ডিপ্রেশনের লক্ষণগুলো কী? ডিপ্রেশন এমন একটি শব্দ, যা আমরা প্রতিনিয়তই এখন শুনে থাকি এবং ব্যবহার করে থাকি। কারো ঘন ঘন মন খারাপ হচ্ছে বা কিছু ভালো লাগছে না বলেই কিন্তু সে Depression-এ আছে, এই কথা আমরা বলতে পারি না। ডিপ্রেশন Term-টি কিন্তু Sad এর প্রতিশব্দ নয়। কিছু উল্লেখযোগ্য লক্ষণ রয়েছে যা দেখে আমরা Detect করতে পারি কেউ Depression-এ আছে কি না! ✅ প্রথমত, ডিপ্রেশনে ভুগতে থাকা একজন মানুষ প্রায় প্রতিদিনই Helpless বা Hopeless Feelings নিয়ে থাকবে। তার কোন কাজের প্রতি আগ্রহ আসবে না, সবসময়েই কাজের প্রতি অনিচ্ছা থাকবে। নিজের যত রকমের পছন্দের কাজ রয়েছে, তা ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয়া। একটা সময় পরে কাজগুলো একদমই না করা হল ডিপ্রেশনের মারাত্মক লক্ষণ। ✅ দ্বিতীয়ত, কোন কারণ ছাড়াই দেহের ওজন বেড়ে যায় বা কমে যায়। কারো কারো ক্ষেত্রে খাবার খাওয়ার পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে যায়, ঘুম অনেক কমে যায় অথবা বেড়ে যায়। ✅ তৃতীয়ত, Depression এর একটি প্রধান লক্ষণ হচ্ছে অস্থিরতা। সে সারাক্ষণ অস্থির থাকে, যা দেখেও বোঝা যায় সে অবসাদ্গ্রস্থ কি না! এরা খুব সহজেই মেজাজ হারিয়ে ফেলে। এছাড়াও, তাদের কাজের গতি কমে আসে, মনোযোগ হারাতে থাকে, এই লক্ষণ গুলো কারো মাঝে পরিলক্ষিত হলেও আমরা তাদের সরাসরি Depression-এর রোগী বানিয়ে ফেলবো না, বরং তাদের সাথে কথা বলে তাদের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করবো এবং প্রয়োজন হলে অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিতে বলবো।
বিবাহ বিচ্ছেদ!
ডিভোর্স বা বিবাহ বিচ্ছেদ, এটি এমন একটি শব্দ, যেটা শোনা মাত্রই আমাদের মনে দুঃখ, বিস্ময় সহ এক ধরনের অদ্ভুত অনুভূতি তৈরি করে। সম্পর্কের বিবাহ বিচ্ছেদ একটি কষ্টকর অভিজ্ঞতা, যা উভয় পক্ষের জন্যই যথেষ্ট কঠিন। আবার আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে যদি দেখা হয়, তাহলে বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে আমাদের Negative মতামত ই বেশি থাকে। কেউ ডিভোর্স নিয়েছে শুনলে আমরা মনে অজান্তেই তাদের Judge করা শুরু করে দেই। দোষারোপ করতে থাকি।
দোষ যারই হোক না কেন, সম্পর্ক ভঙ্গ হওয়াটা একটা Trauma, যা উভয় পক্ষেরই কম বেশি হয়ে থাকে। আমাদের বুঝতে হবে, একটা সম্পর্ক শেষ হয়ে যাওয়া মানেই জীবনের শেষ নয়, এই Situation থেকে বের হয়ে সবকিছু নতুন ভাবে শুরু করা সম্ভব। তাই এই Phase থেকে বের হয়ে আসার জন্য আমাদের পরিবারের মানুষদের সাথে Communicate করতে হবে, প্রয়োজনীয় সাপোর্ট Seek করতে হবে।
সুখী দাম্পত্যের মূলমন্ত্র!
সুখী এবং সুস্থ-সুন্দর দাম্পত্য জীবনে কে না চায়? আমাদের সবারই আকাঙ্ক্ষা থাকে দাম্পত্য জীবন ঝামেলাহীন ভাবে কাটিয়ে দেয়ার। কিন্তু, তার জন্য কি কি করা উচিত তা আমরা অনেকেই হয়ত জানি না, বা বুঝতে পারি না। আমাদের ছোট ছোট ভুল আমাদের সাংসারিক জীবনে যেমন অশান্তি আনতে পারে, তেমনি আমাদের ছোট ছোট Efforts গুলো আমাদের সম্পর্ককে সুন্দর করতে পারে।
✅ সঙ্গীকে নিয়মিত Complement দেয়া বা কোন কাজের জন্য উৎসাহ দেয়া হতে পারে এই Process-টির ছোট একটি ধাপ।
✅ সম্পর্ক সুস্থ রাখতে হলে অবশ্যই একে অপরকে জানা ও বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই, মাঝে মাঝে একান্তে সময় কাটানো দরকার।
✅সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে, নিয়মিত একজন আরেকজনের সাথে Communicate করা। যেকোনো সম্পর্কে যখন Communication Gap চলে আসে, তখন তা ধীরে ধীরে ভুল বোঝাবুঝির জন্ম দেয়, এবং খুব সহজেই একটা সম্পর্ককে ভঙ্গুর করে দেয়।
তাই, যখনই কোন রকমের মতের অমিল বা বাক বিতণ্ডা হবে, তখন অবশ্যই একজন আরেকজনের সাথে কথা বলে জিনিসগুলোকে সমাধান করে নিতে হবে।
বু*লিং সমস্যায় মা-বাবার করণীয়!
