গুয়াতানামোর কারাগারে আমার আন্ডারে ছিল ৭৮০ জন বন্দি, পৃথিবীর ৬ টা দেশ থেকে... তাদের মধ্যে সবচেয়ে ছোটর বয়স ১২ আর সবচেয়ে বড়োর বয়স ৭৭...তাদের মধ্যে যেটা কমন ছিল তা হল তারা শুধু বলেছিল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ.... দেখা হয়নি তাদের মধ্যে কে সালাফি কে হানাফি... শুধু দেখা হয়েছিল মুসলমান কিনা.... তারা ছিল সিম্পলি মুসলিম। আমাদের ট্রেনিং ছিল অসম্পূর্ণ। এই কারাগারে আসার আগে আমাদেরকে এই কারাগার সম্বন্ধে সম্পূর্ণ ধারণা দেওয়া হয়নি। কিন্তু আমাদের সেই অসম্পূর্ণ ট্রেনিং সম্পূর্ণ করে দিয়েছিল কারাগারের মুসলিম বন্দীরা, নিজেরাই.... আর এর কারণ হলো আমরা যদি কোন কিছু ভুল করতাম তাহলে তার দোষটা পড়তো বন্দীর উপর। কোন রক্ষী যদি হ্যান্ডকাপস পড়াতে কোন প্রকার ভুল করত... তাহলে দোষী হলো সেই বন্দি... আমাদের যে কোন ভুলের জন্য দায়ী শুধুমাত্র বন্দীরা....এর অর্থ হল সেই বন্দি জেল থেকে পালাবার প্রচেষ্টা করছিল.... ধরে নেয়া হতো যে সেই বন্দি জেল থেকে পালিয়ে সমুদ্র দিয়ে সাঁতারে আফগানিস্তান পৌঁছে যাবে... আর এর যে ফলাফল কি ভয়ানক! সাথে সাথেই কয়েকজন মানুষ তার ওপর ঝাপিয়ে পড়তো, তাকে মাটির সাথে ভয়ানক ভাবে চেপে ধরা হতো, আর এই কাজ করতে গিয়ে তার কয়েকটা হাড় ভেঙে যেত... তারপর তাকে হাত পা মাথা এক কাছে করে বেঁধে দেয়া হতো... ভয়ানক শক্তভাবে... আর এভাবেই তাকে কয়েক ঘণ্টা সিমেন্টের উপর ফেলে রাখা হতো যতক্ষণ না সে শান্ত হয়..... আর এজন্যই আমাদের কে তারা নিজেদের স্বার্থে সমস্ত কাজ শিখিয়ে দিয়েছিল যে কিভাবে তাদেরকে শাস্তি দিতে হবে.... আমি এই চাপটা আর নিতে পারছিলাম না.... পৃথিবীর কোন মানুষ ঘুম থেকে উঠে এ কথা ভাবে না যে আজ একজন মানুষকে আমি টর্চার করব.... আমিও একজন মানুষ ছিলাম.... সারা সারা রাত ঘুমাতে পারতাম না.... দুঃস্বপ্ন দেখতাম..... ঘুমের মধ্যে কয়েদিদের আর্তনাদ শুনতে পেতাম.... চমকে উঠে বসে পড়তাম.... এই যন্ত্রণা, এই কষ্ট ভুলে থাকার জন্য এক বোতল ভদকা..... শুরু হলো বন্দিদের যন্ত্রণাকে ভুলে থাকার জন্য ভদকা চিকিৎসা.... বোতলের সংখ্যা বাড়তে থাকল..... শেষে একটা পর্যায়ে আত্মহত্যা করার কথা ভাবলাম..... যখন আমার হায়ার অথরিটিকে চিকিৎসার জন্য বললাম তারা আমাকে বলল যে তোমাকে আমরা হারাতে পারিনা, তুমি আরো এক বোতল মদ বাড়িয়ে দাও.... আমি সারা জীবন ছিলাম একজন এথেইস্ট..... আমি ভাবতাম গড হলেন সবচেয়ে বড় কিলার.... পৃথিবীতে যত সংখ্যায় মানুষ ধর্মের নামে মারা পড়েছে তার সংখ্যাটা পৃথিবীর অন্যান্য সমস্ত যুদ্ধের যৌথ সংখ্যার থেকেও বেশি..... কিন্তু এত যন্ত্রণার মাঝেও এই মানুষগুলো রাতে উঠে নামাজ পড়ে! জানতে হবে.... কি জিনিস তাদেরকে এত নৈরাশ্যের মাঝেও আশা জুগিয়ে যাচ্ছে! গুয়াতানামোর কারাগারে মুসলিম বন্দীদের তীব্র যন্ত্রণার এক উপাখ্যান... যে উপাখ্যান আমাকে শেষ পর্যন্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে দিল। আমি কেন ইসলাম গ্রহণ করলাম- Terry Holdbrooks (USA) সম্পূর্ণ ভিডিওটা বাংলায় দেখতে লিঙ্ক- Whitebeard Official https://youtu.be/r0i6_coT76M
