Skip to main content

নয়েস ক্যান্সেলেশন

 


যেই সময় ঢাল তলোয়ার আবিষ্কার হয়ে গেছে সেই সময় কেউ খালি হাতে যুদ্ধে যায় নাই। অছচ এই ঢাল তলোয়ার অকার্যকর হয়ে গেছে যখন আগ্নেয়াস্ত্র আসে। বর্তমানে কি কোন দেশের আর্মিকে দেখেন ঢাল তলোয়ার বানাচ্ছে? প্রশ্নই উঠে না।

কামান, মিসাইল, বিমান যখন আসলো তখন হাতে বহনযোগ্য অস্ত্রের গুরুত্ব কমে আসে। অবশ্যই এগুলো এখন অচল হয়ে যায় নাই তীর ধনুকের মতন তবে আগের মতন গেম চেঞ্জার না। এটাই হচ্ছে প্রযুক্তির সাথে সময়ের পরিবর্তন। আপনি আপনার জজবা থেকে ভাবতেই পারেন চেতনা দিয়ে বন্ধু রাষ্ট্রকে পরাজিত করে দিবেন। কিন্তু বাস্তবে সাহাবীরা তাদের যুগের শ্রেষ্ঠ অস্ত্র বহন করেছিলেন। তারা কোনদিন বলেন নাই যে আমাদের যেহেতু সঠিক চেতনা আছে আমরা খালি হাতে নেমে পড়ি। বাকিটা আল্লাহ দেখবে। কিন্তু স্বাধীনতার পরে গত পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশ ডিজেল ইঞ্জিন পর্যন্ত বানাতে পারে নাই। যুদ্ধ ক্ষেত্রে আপনার বাহন কি ঘোড়ায় টানবে? কিংবা ধরুন আপনার উপর কেউ তেল নিষেধাজ্ঞা দিলো। আপনার এনার্জি সিকিউরিটি কই? ঝগড়া, রাজনীতি আর চেতনাবাজি করে কি প্রগতি অর্জিত হয়? পঞ্চাশ বছরে আমাদের ন্যাশনাল সিকিউরিটি আর প্রযুক্তিতে অর্জন কোথায়? কি করেছি এতো বছর? পৃথিবীতে কোন রাষ্ট্র বা গোষ্ঠী আছে যে আমার আমাকে যুদ্ধক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারবে। একজনের নাম বলতে পারবেন?
--------------------------------------------------------------------------

বাংলাদেশ ব্যবসা করা জন্য ভালো জায়গা। এই দেশে অসংখ্য মানুষ নীরবে একেবারে জিরো থেকে তার জীবনকালে হাজার কোটি টাকা বানিয়ে ফেলেছেন। আমার নিজের চেনা বহু মানুষ আছে যারা সামান্য কিছু টাকা পকেটে ঢাকা এসে ২০ বছর পরে শত কোটি টাকার মালিক হয়ে গ্রামে ফিরেছেন। হালাল ব্যবসা করে। মজার ব্যাপার হচ্ছে এই দেশের সবচেয়ে বড় কোম্পানি আর ধনী ব্যক্তিদের আপনি চিনেনও না। উদাহরণস্বরূপ আপনি হয়তো রিদিশা নামটা শুনেন নাই। হটাত করে শুনলে মনে হবে এইটা কোন মডেলের নাম। কিন্তু এই গ্রুপের কি পরিমাণ টাকা আপনি জানেনও না। বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনী সফটওয়ার কোম্পানি গুলোর টাকার পরিমাণ শুনলে অবাক হবেন কিন্তু বিশ্বাস করেন আপনি হয়তো অর্ধেকের নামও শুনেন নাই কোনদিন। আমি নিজেও নতুন নতুন নাম শুনি আর টাকার পরিমাণ দেখলে চমকে যাই। এই দেশে থেকে অনেক ধনী হওয়া সম্ভব। এমনকি এক প্রজন্মের মধ্যেই। তাই আজেবাজে টপিক নিয়ে ব্যস্ত না থেকে টাকা বানানোর দিকে মন দিন। সমাজে ও পরিবারে একজন সফল ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করুন। আর যদি আমার মতন টাকার তুলনায় জ্ঞানের দিকে আগ্রহ থাকে বেশী। নীরবে সেই কাজ করে যান তারপরে নতুন করে বিশ্বকে কিছু দেওয়ার চেষ্টা করুন, আপনার লিগ্যাসি তৈরি করুন। হাতি আর ঘোড়া নিজেদের মধ্যে মারামারি করুক। তাতে আপনার কোন লাভ ক্ষতি নেই। সেই খেলা দেখে সময় নষ্ট না করে নীরবে নিজের কাজ করে যান। জীবন থেকে নয়েস ক্যান্সেলেশন করে একজন সফল ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে মনোযোগ দিন।

M patwary

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...