Skip to main content

বয়স বাড়ার সাথে সাথে...

 


বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করুন।

১) ব্লাড প্রেসার। ২) ব্লাড সুগার। তিনটি জিনিস একেবারেই ভুলে যান। ১) বয়স বাড়ছে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা, ২) অতীত নিয়ে অনুশোচনা, ৩) সবসময় দুঃখে কাতর হওয়া। চারটি জিনিস খাবার থেকে যত পারুন কমিয়ে নিন। ১) লবন, ২) চিনি, ৩) দুগ্ধ /ডিম জাতীয় খাবার, ৪) স্ট্রাচি/কার্ব জাতীয় খাবার। চারটি জিনিস খাবারে যত পারুন বাড়িয়ে নিন। ১) সব রকমের সবুজ শাক ২)সব রকম সবুজ সব্জি , সীম বা মটরশুটি ইত্যাদি ৩) ফলমূল, ৪) বাদাম। সুখে কিংবা দুখে চারটি জিনিস সবসময় সাথে রাখুন। ১) একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু, ২) নিজের পরিবার, ৩) সবসময় সুচিন্তা, ৪) একটি নিরাপদ ঘর কিংবা আশ্রয়। পাঁচটি জিনিসের চর্চা রাখুন। ১) রোজা রাখা, ২) সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা, ৩) মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা, ৪)নিয়মিত শরীর চর্চা করা, ৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। ছয়টি জিনিস এড়িয়ে চলুন। ১) কর্য, ২) লোভ, ৩) আলস্য, ৪) ঘৃণা, ৫) সময়ের অপচয়, ৬) পরচর্চা। ছয়টি জিনিস কখনোই করবেন না। ১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া, ২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে পানি পান করা, ৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া, ৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম নেয়া, ৫) একেবারে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়া

👉রাগ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ছোট একটি দারণ শিক্ষণীয় গল্প। পড়ুন উপকারে আসবে ইনশাআল্লাহ। 🤎ছোট একটি ছেলে খুব রাগী। বাবা কিছুতেই ছেলের রাগ নিয়ান্ত্রণে আনতে পারছেন না। একদিন বাবা ছেলেকে স্নেহের পরশে কাছে ডাকলেন। একটু পেরেকভর্তি ব্যাগ দিয়ে বললেন,যতবার তুমি রেগে যাবে,ততবার একটি করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে। এটি তোমার প্রতি আমার আদেশ। 🪴প্রথম দিনেই ছেলেটিকে ৩৭টি পেরেক মারতে হয়েছে। কারণ,সে এদিন ৩৭বার রেগে গিয়েছিল। ক্রমষ সে উপলব্ধি করছিল,তার রাগ অনেক বেশি-৩৭বার পেরেক মারতে হয়েছে। আরও ভাবল,কষ্ট করে পেরেক মারার চেয়ে রাগ কমিয়ে দেওয়া সহজ। ছেলেটি পেরেক মারার কষ্ট লাঘব করতে করতে রাগ নিয়ন্ত্রণে আনা শিখে গেল। ধীরে ধীরে পেরেনক মারা কমতে থাকল এবং অবশেষে একদিন তাকে আর একটি পেরেকও মারতে হলোনা। 🌹বাবা বুঝলেন, তার প্রিয় সন্তান রাগ নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এবার তিনি তাকে প্রতিদিন বাগানের বেড়ার একটি করে পেরেক তুলে ফেলতে বলতেন। বাবার আদেশ পালন করল ছেলেটি। পেরেক তুলা শেষ হয়ে গেলে তার বাবা তাকে বাগানে নিয়ে গিয়ে কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললেন- দেখ, কাঠে পেরেকের গর্তগুলো এখনো রয়েগেছে। কাঠের বেড়াটি কখনো আগের অবস্থায় আনা যাবেনা। 🌿যখন তুমি কাউকে রেগে গিয়ে কিছু বলো, তখন তার মনে ঠিকএমন একটা আঁচড় লেগে যায়-যা কখনোই আর মুছে যায়না বেটা। তাই রাগ নিয়ন্ত্রণ করতর শিখো। মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও ভয়ংকর। 🤍মহানবী হযরত মুহম্মদ (সঃ) বলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ রাগান্বিত হলে সে যেন নিরবতা অবলম্বন করে। (ইমাম বুখারি,আদাবুল মাফারাদঃ ২৪৪) 💦আল্লাহ আমাদের সবাইকে রাগ নিয়ন্ত্র করার তৌফিক দান করুন আমিন🤲🤲🤲

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...