Eating Disorder আছে কি না বুঝবো কীভাবে? আমাদের বর্তমান সমাজে Eating Disorder-এ ভুগছে এমন মানুষের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এর মাঝে অনেকেই আছেন যারা হয়ত জানেই না যে তারা Eating Disorder-এ ভুগছেন। কিছু জিনিস খেয়াল করলেই আমরা বুঝতে পারবো যে কেউ Eating Disorder এর দিকে ধাবিত হচ্ছে কি না! ✅ প্রথমত, যে এই ডিসঅর্ডারে ভুগে, তার ওজন তার বয়স অনুযায়ী ঠিক থাকলেও, তার সর্বদাই মনে হতে থাকে ‘আমার ওজন বেশি, আমাকে ওজন কমাতে হবে’। এই ধারণা থেকে সে ক্যালোরি Intake কম করে এবং খাওয়ার পর Induce Vomiting করার চেষ্টা করে, অর্থাৎ জোর করে বমি করে। অনেক সময় সে অতিরিক্ত ব্যায়াম করাও শুরু করে। ✅ দ্বিতীয়ত, পরিপূর্ণ পুষ্টির অভাবে সে যে একটা Serious Condition-এ চলে যাচ্ছে, এটি সে একেবারেই বুঝতে পারে না। এছাড়াও, ওজন অনেক কমানোর পরেও তার সবসময় মনে হতে থাকবে সে মোটা হয়ে যাচ্ছে, তার ওজন বেড়ে যাচ্ছে। তার মধ্যে প্রচণ্ড ভয় কাজ করতে থাকবে এবং তার ওজন খুব দ্রুত কমতে থাকে। এই পর্যায়ে ভুক্তভোগী মানুষের পরিবারের বা আশেপাশের মানুষদের অবশ্যই প্রয়োজনীয় Step নিতে হবে এবং অবস্থা বুঝে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
OCD কেন হয় ও এর লক্ষণ কি?
OCD বা Obsessive Compulsive Disorder একটি সাইকিয়াট্রিক Disorder, এটি মস্তিষ্কে কিছু Neurotransmitter Imbalance-এর জন্য হয়ে থাকে। এছাড়াও, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যদি কেউ হঠাৎ করে কোন ধরনের Stress-এ পড়ে, তখন এই রোগ দেখা দিতে পারে। এটি অনেকের এমনিতেই হতে পারে, আবার Stressed হলে এর প্রকোপ আরও বেড়ে যেতে পারে।
OCD-তে মূলত মানুষের সর্বক্ষণ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বা কোন ধরনের কাজ নিয়ে অস্বাভাবিক রকমের Obsession কাজ করে। কিছু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার প্রবণতা অনেক বেড়ে যায়, তাদের সবসময় মনে হতে থাকে, যে তার আশেপাশের সবকিছু নোংরা হয়ে আছে, তার হাতে পায়ে ময়লা লেগে আছে। সে সারাক্ষণ হাত পা ধুতে থাকে এবং তার মধ্যে মেজাজের রুক্ষতা দেখা যায়।
এই Obesessive Compulsive Disorder-এর লক্ষণ সমূহ অনেক সময়েই রোগীর পরিবার বা আশেপাশের মানুষজন বুঝতে পারে না। যার ফলে রোগীর অবস্থার ধীরে ধীরে অবনতি হতে থাকে। তাই, কোন মানুষের মাঝে OCD-এর কোন লক্ষণ দেখা দিলে তা অগ্রাহ্য না করে অবস্থা বুঝে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
অস্থিরতা ও মনোযোগের অভাব!
ADHD বা Attention Deficit Hyperactivity Disorder সম্পর্কে আমরা বর্তমানে কম বেশি সবাই জানি। এটি আমাদের শুনে থাকা একটি Term হলেও, ADHD নিয়ে আমাদের অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা নেই।
ADHD একটি Neurodevelopmental Disorder, যার জন্য প্যারেন্টিং বা Environment দায়ী নয়। মানুষ জন্মগতভাবেই এই রোগটি নিয়ে জন্মগ্রহণ করে থাকে। এর কিছু লক্ষণ থাকে যা ছোটবেলা থেকেই প্রকাশ পায়, যেমন: তাদের মধ্যে অমনোযোগিতা থাকে, কোথাও মনোযোগ দিতে পারছে না এমন হতে থাকে।
তারা সারাক্ষণ খুব অস্থির থাকে এবং প্রচুর Energetic থাকে, যার ক্ষেত্রে অনেক মা-বাবাই বলে থাকেন, তাদের বাচ্চাদের মনে হয় কোন Off Button নেই। এছাড়াও, তাদের মধ্যে হুটহাট করে Decision নেয়ার প্রবণতা থাকে, যেখানে তারা কোন ধরনের চিন্তা করে না, তাদের ক্ষতি হচ্ছে কি না তাও চিন্তা করে না। ADHD-তে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ছোটবেলায় এই Symptoms গুলো প্রকট ভাবে দেখা দেয়।
সম্পর্কের ভাঙন!
আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে, যারা হয়ত কোন একটা সম্পর্কের ভাঙ্গন সহজে মেনে নিতে পারি না। যতই চেষ্টা করছি মানুষটাকে ভুলে থাকার, ততই তার স্মৃতি গুলো আমাদের তাড়া করে বেড়ায়। কিছু সময় পর দেখা যায় আমরা কীভাবে এই Phase থেকে বের হবো, তা বুঝতে না পেরে Depression বা Anxiety-এর সম্মুখীন হই।
তাই, Breakup বা সম্পর্কের ভাঙন থেকে বের হয়ে আসার জন্য কিছু ধাপ Follow করা যেতে পারে।
✅প্রথমত, সম্পর্কটা যে আর নেই, এই সত্যটা আমাদের মেনে নিতে হবে। কোনো সম্পর্ক স্বাভাবিক ভাবে, ঠিকভাবে চলছে না, এটি বুঝতে পারলে আমাদের অবশ্যই সম্পর্কটিকে জোর করে টিকিয়ে রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে।
✅তারপর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে, সকল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া। এটি যতই কষ্টকর হোক না কেন, নিজেকে ভালো রাখার জন্য এটি অতি প্রয়োজনীয় Step। কিছু সময়ের জন্য আমরা ওইসব জায়গাকে Avoid করতে পারি, যে জায়গাগুলো আমাদের তাদের কথা মনে করিয়ে দেয়।
✅আরেকটি উপায় হতে পারে, নিজেকে ক্ষমা করে দেয়া। আমাদের অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, যে Breakup এর পর সিদ্ধান্তটি ঠিক হল কি না! তা নিয়ে অপরাধবোধে ভুগতে থাকি। তাই, এই ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের ক্ষমা করে জীবনে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। প্রয়োজন হলে, কাছের কারো সাথে মনের কথাগুলো শেয়ার করা যেতে পারে।

Comments
Post a Comment