২০২১ সালে আইইএলটিএস পরীক্ষা দিয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার, ২০২২ সালে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ এ। ২০২৩-২৪ সালের কোনো ডাটা আমি খুঁজে পাই নাই এখনও। তবে সংখ্যাটা যে অনেক বেড়েছে তা নিশ্চিত।
যাহোক, জনপ্রতি ২০ হাজার টাকা টেস্ট ফি হলে ২০২২ সালে বৃটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশে স্রেফ আইইএলটিএস টেস্ট নিয়ে আয় করেছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা!
শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার হলেও আমাদের মত দেশে কুশিক্ষা সস্তা হলেও সুশিক্ষা অত্যন্ত এক্সপেন্সিভ।
ধরা যাক, আইইএলটিএস এক কিসিমের সুশিক্ষাই। তাহলে বাস্তবতা হল দেশের ছাত্র সমাজের একটি বড় অংশই এই সুশিক্ষা বঞ্চিত! বিশেষত গ্রামীণ ও নিম্নবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা এই আইইএলটিএস বৈষম্যের শিকার!
অবশ্য সর্কার আর শিক্ষা মন্ত্রণালয় চাইলেই কিন্তু খুব সহজে এই সমস্যার একটি বৈষম্য বিরোধী সমাধান করে ফেলতে পারে; যাস্ট একটু প্রো একটিভ আর ইনোভেটিভ হইতে হবে আরকি।
🎯বৃটিশ কাউন্সিল কে বলতে হবে যে, এখন থেকে এসএসসি পরীক্ষার সময় ফোর্থ সাব্জেক্ট হিসেবে বাংলাদেশের সব কলেজ ছাত্রছাত্রী যার যার কলেজে আইইএলটিএস টেস্ট দিয়ে ফেলবে।
🎯বৃটিশ কাউন্সিল কলেজ টিচারদের সহায়তায় নেক্সট ২ বছরের মধ্যে এই সেটাপ রেডি করবে।
🎯এই টেস্টে যেসব ছাত্রছাত্রী পাশ করবে, তাদের প্রত্যেকের জন্য চুক্তি অনুযায়ী সর্কারের কাছ থেকে একটা ফি পাবে বৃটিশ কাউন্সিল।
সর্কার এই ব্যাপারে কি উদ্যোগ নেবে?
নাকি ছাত্রদেরই এগিয়ে আসতে হবে?
আপনার কি মত?" collected
Comments
Post a Comment