গুয়াতানামোর কারাগারে আমার আন্ডারে ছিল ৭৮০ জন বন্দি, পৃথিবীর ৬ টা দেশ থেকে... তাদের মধ্যে সবচেয়ে ছোটর বয়স ১২ আর সবচেয়ে বড়োর বয়স ৭৭...তাদের মধ্যে যেটা কমন ছিল তা হল তারা শুধু বলেছিল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ.... দেখা হয়নি তাদের মধ্যে কে সালাফি কে হানাফি... শুধু দেখা হয়েছিল মুসলমান কিনা.... তারা ছিল সিম্পলি মুসলিম। আমাদের ট্রেনিং ছিল অসম্পূর্ণ। এই কারাগারে আসার আগে আমাদেরকে এই কারাগার সম্বন্ধে সম্পূর্ণ ধারণা দেওয়া হয়নি। কিন্তু আমাদের সেই অসম্পূর্ণ ট্রেনিং সম্পূর্ণ করে দিয়েছিল কারাগারের মুসলিম বন্দীরা, নিজেরাই.... আর এর কারণ হলো আমরা যদি কোন কিছু ভুল করতাম তাহলে তার দোষটা পড়তো বন্দীর উপর। কোন রক্ষী যদি হ্যান্ডকাপস পড়াতে কোন প্রকার ভুল করত... তাহলে দোষী হলো সেই বন্দি... আমাদের যে কোন ভুলের জন্য দায়ী শুধুমাত্র বন্দীরা....এর অর্থ হল সেই বন্দি জেল থেকে পালাবার প্রচেষ্টা করছিল.... ধরে নেয়া হতো যে সেই বন্দি জেল থেকে পালিয়ে সমুদ্র দিয়ে সাঁতারে আফগানিস্তান পৌঁছে যাবে... আর এর যে ফলাফল কি ভয়ানক! সাথে সাথেই কয়েকজন মানুষ তার ওপর ঝাপিয়ে পড়তো, তাকে মাটির সাথে ভয়ানক ভাবে চেপে ধরা হতো, আর এই কাজ করতে গিয়ে তার কয়েকটা হাড় ভেঙে যেত... তারপর তাকে হাত পা মাথা এক কাছে করে বেঁধে দেয়া হতো... ভয়ানক শক্তভাবে... আর এভাবেই তাকে কয়েক ঘণ্টা সিমেন্টের উপর ফেলে রাখা হতো যতক্ষণ না সে শান্ত হয়..... আর এজন্যই আমাদের কে তারা নিজেদের স্বার্থে সমস্ত কাজ শিখিয়ে দিয়েছিল যে কিভাবে তাদেরকে শাস্তি দিতে হবে.... আমি এই চাপটা আর নিতে পারছিলাম না.... পৃথিবীর কোন মানুষ ঘুম থেকে উঠে এ কথা ভাবে না যে আজ একজন মানুষকে আমি টর্চার করব.... আমিও একজন মানুষ ছিলাম.... সারা সারা রাত ঘুমাতে পারতাম না.... দুঃস্বপ্ন দেখতাম..... ঘুমের মধ্যে কয়েদিদের আর্তনাদ শুনতে পেতাম.... চমকে উঠে বসে পড়তাম.... এই যন্ত্রণা, এই কষ্ট ভুলে থাকার জন্য এক বোতল ভদকা..... শুরু হলো বন্দিদের যন্ত্রণাকে ভুলে থাকার জন্য ভদকা চিকিৎসা.... বোতলের সংখ্যা বাড়তে থাকল..... শেষে একটা পর্যায়ে আত্মহত্যা করার কথা ভাবলাম..... যখন আমার হায়ার অথরিটিকে চিকিৎসার জন্য বললাম তারা আমাকে বলল যে তোমাকে আমরা হারাতে পারিনা, তুমি আরো এক বোতল মদ বাড়িয়ে দাও.... আমি সারা জীবন ছিলাম একজন এথেইস্ট..... আমি ভাবতাম গড হলেন সবচেয়ে বড় কিলার.... পৃথিবীতে যত সংখ্যায় মানুষ ধর্মের নামে মারা পড়েছে তার সংখ্যাটা পৃথিবীর অন্যান্য সমস্ত যুদ্ধের যৌথ সংখ্যার থেকেও বেশি..... কিন্তু এত যন্ত্রণার মাঝেও এই মানুষগুলো রাতে উঠে নামাজ পড়ে! জানতে হবে.... কি জিনিস তাদেরকে এত নৈরাশ্যের মাঝেও আশা জুগিয়ে যাচ্ছে! গুয়াতানামোর কারাগারে মুসলিম বন্দীদের তীব্র যন্ত্রণার এক উপাখ্যান... যে উপাখ্যান আমাকে শেষ পর্যন্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে দিল। আমি কেন ইসলাম গ্রহণ করলাম- Terry Holdbrooks (USA) সম্পূর্ণ ভিডিওটা বাংলায় দেখতে লিঙ্ক- Whitebeard Official https://youtu.be/r0i6_coT76M

Comments
Post a Comment