Skip to main content

এই ভোগান্তির কি কোন শেষ নেই !!

 


এই ভোগান্তির কি কোন শেষ নেই !!

আজ ০২/০২/২৪ মদিনা থেকে ঢাকা সৌদি Airlines Flight no. SV 798, ভোর পাঁচটায় ঢাকা অবতরন করার কথা, আলহামদুলিল্লাহ্ ১৫ মিনিট আগেই বিমান ল্যান্ড করলো, এবং ১৫ মিনিটের ভেতরেই Immigration পার হয়ে চলে গেলাম পাঁচ নম্বর বেল্টে যেখানে লাগেজের জন্য অনন্ত অপেক্ষা, সৌভাগ্যক্রমে একজন Immigration Officer নাম বদুরুজ্জামান আমার সাথে নিজ উদ্যোগে সাহায্য করতে এলেন, লাগেজ আসতে অনেক দেরী হচ্ছিলো তাই আবার Immigration এর ভেতরে অজু করে ফজরের সালাত আদায় করতে সাহায্য করলেন বদুরুজ্জামান ভাই। এরপর প্রায় দুই ঘন্টা অপেক্ষা করার পর বেল্ট বন্ধ হলো, অনেকেই লাগেজ পান নাই, আমিও না পাওয়াদের দলে, আমরা জানতেই পারলাম না যে লাগেজ আসে নাই, আমরা অপেক্ষা করেই যাচ্ছি সবাই ওমরাহ্ করে এসেছেন সাথে বাচ্চারা আছে অনেক বয়স্করাও আছেন, আমরা অপেক্ষা করেই যাচ্ছি। এরপর যখন দেরী হওয়ার কারন জানতে চাওয়া হল তখন জানা গেলো লাগেজ আর আসবে না, অনেকে জমজমের পানির জন্য অপেক্ষা করেছিলেন পানিও আসে নাই সবচেয়ে বড় কথা হলো এগুলো যে আসবে না সে বিষয়ে কেউ কিছু আমাদের বলে নাই, অসংগতি গুলো নীচে দেয়া হলোঃ 1. অনেকে লাগেজ পেয়েছেন এবং দুই ঘন্টা ধরে বসে আছেন পানি সবার শেষে আসবে, পানি যে আসবে না এটা কেউ জানাতে পারতেন, কিন্তু কেউ সে দায়িত্ব পালন করেন নাই তো ওনারা দুই ঘন্টা পর জানতে পারলেন যে পানি আসে নাই, 2. বাকী লাগেজ যে আসবে না এটাও আমাদের জানানো হয়নি, জানতে পারলে আমরা আগেই কি করতে হবে করনীয় জেনে চলে আসতে পারতাম দুই ঘন্টা ওখানে দাঁড়িয়ে থাকতাম না, 3. যখন শেষ পর্যন্ত জানলাম পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে কিভাবে লাগেজ পাবো এর পূর্বে এই বিষয়ে কেউ ব্রিফ করা তো দুরের কথা একজন Immigration officer নিজে উপস্হিত থেকেও যে হয়রানীর স্বীকার হতে হলো সাধারন মানুষের অবস্হা একটু বিবেচনা করুন, 4. চারটা ৪৫ মিনিটে বিমান থেকে নেমে ৭ টায় বের হলাম লাগেজ ছাড়া, জমজমের পানির কথা ছেড়েই দিলাম, আমি না হয় ঢাকায় আছি, যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে আছেন তাদের কথা ভাবুন একবার, 5. আমাদের লাগেজ কোন বিমানে আসবে কবে আসবে এই ব্যাপারে এখনও পরিস্কার কোন Information দেয়া হয় নাই, অথচ, যদি প্রথমেই সবাইকে জানিয়ে দেয়া হতো আপনাদের লাগেজ আসবে না পানিও আসবে না, পরবর্তীতে কি করনীয় বুঝিয়ে দেয়া হত তাহলে এতটা হয়রানীর স্বীকার কারোই হতে হত না, আপনারা যারা মদিনা থেকে ঢাকা আসবেন দয়া করে Hand লাগেজে গুরুত্বপূর্ন সকল জিনিস সাথে নিয়ে আসবেন, মুল লাগেজ কবে পাবেন বলা যায় না, আর লাগেজ বেল্টে থাকা অবস্হায় যারা লাগেজের দায়িত্বে আছে তাদের খুঁজে বের করে সঠিক তথ্য নেবার চেস্টা করবেন, আমি যখন জিজ্ঞাসা করলাম আপনারা আমাদের জানাতে পারতেন, ওনার ডাহা মিথ্যা কথা বললেন যে ওনারা নাকি ঘোষণা করেছেন, সেটা শুনে অবশ্য উপস্হিত সবাই চরম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অবস্হা মারমারি পর্যন্ত গড়াবার উপক্রম, আমি জানি না এখানে আসলে সংশ্লিষ্ট কারা এই হয়রানির জন্য দায়ী , আপনারা যদি এটা শেয়ার করে উপযুক্ত দায়িত্বশীলদের কাছে বিষয়টি পৌঁছান তাহলে হয়তো এটার কোন সমাধান হতেও পারে। - ডাক্টার জাহাঙ্গীর কবির

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...