যে প্রশ্নগুলো করা উচিত নয়! আমাদের জীবন নিয়ে সমাজের আফসোসের শেষ নেই। বিশেষ করে, বিয়ের পর পরই একটি নব দম্পতির নানা ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে তারা সন্তান কেন নিচ্ছেনা। সংসারে একজন মানুষ ঠিক কি কারণে সন্তান নিচ্ছেনা এটা আমরা জানি না। হতেই পারে সে ব্যক্তিগত জীবনে অনেক ধরনের সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অন্য একজন মানুষের পরিবারে সন্তানের প্রয়োজন আছে কিনা, সেখানে আমার বা আপনার মতামতের কোন অবকাশ নেই। কিন্তু আমাদের সমাজে কিছু না জেনেই অন্যের ব্যক্তিগত ব্যাপার নিয়ে অযাচিত প্রশ্ন করার, কথা বলার রীতি রয়েছে। কেউ গর্ভধারণ করলেও আমরা তাদের উপর নিজেদের মতামত চাপিয়ে দেই। তার ছেলে হবে নাকি মেয়ে হবে এসব নিয়ে কথা বলতে থাকি। আমরা জানি গর্ভধারণ একজন মায়ের জন্য কতটা Struggle এর সময়। জানার পরেও ঐ সময়টাতেও আমরা তাদেরকে আমাদের মতামত শুনিয়ে যাচ্ছি। এখন আপনি হয়ত আফসোস থেকে কথাগুলো বলছেন, কিন্তু আপনার এই আফসোসের কথাই হয়ত সামানের মানুষটার মনোবল ভেঙে দিচ্ছে! আপনি যদি কারো ভালো চান, তাকে বলুন সে জীবনে যা করছে, ভালো করছে। কোনো পরামর্শ লাগলে তা দিয়ে উনাকে সহায়তা করুন। আমাদের মধ্যকার এসকল মন মানসিকতা আমাদের পারিবারিক জীবনে প্রচণ্ড প্রভাব ফেলে। এখান থেকে বেড়িয়ে আসতে দরকার সঠিক দিকনির্দেশনা।
মনোযোগ বৃদ্ধিতে মাইন্ডফুলনেস!
প্রতিদিন চারপাশের নানা ধরনের Stressful Situation, সামাজিক চাপ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব সহ আরও নানান রকমের জটিলতা আমরা Face করি। তখন হয়ত কখনো কখনো আমাদের মনে হয়, সবকিছু অনেক বেশি অস্বস্তিকর, এই Negativity আর ভালো লাগছে না, এইসব কিছু থেকে যদি দূরে থাকা যেত, তাহলে ভালো হত। এছাড়াও, এই জাতীয় অবস্থা থেকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাঘাত ঘটে, কাজে মন বসতে চায় না, বার বার Unmindful হয়ে যাচ্ছি এমনও মনে হয়ে থাকে।
এই এত পরিমাণের Negativity, Stress এসব থেকে নিজেকে Protect করার জন্য আমাদের প্রয়োজন Mindfulness। মাইন্ডফুলনেস প্র্যাক্টিস করার মাধ্যমে আমাদের চিন্তা ও মনকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় খুব সহজেই। এছাড়াও, এটি বর্তমানে Grounded থাকার জন্যও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যে-কোনো জায়গা বা যে-কোনো সময়েই মাইন্ডফুলনেস প্র্যাক্টিস করা যায়।
প্রথমেই, আমাদের মাইন্ডফুলনেস প্র্যাক্টিস করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। এরপরেই চলে আসে Mindful Breathing, যেখানে আমরা আমাদের মনোযোগকে নিয়ে আসি সম্পূর্ণ আমাদের দমের দিকে। এই পর্যায়ে আমাদের নিজেদের দম বা নিশ্বাসকে Count করতে হবে। এভাবে ৩০ পর্যন্ত আমাদের নিশ্বাস গুণতে হবে। এভাবে আমরা আস্তে আস্তে ফিল করতে শুরু করবো যে আমাদের Body Tension আস্তে আস্তে Release হতে শুরু করেছে। এভাবে প্রতিদিন অনুশীলনের মাধ্যমে আমাদের পক্ষে আমাদের Daily Stress অনেকটাই কমিয়ে, কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ানো সম্ভব।
Specific Phobia থেকে মুক্তি!
Specific Phobia হল কোন নির্দিষ্ট বস্তু বা স্থানের প্রতি ভয়। এই ফোবিয়াগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যক্তির উচ্চতা, বদ্ধ জায়গা, কোন পোকা মাকড়, জীব জন্তু, ইত্যাদি যেকোনো কিছুর প্রতি ভয় কাজ করতে পারে। এখন এই Specific Phobia কখনো ভালো হয় কিনা বা এর Prognosis কেমন, তা আমাদের জানা জরুরি।
সাধারণত দেখা যায়, Specific Phobia যদি বাচ্চাকাল বা ছেলেবেলা থেকে শুরু হয়, তাহলে এই রোগটি অনেকদিন থাকতে পারে। কিন্তু, প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থাতে বা কোন Stressful Situation-এ এই রোগটি শুরু হলে এটি দ্রুত ভালো হয়ে যায়। শিশুকাল থেকে এই ফোবিয়া থেকে থাকলে অনেক সময় দেখা যায় প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার সাথে সাথে এটি অনেকাংশেই কমে যায়।
এই রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাধারণত সাইকোথেরাপি এবং Cognitive Behavioral Therapy ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আবার অনেকের মাঝে Specific Phobia-টি Trigger করলে অস্থিরতা দেখা দেয়, যার জন্য তাদের চিকিৎসায় Relaxation Therapy এবং ওষুধ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
Specific Phobia সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলা সম্ভব, তাই যদি কখনো কারো এই ফোবিয়ার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে তাদের অবশ্যই অভিজ্ঞদের শরণাপন্ন হওয়া উচিত

Comments
Post a Comment