Skip to main content

ফ্যাসিবাদ নিয়ে গবেষণা

 


আওয়ামী লীগকে যদি কেউ এখন প্রস্তাব দেয় যে, "ড. ইউনুসকে হটিয়ে জামায়াতকে ক্ষমতায় বসানো হবে, তোমরা রাজী"? আওয়ামী লীগ আলহামদুলিল্লাহ পড়ে তৎক্ষনাৎ রাজী হয়ে যাবে। আর বিএনপি হলে তো কথাই নেই। নাচতে নাচতে রাজী হয়ে প্রস্তাবকারীর হাতে চুমু খাবে।

আওয়ামী লীগের আসল যম হলেন ড. ইউনূস। শুনুন, কেন সেটা বলছি। জামায়াত বা বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীকে হয়তো পুলিশ দিয়ে বা দলের কর্মীদের দিয়ে ঠেঙ্গাতে পারবে, ভয়ভীতি দেখাতে পারবে। বিচারও কিছু হবে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সেগুলোকে পলিটিক্যালি ক্যাশ করবে। সবকিছুকে তারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে চালাবে, বিশ্বের মানুষকে খাওয়ানোর চেষ্টা করবে। কিন্তু ড. ইউনূস আওয়ামী লীগকে শুধু পলিটিক্যালি না, একাডেমিক্যালি খেয়ে ফেলবেন। ড. ইউনূস যতদিন আছেন, সারাবিশ্বের সরকারগুলো জানবে আওয়ামী লীগ কোনো পলিটিক্যাল পার্টি না, এইটা একটা ফ্যাসিজম। সবাই এটাকে তুলনা করবে হিটলার মুসোলিনির সাথে। ইউনিভার্সিটিগুলোতে বাংলাদেশের এই ফ্যাসিবাদ নিয়ে গবেষণা হবে। এই গণহত্যা নিয়ে গবেষণা হবে। ড. ইউনূস অলরেডি বিশ্বের বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিগুলোকে আহবান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের এই ফ্যাসিবাদ নিয়ে গবেষণার জন্য। হয়তো জার্নালে এরকম আর্টিকেল লেখা হবে: "Level of cruelty: A comparative study between Hasina & Hitler...!!!" ড. ইউনূস একাডেমিকালি আওয়ামী লীগকে যে গর্তে নিয়ে ফেলবেন, সেইখান থেকে তাদের আর বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে না। ড. ইউনূস যতদিন আছেন, পৃথিবীর কোথাও আওয়ামী লীগের পক্ষে কারো কথা বলারও সুযোগ হবেনা। ড. ইউনূসের একটা স্টেটমেন্টে তাদের লাখ লাখ ডলারের লবিং ব্যর্থ হয়ে যাবে। ড. ইউনূস নিজেই একটা বিরাট ঢাল। আয়রন ডোম। আওয়ামী লীগের বেচে থাকার একমাত্র উপায়, যত তাড়াতাড়ি পারা যায় ড. ইউনূসকে বিদায় করে বিএনপি বা জামায়াতকে ক্ষমতায় বসানো!!! এজন্যেই তাদেরকে এখন বিএনপি জামায়াত কারো বিরুদ্ধে অতটা সোচ্চার দেখা যায় না, যতটা তারা ইউনূসের ব্যাপারে উচ্চকণ্ঠ!! মাঝে মাঝে তো বিএনপির সাথে একমত হতেও দেখা যায়!! এই হিসাবে আওয়ামী লীগ কৌশলগত ভাবে সঠিক পথেই আছে collected

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...