Skip to main content

সচিবালয়ের দুর্নীতিবাজ শয়তানদের উচ্ছেদ

 


সরকার যদি সচিবালয়ের কাছে হাইরা যায়, তাহলে বিপ্লবী ছাত্র জনতার ওয়েট করা উচিত হবে না।

মাথায় রাখতে হবে, সচিবালয়ই হাসিনাকে হাসিনা বানানোর মূল কারিগর। সচিবালয়কে অক্ষত রেখে কোন সংস্কার কাজ করবে না। ইভেন ইউনূসও যদি ৫ বছরের জন্য থাকতো, এরা ইউনূসকেও হাসিনা বানাইতো। নেক্সটে যে আসবে, তাকেও হাসিনাই বানাবে। সচিবালয়ের এই সিন্ডিকেট ভাঙাই জুলাই এর সবচে বড় দাবি। ইউনূস সরকার পারলে ভালো, সাহস করে করুক। সরকারের প্রোটেকশন ছাত্র জনতা দেবে। আর যদি সরকার শেষপর্যন্ত সচিবালয়ের কাছে নতি স্বীকার করে,ছাত্র জনতার উচিত সচিবালয় দখলে নিয়ে অসম্পূর্ণ বিপ্লব সম্পূর্ণ করা। অনেক ছাত্র নেতারাই এটা নিয়ে কথা বলছেন। তবে শুধু কথায় সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। আপনারা ডাক দেন, সাধারণ মানুষ সচিবালয়ের দুর্নীতিবাজ শয়তানদের উচ্ছেদ করতে আপনাদের ডাকের অপেক্ষাতেই আছে।

২০০০ মানুষকে চোখের সামনে খুন করা হয়েছে। সচিবালয়ে কোন বিক্ষোভ হইছে? হয় নাই। আর এখন হাসিনার করা আইন বাতিল করতে চাইছে, শুরু হয়ে গেছে আন্দোলন, মিছিল। অথচ ইউনূস কোন নতুন আইন করতেছেন না। জিয়াউর রহমানের করা আইনে ফেরত যাচ্ছেন মাত্র। কতবড় শয়তান হলে মানুষ মারার সময় চুপ থেকে, ঘুষ খাওয়া আর দুর্নীতির পক্ষে মিছিল করে, সমাবেশ করে, চিন্তা করেন। আওয়ামীলীগ এমনি এমনি যায় নাই। আওয়ামীলীগকে সরাতে ফুল স্কেল ভায়োলেন্স লেগেছে। কারণ শয়তানরা শান্তিপূর্ণ সমাধান বোঝে না। শান্তিই বুঝলে ওরা তো মানুষ হতো, শয়তান হতো না। তাই সচিবালয় নামক শয়তানের কারখানাটাও পরাজয় এমনি এমনি মানবে না। মানাতে হবে। এদের উপর শক্তি প্রয়োগের কোন বিকল্প নাই। যারাই আন্দোলন করতেছে, সবাইকে, আই রিপিট সবাইকে বরখাস্ত করেন। আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া নেতা গোছের আমলাদের দুর্নীতির ফাইল খুলে দ্রুত জেলে নেন। ৯৯% এর ফাইলেই কোন না কোন দুর্নীতি পাওয়া যাবে বলেই বিশ্বাস করি। যদি ১০ হাজার কর্মচারী বরখাস্ত করতে হয়, করে দেন। বাংলাদেশে কয়েক কোটি বেকার আছে। স্পেশাল বিসিএসের বোর্ড বসাইয়া একদিনে এমসিকিউ, আরেকদিনে ভাইবা নিয়ে এক সপ্তাহে নতুন পোলাপাইন নিয়োগ দেন। নিয়োগের শর্ত: দুর্নীতি বিরোধী আইন মানতে হবে। নতুন প্রজন্মের পোলাপাইন এই আইন মেনেই চাকরিতে ঢুকবে। একটা ছেলে বা মেয়েও আপত্তি করবে না বলেই বিলিভ করি। তুলুতুলু আন্দোলন করলে আওয়ামীলীগ যাইতো না, হাসিনাও যাইতো না। বরং আমাদের খাইয়া দিতো। সচিবালয়ও বাংলাদেশটাকে গত ৫৩ বছর ধরে খাইতেছে, খাইয়া খাইয়া দেশটাকে শেষ করে দিছে। এবার এই রক্তচোষাদের হাত থেকে আমাদের রেহাই দেন। রক্তচোষাদের বিরুদ্ধে যে কোন কঠোর সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ সরকারের পাশে থাকবে বলেই বিশ্বাস করি।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...