মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা thaad সিস্টেমের রাডার উড়িয়ে দিয়েছে ইরানি বিপ্লবী বাহিনী।
একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় রাডার কন্ট্রোল রুম এবং লঞ্চ প্যাড+মিসাইল থাকে। এই তিনটির একটি শেষ হলে ব্যবস্থা অকার্যকর। Thaad বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল এবং খুবই উন্নত প্রযুক্তি। ইরানের মত গরীব রাষ্ট্র এটি উড়িয়ে দিয়েছে এই খবর বিস্তার করলে আমেরিকান শক্তির উপর ভরসা এবং যুদ্ধাস্ত্রের দাম কমে যাবে অনেক। কারণ যেই দৈত্যের উপর ভরসা করে মানুষ টাকা খাইয়েছে এতদিন। সে যদি একটি ছাগলের কাছে পরাজিত হয় নিশ্চই তাকে দুধ কলা দিয়ে পুষতে কেউ আগ্রহ করবে না। সব মিলিয়ে ইরান কেবল মাত্র আমেরিকাকে মধ্য প্রাচ্যে না সারা বিশ্বেই নাস্তানাবুদ করছে। অচিরেই চীন কিংবা উত্তর করিয়া ভাবতে পারে যা ইরান পারে তা আমরা পারবো ধ্বংস করতে। তাই যেই কোন মুহূর্তে তাইওয়ান বা দক্ষিণ কোরিয়ার উপর আক্রমণ করতে ভয় নাই। এদিকে এই রাষ্ট্র গুলো আগের মত এত বেশি ভরসা বা বিনিয়োগ করতে রাজি হবে না। এই সবকিছু বিচারে দ্রুত খবর গুলো লুকিয়ে মোটামুটি সম্মানের সাথে ইরান থেকে বের হয়ে আসা আমেরিকার জন্য জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রথম দিন যদি শক্তির সাথে আক্রমণ করে ফিরে আসত তাহলে সে সবার প্রশংসা পেতো। সমস্যা হচ্ছে ইরান সেই প্রস্তাব নাকচ করে তার ব্লাফ গুলো একে একে বের করছে এবং মার খেতে খেতে তাকে এখন উপসাগরীয় দেশ থেকে পালাতে হচ্ছে। লজ্জা! মোহাইমিন পাটোয়ারীইরানের ইন্ডাস্ট্রি গুলোতে বোম্বিং করছে যৌথ বাহিনী।
তার কারণ একজন নেতা মরলে আরেক নেতা বাছাই করতে পারবেন কিন্তু একটি শিল্প ধ্বংস করলে আবার গড়ে তুলতে এক যুগের বেশি সময় লাগে।
কিন্তু এক যুগ শান্তিতে থাকতে পারবে কী?
উত্তর খুব সম্ভবত না।
বরং কিছুদিন পর পর আক্রমণ করে অনুন্নত করে রাখা হবে দেশকে। এভাবে ইজরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
সেই তুলনায় ইজরায়েলের অস্ত্র ভারতে উৎপাদন হচ্ছে বলে তথ্য এসেছে। সেখানে রাতদিন কাজ করছে শ্রমিক ও বিজ্ঞানীরা। এজন্য সম্প্রতি মোদীকে এত সম্মান দেওয়া হয়েছে।
পাশাপশি আছে আমেরিকা।
আপনি বোমা মেরে ইজরায়েল কে ধ্বংস করতে পারবেন না। সেই তুলনায় ইরানের লড়াই একার।
একটি কথা বলেছিলাম যে একটি সুন্দরী তরুণীর বাড়িতে মাস্তান আসছে তাকে শেষ করতে। প্রতিবেশী মাস্তানের পক্ষ নিচ্ছে। একত্রে তরুণীর জন্য স্বেচ্ছায় ইজ্জত দেওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই। ইরান সেই রাস্তা না বেছে বলল জীবন দিব তবু মাথা নোয়াব না।
ফলে যা হবার তাই হচ্ছে। আমরা দেখে থাকা ছাড়া কিছু করার নেই।
তবে আমার বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত আমেরিকা তার চুক্তি আগের মত করতে পারবে না।
একটু অবাক হই ভেবে সামান্য একটি অধিকারের জন্য একটি রাষ্ট্র কত রক্ত দিল। রাষ্ট্র প্রধান জীবন দিল। তবু অটল। সেই তুলনায় আমরা সামান্য একটু বিক্রি ক্ষতির ভয়ে কুর্নিশ করে ট্যারিফ চুক্তি করে ফেলি।
না, স্বাধীনতা সস্তা না। এর মূল্য দিতে হয়। যেই জাতি মূল্য দিতে জানে না সে পরাধীন থাকে।
মোহাইমিন পাটোয়ারী
Comments
Post a Comment