জীবন জুড়েই আমাদের চেষ্টা থাকে প্রচুর আমল করার।
কিন্তু আমরা অনেকেই খুব বেশি আমল করতে পারিনা।
তখন আমরা হীনমন্যতায় ভুগি।
যারা অনেক ধার্মিক মানুষ তাদের আমলের পরিমাণ দেখে আমরা হতাশ হই।
যারা অনেক বেশি নামাজ রোজা করতে পারেন না,তারা কিন্তু অন্যভাবেও আমল করতে পারেন।
প্রথম যে কাজটা করতে পারেন সেটা হল গুনা থেকে বেঁচে থাকা। আপনি মিথ্যা কম বলুন, গীবত কম করুন - এটাও একটা বিশাল ইবাদত।
প্রতিদিন আপনি কিছু দান করতে পারেন।
অসুস্থ মানুষকে দেখতে যেতে পারেন।
আপনি কন্টিনিউয়াস জিকির করতে পারেন।
আপনার যদি অনেক রাগ থাকে তাহলে সে রাগ সংবরণ করতে পারেন।
আপনি যদি শিক্ষক হন তাহলে ছাত্রদের আরো ভালো করে পড়াতে পারেন।
আপনি যদি ডাক্তার হন, রোগীদের প্রতি আন্তরিকতার বৃদ্ধি করে আপনি কাজটি করতে পারেন।
এই প্রতিটা জিনিসই ইবাদত।
কিয়ামতের দিনে একেক জন মানুষ একেক ধরনের আমল নিয়ে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে।
আমরা মানুষ হিসেবে সবাই এক ধরনের আমল করতে পারি না।
কেউ নামাজ বেশি পড়ে, কেউ দান বেশি করে, কেউ গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে, কেউ ধর্মের পথে যুদ্ধ করে।
প্রত্যেকের অবদানই আল্লাহর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
তাই কখনো হীনমন্যতায় ভুগবেন না।
যে আমল করাটা আপনার জন্য সহজ সেটা বারবার করার চেষ্টা করবেন। আর আল্লাহর ক্ষমা অনুগ্রহ করবেন।
যেগুলো আমাদের জন্য একেবারে ফরজ চেষ্টা করবেন সেগুলো বাদ না দিতে।
যেমন আপনার ইচ্ছা করুক বা না করুক, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আপনাকে পড়তেই হবে। রোজার ৩০ টা রোজা আপনাকে রাখতে হবে।
হয়তো আপনার সুন্নত নামাজ পড়তে অতো ভালো লাগেনা। এজন্য মন খারাপ করবেন না। হয়তো আপনার কোরআন পড়তে ভালো লাগে, আপনি কোরআন বেশি বেশি পড়ুন।
আপনার হয়তো রোজা রাখতে কষ্ট হয় তাই আপনি নফল রোজা রাখেন না, মন খারাপ করবেন না।
আপনার হয়তো মানুষকে সাহায্য করতে ভালো লাগে, আপনি আল্লাহর নামে প্রচুর দান সদকা করুন।
আমাদের সবার আমূল এক হবে না।
আমাদের আল্লাহর প্রতি আশা এবং ভয় থাকতে হবে যে তিনি আমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন।
আল্লাহ যেন আমাদের সবার সহায় হোন।
DR KUSHal
Comments
Post a Comment