Skip to main content

বর্তমান সম্পর্কে অতীত চলে আসছে কি?

 


বর্তমান সম্পর্কে অতীত চলে আসছে কি?

আমাদের জীবন কিন্তু চলছে বর্তমানেই, যেখানে অতীত আমাদের জীবনের একটি অংশ। অতীতে আমাদের করা ভুলগুলো থেকে বর্তমান জীবনে শিক্ষা নিতে হয়। কিন্তু আমাদের মাঝে এমন অনেকেই আছেন যারা Present Time থেকে বার বার অতীতে ফিরে যান এবং অতীতের বিষয়গুলো বার বার তুলে এনে ঝগড়া করতে থাকেন, Blame করেন, যা অনেক সময় Domestic Violence এর দিকেও চলে যায়, এবং পরবর্তীতে সম্পর্ককে স্থায়ীভাবে নষ্ট করে দেয়। সম্পর্ক ভালো রাখাটা কোন নির্দিষ্ট একটি Gender-এর মানুষের দায়িত্ব নয়, বরং এই দায়িত্ব আমাদের সবারই, সকলেরই উচিত সম্পর্কের প্রতি যত্নশীল হওয়া। তাই আমাদের অতীত থেকে শিক্ষা নিতে হবে অবশ্যই, যাতে আগের ভুলগুলো Repeat না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে, নিজেদের মাঝে Understanding বাড়াতে হবে। মনে রাখতে হবে, আমরা কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নই। এছাড়াও, আমরা এটি নিয়ে আমাদের পার্টনারের সাথে বসে খোলাখুলি ভাবে আলোচনা করতে পারি, কীভাবে একটি সমাধানের দিকে যাওয়া যায় তা নিয়ে ঠান্ডা মাথায় কথা বলতে পারি। যদি কখনো মনে হয় এতেও কোন Solution হচ্ছে না, তখন আমরা অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নিতে পারি।

মানসিক চাপ কমাতে Relaxation! দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন সময়ে আমাদের মানসিক চাপ এবং টেনশনের মুখোমুখি হতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে তা এতই বেড়ে যায় যে, আমাদের স্বাভাবিক জীবন যাপনকেও বাঁধাগ্রস্ত করে। তখন আমাদের এই চাপকে নিয়ন্ত্রণ করার মতো কিছু পদ্ধতি জানা থাকলে, সহজেই এর সমাধান করা সম্ভব। যেমন, মানসিক চাপ দূর করার জন্য Relazation একটি বেশ উপযোগী পদ্ধতি। মানসিক চাপ কমানোর জন্য বেশ কিছু Relaxation পদ্ধতি রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে Deep Breathing, Imagery, Progressive Muscular Relaxation, Mindfulness, Meditation ইত্যাদি। এ সকল পদ্ধতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য এবং In the Moment-এ কাজে লাগানোর মতো পদ্ধতি হচ্ছে Deep Braething Method। যখন কোন পরিস্থিতিতে ব্যক্তির মনে হয় যে তার Stressed ফিল হচ্ছে বা মানসিক চাপের মধ্যে আছে, তখন নাক দিয়ে গভীর ভাবে শ্বাস নিয়ে মুখ দিয়ে শ্বাস ছাড়লে এবং এই একই কাজ কয়েকবার করলে আস্তে আস্তে Stress কমে আসে এবং মাথা ঠান্ডা করে কাজ করা সম্ভব হয়। তবে যদি কখনো এমন হয়, যে মনে হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখন অবশ্যই এখন অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া উচিত। অনেক চেষ্টার পরেও ঘুম আসছে না! Insomnia বা Insomnia Disorder অর্থাৎ নিদ্রাহীনতা বা নিদ্রাহীনতা জনিত রোগ, এটি এমন একটি সমস্যা যেখানে ব্যক্তির Unsatisfactory Quality অথবা Quantity of Sleep হতে পারে। আবার Unsatisfactory Quality or Quantity of Sleep দুটোই হতে পারে। সহজভাবে বলতে গেলে, ব্যক্তির ঘুম কম হচ্ছে, বা ঘুম হলেও ঘুমের Quality ভালো হচ্ছে না। এই অবস্থাতে কেউ কেউ বলে থাকেন, তাদের ঘুম আসতে দেরি হচ্ছে, আবার কেউ বলেন ঘুম আসলেও বার বার ঘুম ভেঙ্গে যাচ্ছে, আবার কেউ সারারাত জেগে থাকছেন এমন ও শোনা যায়। Insomnia বা নিদ্রাহীনতা এর ফলে দেখা যায় ব্যক্তি সারাদিন কাজে মনোযোগ দিতে পারছে না, মেজাজ খিটখিটে থাকছে বা সারাদিন ক্লান্তিভাব হচ্ছে। কিন্তু, এই ধরনের লক্ষণগুলোকে Insomnia বা Insomnia Disorder বলতে হলে ICD10 এবং DSM5 গাইডলাইন অনুসরণ করতে হয়। ICD10 অনুসারে, যদি একজন ব্যক্তির অন্তত প্রতি সপ্তাহে ৩ রাত টানা এক মাস যাবত ঘুম না হয়, তাহলে তাকে Insomnia বলা যেতে পারে। অপরদিকে, DSM 5 অনুসারে, যদি ব্যক্তির টানা ৩ মাস ধরে সপ্তাহে অন্তত ৩ রাত ঘুম না হয়, বা ঘুমে সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে তার Insomnia Disorder আছে বলা যায়।

সন্তানকে Discipline শিখাবো কীভাবে? এখনকার সময়ে প্রায় সব মা-বাবাদেরই অভিযোগ থাকে যে তাদের বাচ্চা কথা শুনতে চাচ্ছে না, দিন দিন বেয়াদবি বেড়ে যাচ্ছে, যা বলছে, তা শুনছে না। কি করলে তারা মা-বাবার কথা শুনবে এটা অনেকেরই প্রশ্ন। যেভাবে করে কথা বললে বাচ্চারা আমাদের কথা শুনবে সেভাবে কি আমরা বলতে পারছি? বাচ্চাদের কথা মানানোর জন্য প্রথম প্রয়োজন বাচ্চাকে কাছে এনে আদর করে, Eye Contact করে তার সাথে কথা বলা। এছাড়াও, বাচ্চাকে নিজের Eye Level-এ এনে, তাকে ধীরে সুস্থে নিজের কথা বোঝানো, আপনি তার কাছে কি চান তা তাকে বলতে পারেন। বাচ্চার সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে Communication-এর মাধ্যমটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কি ভাষা ব্যবহার করছি, কি Expression দিয়ে তাদের সাথে কথা বলছি, আমাদের Body Language কি থাকছে সেটাও অনেক জরুরি। সুন্দর ভাষা ব্যবহার করে কথা বললে অনেক ক্ষেত্রেই বাচ্চারা কথা শুনে এবং বুঝার চেষ্টা করে থাকে। অন্যদিকে, আমরা যেহেতু বাচ্চাকে Correct করতে চাচ্ছি, সেক্ষেত্রে আগে আমাদের তাদের সাথে Properly Connect করা প্রয়োজন। বাচ্চার সাথে তার লেভেলে গিয়ে Connect করতে পারলে, বাচ্চাদের সহজেই বুঝে উঠা সম্ভব, এবং তাদের কোন কথা বললে তারা সহজে মেনেও নিতে পারে।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...