এটাকি সাপোর্ট? নাকি গোলামির চুক্তি? যুদ্ধ বিরতির পর ইউক্রেনকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য জেলেনস্কির সামনে একটা খসড়া চুক্তিপত্র তুলে ধরেছে আমেরিকা। তাকে চাপ দিয়েছিল সেই চুক্তিপত্রে সই করতে কিন্তু জেলেনস্কি সেটা করে নি। সে বলেছে ইউরোপ এবং ব্রিটেনের অনুমতি না নিয়ে সে ওখানে স্বাক্ষর করবে না। ফলে ইউক্রেন, ইউরোপ এবং ব্রিটেনের উপর চরম খেপেছে আমেরিকা। গত সপ্তাহে ইউরোপীয় নেতাদের শাসাতে ট্রাম্প তার এ টীমকে পাঠিয়েছিলেন ইউরোপে। তারাও মনের মাধুরী মিশিয়ে শাসিয়েছে ইউরোপীয় নেতাদের। প্রশ্ন হচ্ছে, কি ছিল সেই চুক্তিতে। সেই খসড়া চুক্তিটি ফাঁস করে ইন্টারনেট জগতে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। খুব সম্ভবত ইউক্রেনের পক্ষ থেকে করা হয়েছে এটি। (আমার টেলিগ্রাম চ্যানেলে সেই খসড়া চুক্তিটি শেয়ার করেছি) (টেলিগ্রাম চ্যানেলের লিঙ্ক প্রথম কমেন্টে) পুরোটা পড়লে আপনার অবচেতন মনেই বলে উঠবেন, টাম্প কামডা করলো কি?এটা তো ইউক্রেনকে ৫২ তম অঙ্গরাজ্য বানানোর নকশা! - আমেরিকা ইউক্রেনকে নিরাপত্তার বিপরীতে ইউক্রেনের যত খনিজ সম্পদ, তেল-গ্যাস এবং বাণিজ্যিক বন্দর আছে সেগুলোর ইনকামের ৫০% আমেরিকাকে দিতে হবে। - ইউক্রেনের এই সব ক্ষেত্রে নতুন যত লাইসেন্স দেয়া হবে সেগুলোর অগ্রাধিকার পাবে আমেরিকা। আমেরিকা যদি (মনে করে এগুলো লাভজনক না এবং) চুক্তি না করে তাহলে অন্যদেরকে অফার করতে পারবে ইউক্রেন। - আমেরিকার কাছে মাসিক আয় ব্যয়ের হিসাব দিতে হবে। এই আয় ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষণের জন্য একজন স্বাধীন (আমেরিকাপন্থি) অডিটর নিয়োগ দেয়া হবে যার বেতন দিবে ইউক্রেন। - ইউক্রেন যদি এই অর্থনৈতিক বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে ওই সব সম্পদ আমেরিকা পুরোপুরি দখল করতে পারবে। - এই চুক্তিটিকে একটি বাণিজ্যিক চুক্তি হিসেবে ধরা হবে। - চুক্তির কোন মেয়াদ থাকবে না। জেলেনস্কিঃ তাহলে এটা তো ইউক্রেনকে আমেরিকার হাতে তুলে দেয়া। আমি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারবো না। আর এতেই খেপেছে ট্রাম্পের টীম । (খুব সম্ভবত সৌদি আরবের সাথে "পেট্রোডলার" চুক্তিটাও এই টাইপের একটা চুক্তি ছিলো)
sorwar alam

Comments
Post a Comment