বিয়ের ৩০ বছর পর যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয়, সফল সংসারজীবনের চাবিকাঠি কি - কি উত্তর দিবেন? ১. কোন পরিস্থিতিকে সবসময় মুদ্রার মত চিন্তা করুন। পয়সার যেমন দুইটি দিক থাকে, তেমনি ঘটনারও থাকে। হতেই পারে, আপনি একটা ব্যাপারকে যেভাবে ব্যাখ্যা করছেন, অন্যজন করছেন না। ২. স্বামী/স্ত্রী ভিন্ন দুইটি পরিবারে বেড়ে উঠেছেন; তাই তাদের অধিকাংশ কিছুই আলাদা। দাম্পত্যের দুইটি অংশেরই নিজস্ব মতামত থাকতে পারে, এতে দোষের কিছু নেই। সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য দুইজনের মতকে প্রাধান্য না দিলেও, গুরুত্ব দিন। ৩. আপনার যেমন রাগ হতে পারে, অন্যজনেরও পারে। আপনি যেমন ভুল করেন, অন্যজনও ভুল করতে পারে। খুব সাধারণ একটি বাক্য, কিন্তু ভেতর থেকে এটা মেনে নিতে পারলে সমস্যার সমাধান সহজ হবে। ৪. একটি পয়সা যখন ছুঁড়ে মারা হয়, যেকোন একটি দিক উপরে দিয়ে পড়ে, কিন্তু প্রতিবার কিন্তু একই দিক উপরে থাকে না! একইভাবে, দাম্পত্যেও কোন কোন সময় একজনের কথা প্রাধান্য পায়, কখনো আরেকজনের। নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিন, কোন বিষয়ে কার মতামত প্রাধান্য পাবে। ৫. প্রতিটি ঘটনাকে একটি আলাদা ঘটনা হিসাবে চিন্তা করুন। মনে করুন, এই বিষয়টি আপনি সামলে উঠবেন, এই ব্যাপারে আপনি তাকে বোঝার চেষ্টা করবেন। সংসার একটি দুইচাকার সাইকেলের মত। স্বামী, স্ত্রী দুইজনের নিজস্ব ভূমিকা আছে সংসারে, কেউ নিজ কাজ বন্ধ করলে সাইকেলের মত সংসারও বিকল হয়ে যায়। সাইকেলের চাকা যেমন বহুদিন ফেলে রাখলে জং পড়ে যায়, তেমনি দাম্পত্যেও নিয়মিত যত্ন দরকার। এই ভিত্তির উপরেই 'কাপল/ দাম্পত্য থেরাপী' তৈরি। অধিকাংশ দোষই যেকোন একজনের একার নয় এবং অধিকাংশ সমস্যাই সমাধানযোগ্য - এই মূলতত্ত্ব মেনেই এখানে কাজ শুরু করা হয়। তাই, সমস্যা আপনার হাতের বাইরে চলে গেলে, একজন ম্যারিটাল কাউন্সিলর আপনার দাম্পত্য রক্ষায় সাহায্য করতে পারেন। সুস্থ দাম্পত্য স্বামী - স্ত্রী উভয়ের মানসিক সুস্বাস্থ্যের জন্যই অপরিহার্য। . . . . . .
source-lifespring limited
Comments
Post a Comment