Skip to main content

দুর্নীতি করার সুযোগ বহাল না করে...

 


১৮ লাখ সরকারি কর্মচারী এক হইছে। বইলা দিছে দুর্নীতি করার সুযোগ বহাল না করে ওরা ঘরে ফিরবে না।

কোন সংস্কার মানা হবে না। ওদিকে ব্যবসায়ীরা শুরু করছে আরেক মিথ্যাচার। প্রথমে দাবি করেছে, ইউনূস সরকার নাকি গ্যাস দিতেছে না। তো আজ সকালে ইউনূস একেবারে ডাটা দিয়ে দেখাইছে যে গত বছরের তুলনায় এই বছর ২২% গ্যাস বেশি সাপ্লাই দেওয়া হয়েছে। এইবার শুরু করেছে নতুন নাটক। ভোলা থেকে দেশের বিরাট অংশের গ্যাস আসে। ঐখানে গতকাল থেকে অবরোধ শুরু করেছে যাতে গ্যাস ঢাকায় আসতে না পারে। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতেছে এক রাজনৈতিক দলের এক নেতা। তো ঘটনা যা দাড়াইলো, দুর্নীতিবাজ আমলারা এক হয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান অচল করে দিছে। বাটপার ব্যবসায়ীরা এক হয়ে মিথ্যা কথা বলতেছে যাতে সংস্কার না করা যায়। সিন্ডিকেটবাজি করে আমার আপনার রক্ত চুষবে। ওদিকে রাজনৈতিক ধান্দাবাজের দল টাকার বিনিময়ে গুন্ডামি করে গ্যাস অফ করে দিছে। সবকিছু অফ করে টরে এখন রাজনৈতিক দলের নেতারা বলবে, ইউনূস ব্যর্থ। ইউনূস কিছু পারে না। দেশ আমাদের হাতেই নিরাপদ। অথচ ইউনূস যাতে না পারে, তার সমস্ত বন্দোবস্ত উনাদেরই করা। কারণ ইউনূস সফল হলে প্রমাণ হবে যে গত ৫৩ বছরে দেশটাকে কারা খুবলে খুবলে খেয়ে ফেলেছে। তাই ইউনূসকে ব্যর্থ করে দেওয়ার জন্য দেশের সমস্ত সিন্ডিকেট এক হয়ে গেছে। আমরা এক বছর আগেও ভাবতাম, আমাদের দেশে সবাই বাইরে চলে যায় কেন? মেধাবীরা কেন দেশ গড়তে আসে না? এই প্রশ্নের উত্তর ইউনূসের আজকের পরিস্থিতির মধ্যেই খুঁজে পাবেন। দেশের সবচে মেধাবী মানুষদের মধ্যে একজন দেশ চালাতে আসলো। এরপর সহযোগিতা তো দূরের কথা, বাটপার ব্যবসায়ী, ধান্দাবাজ রাজনীতিবিদ আর দুর্নীতিবাজ আমলারা এক হয়ে এই লোকটার সামনে প্রাচীর হয়ে দাঁড়াইয়া গেল। এখন সংস্কার তো দূরের কথা, উনার জান নিয়ে মেয়াদ শেষ করতে পারবেন কি না, আমার সন্দেহ আছে। এবার বলেন, এই দেশে ভদ্র, শিক্ষিত আর মেধাবী মানুষেরা এরপরেও কেন দেশের জন্য কাজ করতে আসবেন?

📢 সচিবালয়ে বিক্ষোভকারীদের দমন করুন, ছাত্রজনতার সাথে যোগ দিন নাহলে তার মাশুল দিবেন আপনারাই (জনগন)! অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা ধরে রাখতে হাসিনা একটি আইন করেছিলো। সেই আইনের মূলমন্ত্র হলো একজন সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারী (পিয়ন থেকে সচিব পর্যন্ত) অপরাধই করুক না কেন তার নামে মামলা করতে হলে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের অনুমতি লাগবে (যে অনুমতি কোন অধিদপ্তরই দিবেনা)। যদিও কোনভাবে মামলা করা যায়, অপরাধও প্রমাণিত হয়ে যায় তবুও কোন সরকারী চাকুরীজীবীর চাকরি যাবেনা। মানে একজন সরকারী চাকুরীজীবী যা ইচ্ছে তাই করতে পারবে, তার অপরাধের কোন বিচার নেই। এই আইনের মাধ্যমে সরকারী চাকুরেদের সব কিছু করার ক্ষমতা দেয়া মাত্রই তারা হাসিনাকে আজীবন গদিতে রাখার ওয়াদা করে। ড. ইউনুস সেই কালো আইন বাতিল করেছেন। আর তাতে বাংগু ন্যাশনের আমলা কামলাদের পুkku তে জ্বা/ লা ধরে গিয়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকা ঘুষ খেয়েছে তারা, লুট করেছে, দেশ তুলে দিয়েছে ভাড় টের হাতে। এসব অপরাধের সঠিক বিচার করতে চায় ইন্টেরিম, আর এজন্যই সচিবালয়ে বিক্ষোভ!


Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...