায় আর ঘুমাতাম না, সোফাতেই ঘুমাতাম। 〰️আজ বাসায় ফ্রিজ,হাতে ফোন,নিজের সাইকেল,বাসায় সোফা সবই আছে। কিন্তু নেই শুধু সেগুলার প্রতি অতি আকর্ষণ। আমরা মানুষ ঠিক এমনি। আমাদের চাহিদার শেষ নেই। আবার চাহিদা পূরন হলে বা চাহিদার সেই দ্রব্যটা পেয়ে গেলে কিছুদিনের মধ্যেই সেটার প্রতি অতি গুরুত্ব বা আকর্ষণ কমে যায়। অর্থাৎ চাহিদার কিছু না পেলে আমরা সেটার অভাবে কেঁদে বেড়াই। আর পেয়ে গেলে কিছুদিন পর সেটার আর সঠিক গুরুত্ব দেইনা। #সংগৃহিত
Comments
Post a Comment