Skip to main content

প্রো-আমেরিকান

 



অনেকে ভাবছেন হঠাৎ করেই আমি প্রো-আমেরিকান হয়ে গেছি। নাহ রে ভাই, বিষয়টা এমন না। ৫ অগাস্টের পর আমি চূড়ান্ত আশাবাদী ছিলাম যে আমাদের দেশের রাজনীতি থেকে দিল্লির আধিপত্যবাদী দালালী কার্যকরভাবে নির্মুল হয়ে যাবে! লীগ না থাকা মানে রাম্বাম ভেড়ার পালের শাহবাগী বাম দল গুলো বিলীন হয়ে যাবে। রাজনীতিতে দিল্লির দালালী করার জন্য শক্তিশালী কেউ থাকবে না। কিন্তু সময় যায় আর দেখি বিএনপি দিল্লির স্বার্থের সাথে নিজেদের উৎপ্রোতভাবে জড়িয়ে ফেলেছে। কসম বলছি এটা উপলব্ধি করে আমি সত্যিই ভীত! জিয়া পরিবারকে চূড়ান্ত নির /যাতন করা হয়েছে যে ডান্ডিয়ার নির্দেশে, যে বিএনপির লাখো নেতাকর্মীদের মামলা হা মলার মাধ্যমে চতুস্পদ প্রাণীর মতো ১৭ টা বছর দমন করা হয়েছে সেই বিএনপিই দিল্লির বীণে নাগিন ড্যান্স দিচ্ছে৷ ডান্ডিয়ার রাষ্ট্রীয় অপমান অপদস্ত করার বিরুদ্ধে জনমানুষের আত্মসম্মানবোধের বিপরীতে গিয়ে দাড়িয়েছে তারা! প্রতিনিয়ত কাংলু, ভিখারি, মোল্লা বলে গা/ লি দেয়া দেশটির স্বার্থের সাথে নিজেদের ইন্টিগ্রেট করে ফেলেছে! অথচ হাজার হাজার প্রমাণ আছে যে ডান্ডিয়া কোনদিন মুসলিমদের প্রতি ন্যুনতম সহনশীল নয়, অসংখ্য প্রমাণ আছে যে দিল্লির প্রধান নীতি উপমহাদেশের মুসলিমদের উপর গণ/ হ/ tta চালানো! দিল্লি ওপেনলি আমাদের ভেংগে ফেলার হুমকি দেয়। সেই দিল্লির কোলে বিনা দ্বিধায় লাফ দিয়ে উঠে বসলো বিএনপি!? বিএনপি নিজেদের যদি দিল্লির স্বার্থে বিলিয়ে দেয় তাহলেই কি ডান্ডিয়ান আগ্রাসন থেমে যাবে? দিল্লি ভালো হয়ে যাবে!? আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কই তাহলে? কে বাচাবে?


। এখন আবার অনেকে না বুঝে লাফ দিয়ে উঠছে কারণ যারা বুঝে এদের মাঝে এমন কিছু ধুরন্ধর দালাল আছে যারা করিডোর ইস্যুকে দিল্লীর স্বার্থে যায় এমন ন্যারেটিভের রঙ মাখিয়ে প্রচার করছে। করিডোরের উদ্দেশ্য বার্মা ভাঙ্গা। বার্মা ভাঙবেই। সেটা ঠেকানোর মুরোদ জেনারেল ওয়াকারের নেই। তবে বার্মা ভাঙলে কপাল পুড়বে ডান্ডিয়ার, জেনারেল ওয়াকার ডান্ডিয়ার সেই ভেইল্ড ইন্ট্রেস্ট সার্ভ করছেন। ইতিহাস একদিন প্রমাণ করবে আমার কথা সত্য কি মিথ্যা! আমি কি ভুল না সঠিক। এখন সময় অ্যামেরিকাকে বুঝিয়ে আমাদের ফ্যাভরে রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিছিন্নতাবাদ দমনে রাখা। নেংটিরা কোনোদিন আমাদের ভালো চায়নি, এখন হঠাৎ আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে গেলো? যাইহোক, বার্মা ভাঙবে। মণিপুর-মিজোরামে ভাঙন ধরবে। আমরা যদি এর বিপরীতে অবস্থান করি তবে আমাদের চট্টগ্রামও ভাঙবে। বিপরীতে যাওয়ার দায় শোধাতে হবে। এরকম ১০০ জেনারেলের মুরোদ নেই তা ঠেকায়।

এক্সারসাইজ "কোপ সাউথ", "টাইগার লাইটনিং", "কারাট" ইত্যাদি নামে বাংলাদেশ-আমেরিকা যৌথ সামরিক মহড়া চলে আসছে সেই ২০০৭/৮ সাল থেকে। এসব এক্সারসাইজ অনুষ্ঠিত হয় মূলত কক্সে'সবাজার, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, সাভার, কুমিল্লা, সিলেট এবং দুয়েকবার যশোর ও উত্তরবঙ্গে! এবছরের "টাইগার লাইটনিং" এক্সারসাইজকে বিএনপি, ডান্ডিয়ান দালাল গোষ্ঠী এবং একদল গাড়ল জোব্বা প্রচার করছে উল্টো করে যে আমেরিকা সেইন্ট মার্টিন্স দখল করে নিতে এসেছে! আরেহ বলদের্বলদ, আমেরিকা যদি সেইন্ট মার্টিন্স নিতেই চায় তাহলে চিল্লায়ে কাজ হবেনা। ওয়াশিংটনকে বুঝিয়ে শুনিয়ে তা ঠেকাতে হবে। রাশিয়া বা চায়না কেউ আসবে না আমাদের বাঁচাতে। সুদি আরবও বলবে না "ওহে আম্রিকা, বাংলাদেশ আমার ছোটভাই, মুসলিম দেশ। ও কে ছেড়ে দাও'! আমেরিকা ইজ হেয়ার টু স্টে ফর আ হোয়াইল। দিল্লীর পা চাটাচাটি বাদ দিয়ে জেনারেল ওয়াকারের উচিৎ ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ থেকে এমন স্টেপ নেয়া যাতে বাংলাদেশের ক্ষতি না হয়। কিন্তু সে দিল্লীর অখণ্ডতা রক্ষার জন্য তিড়িং বিরিং করছেন। নিজের পাছার নিচের চেয়ারটা তো হারাবেনই সেইসাথে বাংলাদেশ পিছন দিয়েও বাঁশ ঢুকিয়ে যাবেন। কারণ যেই পড়েছে দিল্লীর ফাঁদে, সেই গিয়েছে ইবলিশের আন্ডুর তলায়। by startan force/youtube


বাঙালি (মুসলমান) জাতি নিজেদের জীবিত করতে চাইলে আল্লাহ তাদের জীবনের প্রদীপ দান করবেন আর তারা যদি নিজেদের মৃত্যুর হাওয়ালা করে দেয় তবে আল্লাহ তাদেরকে মৃত্যু দিয়ে ঢেকে দিবেন। কোনো ব্যক্তির সাথে অথবা কোনো জাতির সাথে এটাই আল্লাহর কানুন_______সুতরাং বাঙালি জাতির জীবন অথবা তাদের মৃত্যুর ফায়সালা নির্ধারণ করা হবে তাদের কর্ম প্রচেষ্টাকে সামনে রেখে। তবে এ সবকিছুই হবে পরীক্ষার নীতিকে সামনে রেখে। বাংলাদেশের মানুষকে আগামী নির্বাচনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা কার সঙ্গে থাকবে ?

collected

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...