সুস্বাস্থ্যের জন্য হজমশক্তি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। খাবার খাওয়ার পর তা হজম হয় তারপর দেহে তা শোষিত হয়। কিন্তু এই শোষণ প্রক্রিয়া বাঁধাগ্রস্থ হলে ওজন বেড়ে যেতে পারে।
সেই সাথে লিপিড প্রোফাইল, ইউরিক এসিড, রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। মুখ থেকে অন্ত্র পর্যন্ত নানান ধরনের এনজাইম আর হরমোন রয়েছে। হজম ঠিকমত না হলে ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বমিবমি ভাব, বমি এসব সমস্যা দেখা দিতে পারে। #হজমশক্তি ব্যক্তি বিশেষে ভিন্ন হয়ে থাকে। তাই যার যে খাবারগুলোতে সমস্যা, সেগুলো এড়িয়ে যেতে হবে। #অতিরিক্ত তেল, ঝাল, মসলা যুক্ত খাবার এড়িয়ে যেতে হবে। #খাবার ভালো করে চিবিয়ে ধীরে ধীরে খেতে হবে। #পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান করতে হবে। তবে খাবারের মাঝে পানি খাওয়া বন্ধ করতে হবে। #প্রতিদিন নিয়মিত ৭-৮ ঘন্টা ঘুম নিশ্চিত করতে হবে। #চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে। #নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। হাঁটা, ইয়োগা কিংবা শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম হজমশক্তিকে ভালো রাখতে সাহায্য করে থাকে। #খাবার তালিকায় উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। #এছাড়া রসুন, স্যুপ হজমের জন্য ভালো। #প্রিবায়োটিক ও প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার হজমের জন্য ভালো।
প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...
Comments
Post a Comment