বু*লিং হলো যখন কেউ বারবার এবং ইচ্ছাকৃতভাবে কারো ওপর কোন কথা বা কাজ দ্বারা তাদের দুঃখ, মানসিক চাপ এবং কষ্ট দেয়। এতে মানুষের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার ঝুঁকিও থাকে।
আমাদের বর্তমান সমাজের প্রেক্ষিতে, বু*লিং অনেক কমন একটি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। মা-বাবা হিসেবে সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে গেলেও তাদের মনে একটি শঙ্কা রয়ে যায়, যে সন্তান স্কুলে বু*লিং এর স্বীকার হচ্ছে কিনা! তারা নিরাপদ আছে কিনা! তাই, সন্তানকে কেউ বু*লি করছে কি না সেটা যেমন খেয়াল রাখা দরকার, তেমনি ছেলে-মেয়ে কেউ বু*লিং এর স্বীকার হলে তাদের কীভাবে প্যারেন্ট হিসেবে সামাল দেয়া যায়, তাও জানা জরুরি।
✅ প্রথমেই, সন্তানের সাথে বসে কথা বলতে হবে। তাদের কাছ থেকে কোনো প্রকার Judgement ছাড়াই শুনতে হবে, তাদের কে এবং কেন বু*লি করছে। এখানে সবচেয়ে Important হচ্ছে, তাদের অবস্থার সাথে নিজেদের তুলনা না করা, কারণ, তাদের শৈশবের সময় আর আমাদের শৈশবের সময় এবং Situation কোনোটাই এক না।
✅ দ্বিতীয়ত, তাদের কাছে বু*লিং এর কারণ জেনে অবশ্যই অতিরিক্ত React করা উচিত না, বরং তাদের মাথা ঠান্ডা মাথায় এই অবস্থা গুলো Handle করার শিক্ষা দিতে হবে। এছাড়াও, সন্তানকে Empowered করে দেয়া খুবই জরুরি, আত্মবিশ্বাসের সাথে কীভাবে এমন Bully করা মানুষদের সাথে Deal করতে হবে এটি তাদের শেখানো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যাতে তারা তাদের পরবর্তী জীবনে গিয়ে এ জাতীয় সকল Situation একাই সামাল দিতে পারে।
Tension ও মানসিক চাপ দূর করবো কীভাবে?
মানসিক চাপ আমাদের জীবনেরই একটি অংশ। চলতে ফিরতে জীবনের বিভিন্ন পদক্ষেপে আমরা মানসিক চাপ এবং টেনশনের সম্মুখীন হই। Constant Tension আমাদের শারীরিক ঝুঁকির কারণও হতে পারে। তাই, মানসিক চাপ বা Tension কমানোর কিছু উপায় জেনে নেয়া আমাদের জন্য খুবই জরুরি।
✔ মানসিক চাপ দূর করতে নিয়মিত ব্যায়াম বা শরীরচর্চা অত্যন্ত উপকারী। এটি আমাদের মানসিক চাপ তৈরি কারক Hormone কমাতে সাহায্য করে।
✔ Balanced Diet খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। আমাদের অনেকেরই টেনশনে খেতে ইচ্ছে হয় না বা অনেকেই না খেয়ে থাকি। এটি করলে আমাদের যেমন শারীরিক দুর্বলতা বাড়ে, তেমনি টেনশন দূর করার পদক্ষেপ গুলোও আমরা নিতে পারি না। তাই, আমাদের যত খারাপই লাগুক না কেন, অবশ্যই নিয়মিত ও পরিমিত খাবার খেতে হবে।
✔ এছাড়াও দেখা যায় অনেকে Tension বা মানসিক চাপে থাকলে অতি মাত্রায় ক্যাফেইন জাতীয় পানীয়ের উপর নির্ভর হয়ে পড়ি। এটি সাময়িক ভাবে টেনশন দূর করলেও, পরে Permanent Mental Stress-এর কারণ হিসেবে যুক্ত হয়। তাই, এই সময়টায় আমাদের যত সম্ভব বেশি বেশি চা বা কফি পান করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
✔ ঘুম যদি পরিমিত না হয়, তাহলে সেটা মানসিক চাপ বা Tension বাড়ার উপাদান হিসেবে কাজ করে, তাই আমাদের অবশ্যই প্রতিদিন কমপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।

Comments
Post a Comment