একটি নতুন জিনিস জানতে পারলাম ড্রাইভার বিহীন গাড়িতে মাত্র দুইটি দেশ চতুর্থ স্তরে পৌঁছাতে পেরেছে। চতুর্থ স্তর কি তা ব্যাখ্যা করা যাক। স্তর ০ কোনো স্বয়ংক্রিয়তা নয়। সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চালকের হাতে। স্তর ১ গাড়ির একটি ফাংশন যেমন: ক্রুজ কন্ট্রোল বা ব্রেকিং স্বয়ংক্রিয়ভাবে হতে পারে। স্তর ২ স্টিয়ারিং ও গতি নিয়ন্ত্রণ একসাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হতে পারে। স্তর ৩ গাড়ি নিজেই চালাতে পারে, তবে চালককে প্রস্তুত থাকতে হবে হস্তক্ষেপের জন্য। স্তর ৪ গাড়ি পুরোপুরি নিজে চালাতে পারে, চালক প্রয়োজন নেই। দেশ দুটির নাম হচ্ছে আমেরিকা এবং চীন। এদের মধ্যে উভয়ে চতুর্থ স্তরে বানিজ্যিক ভাবে ব্যবহার শুরু করেছে। অর্থাৎ আপনি ট্যাক্সি নিয়ে নিজের পছন্দের জায়গায় পৌঁছে যাবেন কোন ড্রাইভার ছাড়া। শেষ প্রশ্ন। কোন দেশ এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছে? উত্তর শুনে অবাক হবেন যে চীন খানিকটা এগিয়ে আছে এখন পর্যন্ত চালক বিহীন প্রযুক্তিতে।
আজ থেকে প্রায় চল্লিশ বছর আগে আমরা নসিমন বানানো শুরু করি। কিন্তু আজ পর্যন্ত নসিমন যেমন ছিল তেমন আছে। অথচ চল্লিশ বছর আগের ভারতীয় মোটর সাইকেলের সাথে বর্তমানের তুলনা করুন। বিশ বছর আগের চায়না ফোনের সাথে এখনকার গুলো তুলনা করুন।
এগুলো তো বড় দেশ। ১৯৮৫ দিকে ভিয়েতনামের আমাদের মতই নসিমন পর্যায়ের অবস্থা ছিল। কিন্তু ২০১৭ সালে তারা নিজস্ব একটি গাড়ির কোম্পানি দিয়েছে যার ইন্টার্নাল কম্বাসশন ইঞ্জিন তারা তৈরি করেছে। কেবল তাই না। বর্তমানে ev বানাচ্ছে।
আমাদের নসিমন কেন পরিবর্তিত হলো না?
এর কোন উত্তর আপনার জানা আছে?
সভ্যতার কি এমন চাবি তাদের আছে যেইটা আমাদের নেই? এই যে আমরা গার্মেন্টস ও টেক্সটাইলে বিশ্ব সেরা একটি রাষ্ট্র। এই পুরো সেক্টরের কোন মেশিন আমরা বানাতে পারি না। বর্তমানে বাংলাদেশ সুতা থেকে শুরু করে ফিনিশ প্রোডাক্ট পর্যন্ত সম্পূর্ণ নিজেরা বানাচ্ছে। কিন্তু একটা সুই থেকে শুরু করে ট্রাকের টায়ার পর্যন্ত সব বিদেশী।
আমাদের ব্যবসা অনেক উন্নত হয়েছে অনেক, কিন্তু নিজস্ব প্রযুক্তিতে না। নিজেদের প্রযুক্তি বলতে তেমন কিছুই নেই আমাদের। M PATWARY

Comments
Post a Comment