ধানমন্ডি ৩২ নাম্বার না ভাঙতে পারলে আজ গাজীপুরে এই শক্তিটা ছাত্ররা দেখাইতে পারতো না। সুশীলতার রাজনীতি ৬ মাস চলেছে। কী হয়েছে, আমরা দেখেছি। এইবার রাজপথের রাজনীতিই চলুক। সুশীলতার রাজনীতি তো আওয়ামীলীগ ছাত্রলীগকে জেলে ঢুকাইতে পারলো না। ঐটা রাজপথ থেকেই করতে হলো। ভবিষ্যতেও ছাত্র জনতার মাঠ ছাড়া চলবে না। জামায়াতের আমির বলেছেন, যত গালিই খান না কেন, উনি নাকি কেয়ার করেন না। এই সাদা দাড়ি বেশের অকর্মাদের পাল্লাতে পড়া যাবে না। এই লোকটাই কিন্তু সবার আগে আওয়ামীলীগকে ক্ষমা করে দিয়েছিলো। আওয়ামীলীগকে বারবার ফ্যাসিস্ট বলতে নিষেধ করেছিলো। এখন আবার বলতেছে, গালি খাইলেও কেয়ার করেন না। আরে ভাই, আপনারা এতোই কেয়ার যদি করতেন, তাহলে ৪৭ এ মানুষের বিরুদ্ধে যাইতেন না। জনগণের কেয়ারই যদি করতেন, ৭১ এ পাকিস্তানের পক্ষ নিতেন না। জনগণকে ড্যাম কেয়ার করে, মানুষকে ছোট করে নিজেকে সুপিরিয়র ভাবার কারণেই তো ইতিহাসের প্রায় সব পয়েন্টে আপনাদের অবস্থান মানুষের বিরূদ্ধে। এখন আবার সুশীলতা করে মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতেছেন। নাহিদ ইসলাম আজকে যা বলেছেন, এইটা ছাত্র জনতাকে মাথায় রাখতে হবে। আন্দোলনের সময় কোন বুড়ো এসে বলে নাই যে বাবা তোমরা ছোট, তোমরা বুঝো কম, তোমারা প্রাণ দিও না, আমরা দিই। প্রাণ দেওয়ার সময় তরুনদের প্রাণই দিতে হয়েছে। আর ৫ আগস্টের পর থেকে একেকজন হয়েছে জাতির নতুন আব্বা। গৌতম বুদ্ধ। এদের ফাঁদে পা দিয়েন না। ধানমন্ডি ৩২ আর গাজীপুর থেকে অপারেশন ডেভিল হান্ট আদায় করে নেওয়া ছাত্র জনতার অভূতপূর্ব বিজয়। এই বিজয়ের ধারা ধরে রাখতে হলে রাজপথ দখল করে থাকতে হবে। আওয়ামীলীগকে এক ইঞ্চি জায়গাও ছেড়ে দেওয়া যাবে না। এসব বুইড়া ভামদের কথা শুনে আওয়ামীলীগকে ছেড়ে দিলে ওরা আমাকে আপনাকে কী করবে, সেইটা ওরা গাজীপুরে কাল দেখাইছে। ওদের কথায় কান দিয়েন না। সূশীলতা করে শেখ হাসিনাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলে কুসুম কুসুম আন্দোলন করা প্রজন্ম আমরা না। আমরা সেই প্রজন্ম, যেই প্রজন্ম কোন সুশীলতা না করেই, শেখ হাসিনা স্বৈরাচার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড় স্লোগান দিয়েছি। আমাদের রাজনীতিও ঐ স্লোগানের মতোই বোল্ড হতে হবে। ওতে কোন মুরব্বি মন খারাপ করলো আর কে রাগ হলো, সেই হিসেব না করলেও চলবে। জনগণের ভাষায় কথা বললে সুশীলরা কষ্ট পায়। বাট জনগণের ভাষায় কথা বললে সুশীলদের আর লাগেও না, বরং জনগণই আপনার রাজনীতির জন্য যথেষ্ট হয়ে যায়। নতুন দলের সামনে এখন চয়েজ দুইটা। আপনারা সুশীলদের ভাষায় কথা বলে রাজপথ ছেড়ে দিয়ে সুশীল ভেড়া হবেন নাকি জনগণের সাথে মাঠে থেকে জনগণের রাজনীতির ধারক হবেন, সেই ডিসিশনটা আপনাদেরকেই নিতে হবে। ~সাদিকুর রহমান খান

Comments
Post a Comment