Skip to main content

সিপি গ্যাং


 আওয়ামী লীগের একটা অনলাইন গালিবাজ গ্রুপ ছিলো। নাম সিপি গ্যাং। হাসিনার উপ প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকনের নেতৃত্বে এই গালিবাজ বাহিনী তৈরি হইছিলো। এরা আওয়ামী বলয়ে থাকা বামদের ব্যাপারে ছিলো খড়্গহস্ত। আমি তখনো সিপিবি করি। কিছু লিখলেই পোষ্টে কুৎসিত গালির বহর নিয়া ঝাপায়ে পড়তো।

রেহনুমা আহমেদ এইটা নিয়া একটা বই লিখছিলেন সিপি গ্যাং-এর বেশ্যা ব্যানার নামে। আওয়ামী স্যেকুলার ন্যারেটিভের আশেপাশে যারা ছিলো তাদের আওয়ামী লীগ সম্পর্কে তীব্র বিরাগ আর বিতৃষ্ণা তৈরি করার পিছনে এই সিপি গ্যাং এর একটা ভুমিকা আছে। এই সিপি গ্যাং সলিড এবং কৌর আওয়ামী লীগারদেরকেও ছাড়তো না। অমি পিয়ালকে পর্যন্ত মাফ চাওয়াইতে বাধ্য করছিলো। রাজনীতিতে হুদাই শত্রুতা বাড়াইতে নাই। তাও ব্যক্তির সাথে। এই সিপি গ্যাং রাজনৈতিক দলের সাথে ব্যক্তির শত্রুতা তৈরি করেছিলো। এটাই ছিলো ফ্যাসিবাদের ভ্রুণ। ফ্যাসিবাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমন, বিরুদ্ধ মতের প্রতি সহিংস ও অপপ্রচারমূলক আচরণ, এবং বিরোধীদের হুমকি দিয়ে চুপ করানোর কৌশল। সিপি গ্যাং-এর কার্যক্রমকে এই প্রেক্ষাপটে ফ্যাসিবাদী কৌশলের সাথে তুলনা করা যায়। ফ্যাসিবাদ ও সিপি গ্যাং-এর কার্যক্রমের মিল: 1. গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের দমন: ফ্যাসিবাদী শাসন সাধারণত মিডিয়া ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিরুদ্ধ মত দমন করে। একইভাবে সিপি গ্যাং ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে গালিবাজি ও অপপ্রচার চালিয়ে তাদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করত। 2. বিরোধীদের চরিত্র হনন ও অপমান: ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী ব্যক্তিগত আক্রমণ ও নোংরা অপপ্রচার চালিয়ে বিরোধীদের মানসিকভাবে ভেঙে ফেলতে চায়। রেহনুমা আহমেদের বই "সিপি গ্যাং-এর বেশ্যা ব্যানার" সেইটার জ্বলন্ত প্রমাণ। 3. নিজেদের আদর্শের বাইরে কাউকে সহ্য না করা: ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠীগুলো কেবল তাদের আদর্শের অনুসারীদের স্বীকৃতি দেয়, বাকিদের রাষ্ট্র বা জাতির শত্রু হিসেবে তুলে ধরে। সিপি গ্যাং সলিড আওয়ামী লীগারদেরও ছাড় দেয়নি। ৪. ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা: ফ্যাসিবাদী শক্তিরা সমালোচকদের ভীতি প্রদর্শন করে আত্মসমর্পণে বাধ্য করে। অমি পিয়ালকে মাফ চাইতে বাধ্য করা— এটি সেই ফ্যাসিবাদী কৌশলেরই উদাহরণ, যেখানে মানুষকে ভয়ে মাথা নিচু করতে বাধ্য করা হয়। ৫. ব্যক্তিগত শত্রুতা ও দলীয় আদর্শের মধ্যে পার্থক্য মুছে দেওয়া: ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যক্তিগতভাবে শত্রু খুঁজে বের করে এবং সেটাকে দলীয় শত্রুতে পরিণত করে। সিপি গ্যাং রাজনৈতিক দলের সাথে ব্যক্তির শত্রুতা তৈরি করেছিলো, যা অহেতুক শত্রুতা বাড়িয়েছে। সিপি গ্যাং এর সাথে ফ্যাসিস্ট যুবগোষ্ঠীর Blackshirts, Brownshirts মতো বিরোধীদের সামাজিকভাবে হেয় করা, শারীরিক ও মানসিকভাবে আক্রমণ করা, এবং দলীয় অনুগতদেরও কঠোর অনুশাসনে রাখত। সিপি গ্যাং-কে একটি আধুনিক ডিজিটাল ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠী হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায়, যারা অনলাইন দুনিয়ায় বিরুদ্ধ মতকে নির্মুল করতে কাজ করেছে।

আজ আমাদের দেখতে হচ্ছে, সেই সিপি গ্যাং এর প্রেতাত্মা বিএনপির উপরে ভর করেছে। তারা বিন্দুমাত্র সমালোচনা নিতে পারতেছে না, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই। আল্লাহ জানে ক্ষমতায় গেলে এরা ডাবল সিপি গ্যাং বানাবে কিনা। by pinaki bhat..

========================================================

আপনারা প্রনোধনা বাড়ালেন ২.৫% মানে প্রবাসীরা একলাখ টাকা পাঠাইলে ২৫০০টাকা পাবে।

একজন প্রবাসী এভারেজে মাসে ৩০ হাজার করে পাঠালে ১২ মাসে হয় ৩ লাখ ৬০ হাজার ২ বছরে ৭লাখ ২0 হাজার। তার মানে দাড়ালো 2 বছরে প্রনোধনা পাবে ১৭/১৮ হাজার। আর ৪০ হাজার টাকার টিকেট এক লাখ টাকা বিক্রি করলে আপনারা পাবেন ৬০হাজার। মানে কৈ এর তৈল দিয়ে কৈই ভাজা??? একদিকে ১৭/১৮হাজার দিবেন, অন্য দিকে বিমানের টিকেট গলায় রশি লাগাইয়া ৬০হাজার নিবেন, সুন্দর মাস্টার প্লেন। এই সব মাস্টার প্লেন বাদ দেন। বিমানবন্দর, বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, পাসপোর্ট অফিস, বিএমইটি, মেডিকেল সেন্টার গুলো সব সেনাবাহিনী কে দিয়ে দেন। প্রনোধনার দরকার নাই আমরা চাই সেবা।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...