ক্যান্সারের প্রকোপ কী হারে বেড়েছে তা বলাই বাহুল্য। প্রাথমিক পর্যায়ে যদি ক্যান্সার নির্ণয় করা সম্ভব হয়, তাহলে ৯০ ভাগ ক্যান্সার চিকিৎসার মাধ্যমে সারানো সম্ভব। তো এক্ষেত্রে আমাদের করণীয়টা কী? কিংবা আমরা কী ধরনের সচেতনতা অবলম্বন করতে পারি? American Cancer Society এক্ষেত্রে কয়েকটা Warning Signal জানিয়েছে আমাদেরকে। যার কোনোটা চিকিৎসা নেয়া সত্ত্বেও যদি ২ সপ্তাহের বেশি চলতে থাকে, তাহলে যতো দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। ১। মল বা মূত্র ত্যাগের অভ্যাসের যদি পরিবর্তন ঘটে। ২। যেকোনো ঘা বা ক্ষত যদি সহজে না সারে। ৩। শরীরের যেকোনো জায়গা থেকে যদি অস্বাভাবিক রক্ত ঝরে কিংবা তরল নিঃসৃত হয়। যেমনঃ সারা মাস ধরে কারও মাসিক হচ্ছে থামছে না কিংবা দুই মাসিকের মাঝখানে আবার রক্ত যাচ্ছে। ৪। স্তন কিংবা শরীরের অন্য কোথাও চাকা চাকা কিছু পাওয়া গেলে। ৫। বদহজম কিংবা খাবার গিলতে কষ্ট হলে। ৬। তিল বা আঁচিলে স্পষ্ট কোনো পরিবর্তন দেখা গেলে। যেমনঃ তিল বা আঁচিল বড় হচ্ছে কিনা, ব্যথা করছে কিনা বা সেখান থেকে কিছু নিঃসরণ হচ্ছে কিনা। ৭। খুশখুশে কাশি কিংবা ভাঙা কণ্ঠস্বর থাকলে। এছাড়া আরও কয়েকটি ওয়ার্নিং সিগন্যাল রয়েছে - ৮। কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়া ক্লান্ত লাগতে থাকা এবং/বা ৫-৬ সপ্তাহের মধ্যে ১০ ভাগ বা তার বেশি ওজন কমে যাওয়া। ৯। অনেকদিন ধরে জ্বর জ্বর অনুভব করা। ১০। সবসময় পেটে ব্যথা করা কিংবা পেটে অস্বস্তি লাগা।
Comments
Post a Comment