Skip to main content

বিএনপি কেন মেধাবী দক্ষ ও চৌকস নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে বাদ দিতে চায় ?

 


বিএনপি কেন ড. খলিলুর রহমানের মতো একজন মেধাবী দক্ষ ও চৌকস নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে বাদ দিতে চায়। যোগ্যতার বিচারে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের একমাত্র উপদেষ্টা যার যোগ্যতা সকল উপদেষ্টার চেয়েও বেশি।

ড.খলিলুর রহমানের উপর বিএনপি ও ওয়াকার কেন এতো ক্ষিপ্ত,? কারণ : ১. ভারত শত চেষ্টা করেও আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু নির্যাতনের কার্ড খেলে মানবাধিকার লংঘনের প্রশ্ন তুলে বাংলাদেশের উপর পশ্চিমা বিশ্বের নিষেধাজ্ঞা ও সরাসরি আক্রমণের যে চেষ্টা করেছিল তাতে সফল হতে পারেনি শুধু মাত্র ড.খলিলুর রহমানের চৌকস পদক্ষেপ ও ড. ইউনূসের ইমেজের কারণে। ফলে পশ্চিমা দুনিয়ায় ভারত অসহায় হয়ে পরে,এতে করে ভারত ও ভারতের নিয়োগকৃত লবিস্টদের অন্যতম প্রধান শত্রুতে পরিনত হয় ড.খলিলুর রহমান। ২। বাংলাদেশের তিন দিকে ভারত, ভারত ছাড়া উল্লেখ করার মতো কোন শত্রু বাংলাদেশের নাই। অথচ বাংলাদেশ আর্মির অধিকাংশ ট্রাক ভারত থেকে কিনতো । শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ ভারত থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য যুদ্ধ জাহাজও কিনতো। আরও আছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসাররা যুদ্ধ প্রশিক্ষণও নেয় ভারত থেকে। অবাক হবেন অনেক রকম যুদ্ধাস্ত্র সরঞ্জামও কিনতো ভারত থেকে। নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড৷ খলিলুর রহমানের প্রশ্ন আপনি ভারত থেকে অস্ত্র কিনেন কি কারনে? প্রশিক্ষণ নেন কি কারণে? কার সাথে যুদ্ধ করার জন্য ? ভারত ছাড়া আমাদের কি আর কোন শত্রু আছে? আপনি ভারত থেকে যেই ট্রাক, যেই নৌযান,ও যুদ্ধাস্ত্র কিনেছেন সেগুলোতে ভারত গোপন ট্রেকার না বসিয়েই কি আপনাকে দিয়েছে ? আপনি এটা নিশ্চিত হলেন কি করে? যখন ভারতের সাথে বাংলাদেশের যুদ্ধ বাঁধবে তখন এসব কিছু ফেলে পালাতে হবে নিশ্চিত। কারন এগুলোতে যদি গোপন ট্রেকার লাগানো থাকে এগুলো ধ্বংস করতে ভারতের এক মূহুর্ত সময় লাগবে না। তাই ড.খলিলুর রহমান ভারত থেকে কিনতে চাওয়া আরও যে ক্রয় আদেশগুলো ছিল তা সব বাতিল করেছে। এতে করে সব মিলিয়ে ভারতের প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে, সর্বশেষ গত বুধবার ২৫৫ কোটি টাকার একটা ক্রয় আদেশ বাতিল করেছে বাংলাদেশ। এতে জ্বলছে ভারত, তাই জ্বলছে ভারতের সুবিধা ভোগী সেবাদাস ওয়াকার আর তার সাথে জ্বলছে ভারতের নব্য দালাল বিএনপি। তাই ড. খলিলুর রহমানকে বিতর্কিত করার জন্য ড. খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা চালাচ্ছে বিএনপি ও ভারতের হ্যানি টেপে ফেঁসে যাওয়া ওয়াকার। বিএনপি ও ওয়াকার অভিযোগ করছে ড. খলিলুর রহমান আরাকান আর্মিকে করিডর দিচ্ছে। ড. খলিলুর রহমান দৈত নাগরিক অর্থাৎ বিদেশি নাগরিক। সে বাংলাদেশকে বিদেশিদের হতে তুলে দিচ্ছে। এবং বিএনপি এতটাই ক্ষিপ্ত যে ড. খলিলুর রহমানের পদত্যাগ চাচ্ছে। এবং ওয়াকার তার এখতিয়ারের বাহিরে গিয়ে বেয়াদবের মতো ড. ইউনূসকে হুমকি দিচ্ছে।ডিসেম্বরে মধ্যে নির্বাচন চাচ্ছে। করিডর নিয়ে মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা চালাচ্ছে । আর মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়ে দিতে সাথে নিয়েছে ভারতের নব্য দালাল বিএনপিকে। বিএনপি ও ওয়াকারকে বলতে চাই, যদি আপনাদের অভিযোগ গুলো সত্যি হয়, তবে আপনাদের উচিত জনসমক্ষে প্রমাণ হাজির করা, সালাউদ্দিন আহমেদ ও ওয়াকার যে মিথ্যা অভিযোগ ও প্রপাগাণ্ডা চালাচ্ছেন তার প্রমাণ কোথায়.? প্রমাণ দেন, আপনারা যে সত্য বলছেন তার প্রমাণ কোথায়? এটা ইন্টারনেটের যুগ মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা চালিয়ে জনগণকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানানোর দিন শেষ। মিয়ানমারের অংশ কেটে আরাকান আর্মিকে নতুন দেশ স্বাধীন করার ইন্দোন বা করিডর, যদি ড. খলিলুর রহমান দিতো তবে সবার আগে প্রকাশ্যে জাতিসংঘে নালিশ দিতো মিয়ানমার ও চীন। তারা কেন চুপ, আর ভারতের দালালরা কেন এতো সরব।


Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...